ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুকে ৬টি নতুন ইমোজি যুক্ত হতে যাচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে লাইক ছাড়া ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে আরও ছয়টি বাটন পাচ্ছেন।
ফেসবুকের ‘লাইক’ বাটনটা অনেকের কাছে একঘেয়ে হয়ে উঠছিল। ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, এই বাটনে অনুভূতির প্রকাশ ঠিকমতো হচ্ছে না। ‘ডিজলাইক’ বাটনের জন্য জোর দাবি উঠেছিল। এরপরই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় রাগ, দুঃখ, উচ্ছ্বাস, ভালোবাসার ছয়টি ইমোজির!এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ফেসবুক জানিয়েছে সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীদের জন্যই ইমোজিগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দিনক্ষণ না বললে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, শিগগিরই এগুলো সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

এখন ফেসবুকে ব্যবহারকারীরা সব মিলিয়ে ‘লাইক’, ‘লাভ’, ‘হাহা’, ‘ইয়াই’, ‘ওয়াও’, ‘স্যাড’ এবং ‘অ্যাংরি’ বাটন ব্যবহার করতে পারবে, যা একসঙ্গে বলা হচ্ছে ‘ফেসবুক রিয়েকশনস’। কোনো টিউনে এ ধরনের ইমোজি যোগ করতে হলে মোবাইল অ্যাপে টিউনের নিচে নির্দিষ্ট জায়গায় চেপে ধরতে হবে। ওয়েবসাইটে অবশ্য মাউস ওপরে নিয়ে গেলেই (হোভার) ইমোজিগুলো দেখাবে। কোন ইমোজির বোতাম কতবার চাপা হয়েছে, তা প্রতিটি টিউনের নিচে দেখাবে।
মার্ক জাকারবার্গ গতকাল বুধবার বলেছেন, ‘আমরা চাই মানুষ যা পছন্দ করে তার অর্থপূর্ণ সবকিছু যেন তারা শেয়ার করতে পারে।’ ফেসবুক মনে করছে এই পরিবর্তনের ফলে মানুষ তাঁদের অনুভূতি আরও সহজভাবে শেয়ার করতে পারবে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ চিলি, ফিলিপাইন, পর্তুগাল, আয়ারল্যান্ড, স্পেন, জাপান এবং কলম্বিয়ার ব্যবহারকারীদের ছয়টি ইমোজি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করতে দিয়েছিল। এখন সারা বিশ্বের ১৬০ কোটি ব্যবহারকারী লাইক ছাড়াও ওই ৬টি ইমোজি ব্যবহার করতে পারবেন।

ফেসবুকে যুক্ত হচ্ছে আরও ৬ বাটন

 ফেছবুক থেকে যেকোনো ফটো ডাউনলোড করুন এই আপ দিয়ে।আপটি নামাতে ক্লিক করুন এখানে

ফেছবুক ফটো ডাওনলোডার


সফলতার জন্য শিক্ষা অবশ্যই জরুরী। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা এতই মেধাবী যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তারা নিজেরাই তৈরি করে নিয়েছেন নিজেদের সফলতার পথ। স্কুল বা পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছেন বলে তাদের বলা হয় স্কুল ড্রপার। আসুন জেনে নিই এমন ১০ জন স্কুল ড্রপারদের কথা, পরবর্তীতে যাদের কাজ বদলে দিয়েছে আমাদের সবার জীবনযাত্রা।
টমাস আলভা এডিসন
বৈদুতিক বাতি আর ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসনকে চিনি আমরা সবাই। বিশ্বাস না হলেও সত্য, ভীষণ মেধাবী এই ব্যক্তি ছোটবেলায় স্কুল পালিয়েছিলেন। সবাই মনে করতেন পড়াশোনা তার দ্বারা হবে না ! কিন্তু সেই এডিসনই ইতিহাসের  সবচেয়ে জ্ঞানী বিজ্ঞানীদের অন্যতম একজন বলে বিবেচিত, যার নিজের নামে ১,০৯৩টি মার্কিন পেটেন্টসহ  যুক্তরাজ্য,  ফ্রান্স এবং জার্মানির পেটেন্ট রয়েছে। গণযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ খাতে তার বহু উদ্ভাবনের মাধ্যমে তার অবদানের জন্য তিনি সর্বজন স্বীকৃত। যার মধ্যে একটি স্টক টিকার, ভোট ধারনকারী যন্ত্র, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারী, বৈদ্যুতিক শক্তি, ধারণযোগ্য সংগীত এবং ছবি। বাসস্থান, ব্যবসায়-বাণিজ্য বা কারখানায় বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন ও বন্টনের ধারনা এবং প্রয়োগ দুটিই এডিসনের হাত ধরে শুরু হয় যা আধুনিক শিল্পায়নের একটি যুগান্তকারী উন্নতি। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপে তাঁর প্রথম বিদ্যুত কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়।
বিল গেটস


বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তিদের একজন, সবচেয়ে সফল কোম্পানির একটি মাইক্রোসফট যার সৃষ্টি তিনি কিনা স্কুল ড্রপার! তিনি হার্ভার্ড ছাড়েন ১৯৭৩ সালে এবং এক বন্ধুর সাথে একত্রে মাইক্রোসফট কোম্পানি শুরু করেন। হার্ভার্ড ছাড়ার ৩০ বছরেরও বেশী সময় পরে কলেজটি তাকে ডিগ্রী প্রদান করে সম্মাননা হিসেবে। তার সম্মাননা অনুষ্ঠানে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'আমার প্রভাব খুব খারাপ। তাই আমাকে আপনাদের গ্রাজুয়েশন শেষে বলতে ডাকা হয়েছে। আমি যদি আপনাদের কলেজের প্রথমদিন বক্তব্য দিতাম তাহলে খুব কম মানুষই আজ এখানে উপস্থিত থাকতেন!' একাধারে ১৩ বছর যাবৎ তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি ছিলেন।

স্টিভ জবস
ম্যাক, আইপড এদের অস্তিত্বই সম্ভবত থাকত না যদি স্টিভ জবস নিয়মিত স্কুলে যেতেন! তিনি রিড কলেজ ছাড়েন মাত্র ৬ মাস পর কারণ তার বেতন বাকি পড়ে গিয়েছিল। কলেজ ছেড়ে তিনি বরং এগিয়ে যান, সৃষ্টি করেন আজকের অ্যাপল, নেক্সট কম্পিউটার এবং পিক্সার, যে কিনা মর্ডান জীবনযাপন আর সংস্কৃতির চিত্রই বদলে দিয়েছে। তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়। বিল গেটস আর ওয়াল্ট ডিজনির নাম বিবেচনায় রেখে বলা যায় বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রগতিশীল,প্রভাবশালি, প্রতিভাবান আর সফল প্রযুক্তিক ভাবনার অধিকারী ছিলেন স্টিভ জবস | তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন-এর সাথে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি পিক্সার এ্যানিমেশন স্টুডিওস-এরও প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট

আমেরিকার সবচেয়ে আলোচিত আর্কিটেক্ট ফ্রাঙ্ক লয়েড বেশির ভাগ সময় পার করেছেন ডিজাইন করে, কলেজে ক্লাশ করার বদলে! তিনি ১৮৮৬ সালে উইসকনসিন-মেডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং মাত্র ১ বছর পর ছেড়ে দেন। তিনি শিকাগোতে চলে যান এবং লুইস সুলিভানের (মর্ডানিজমের জনক) শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করেন। তার সিভিতে ৫০০টির ও অধিক কাজের উল্লেখ পাওয়া যায়।

বাকমিনস্টার ফুলার

তিনি একইসাথে একজন আর্কিটেক্ট, চিন্তাবিদ, আবিষ্কারক এবং কলেজ ড্রপার! তিনি একবার নয় দুই দুই বার হার্ভার্ড ছাড়েন। ''মানবতা স্থায়ী ও সফলভাবে টিকে থাকবে কি না এবং যদি থাকে, তবে তা কেমন করে?''- এ প্রশ্নটি নিয়ে ফুলার সারাজীবন ভেবেছেন। নিজেকে একজন গড়পড়তা সাধারণ মানুষ, যার বিশেষ কোনো টাকা-কড়ি বা শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই বিবেচনা করে তার জীবন এই প্রশ্নটির উত্তর-সন্ধানে নিয়োজিত করেছিলেন। মানুষের উন্নয়নে বড় বড় সংগঠন, সরকার এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগ যেখানে অক্ষম, সেখানে একক সত্ত্বা কী করতে পারে তা সন্ধানে তিনি প্রবৃত্ত হয়েছিলেন।
তার জীবনব্যাপী পরীক্ষা-নিরীক্ষার যাত্রায় তিনি তিরিশাধিক পুস্তক রচনা করেছেন। এছাড়াও তিনি অসংখ্য উদ্ভাবনের সাথে জড়িত ছিলেন, মূলতঃ নকশা ও স্থাপত্য ক্ষেত্রে, যার মধ্যে প্রধানতমটি ছিলো জিওডেসিক গম্বুজ। জিওডেসিক গম্বুজের সাথে সাদৃশ্যের জন্যে ফুলারিন অথবা বাকিবলস নামক কার্বন অণুর নামকরণ করা হয়েছে তার নামানুসারে।
জেমস ক্যামেরন
একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী কানাডীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্য লেখক। মূলত অ্যাকশনধর্মী ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তিনি বিখ্যাত। এ ধরনের ছবিগুলোতে তাঁর উদ্ভাবনী শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। তার চলচ্চিত্র নির্মাণের মুখ্য বিষয়বস্তু হল মানুষের সাথে প্রযুক্তির সম্পর্ক। ক্যামেরন বিশ্ব বিখ্যাত চলচ্চিত্র টাইটানিক  রচনা, পরিচালনা ও সম্পাদনা করেছেন। মুদ্রাস্ফীতি বাদ দিলে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি আয় করা চলচ্চিত্র। তিনি আরো নির্মাণ করেছেন  দি টার্মিনেটর ও টার্মিনেটর ২: জাজমেন্ট ডে এবং এভাটার। এই সফল মানুষটিই কলেজ ড্রপ করেছেন, পড়াশোনা শেষ না করেন নি। বরং একজন ওয়েট্রেসকে বিয়ে করে ট্রাক ড্রাইভারের জীবন বেছে নিয়েছিলেন।
মার্ক জাকারবার্গ
বেশিরভাগ স্কুলছাত্ররা ক্লাশে গল্প করে, ঘুমিয়ে, পড়াশোনা করে অথবা এমন কাজ করে কাটায় যা তারা বাবা মা এর সামনে করতে পারে না। জাকারবার্গ ক্লাশে বসে ডিজাইন করলেন ফেসবুক! প্রথমে শুধু হার্ভার্ডের ছাত্রদের জন্য করা হলেও এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ধীরে ধীরে অন্যান্য কলেজ এবং পরে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক যতই জনপ্রিয় হতে থাকে ততই জাকারবার্গ নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেন পড়াশোনা থেকে। হার্ভার্ডের ছাত্রহল ছেড়ে তিনি চলে যান ক্যালিফোর্নিয়া। তার এই সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল আজ আমরা সবাই তা জানি। ফোর্বস ম্যাগাজিন এর মতে, তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ার।টম হ্যাঙ্কস
তিনি হলেন মার্কিন অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিগ(১৯৮৮), ফিলাডেলফিয়া (১৯৯৩), ফরেস্ট গাম্প (১৯৯৪), অ্যাপোলো ১৩ (১৯৯৫), সেভিং প্রাইভেট রায়ান, You've Got Mail (উভয়ই ১৯৯৮), কাস্ট এওয়ে(২০০০), দ্য দা ভিঞ্চি কোড (২০০৬), ক্যাপ্টেন ফিলিপস, এবং সেভিং মি. ব্যাংক্স (উভয়ই ২০১৩) চলচ্চিত্রে তার চরিত্রের জন্য, এবং পাশাপাশি অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র দ্য পোলার এক্সপ্রেস (২০০৪) এবং টয় স্টোরি ধারাবাহিকে তার কন্ঠ প্রদানের জন্য পরিচিত। অভিনয়ের জন্যই তিনি কলেজ ছাড়েন এবং সেক্রেমেন্টো স্টেট কলেজ এর মতে তিনি এই কলেজের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট।
হ্যারিসন ফোর্ড
Star War এবং Indiana Jones খ্যাত হ্যারিসন ফোর্ড রিপন কলেজে দর্শনের ছাত্র ছিলেন, কিন্তু গ্রাজুয়েশনের আগেই তিনি কলেজ ত্যাগ করেন। প্রথমে তিনি হলিউডের সিনেমায় ছোটখাট চরিত্রে অভিনয় করতেন। কিন্তু এতে তিনি এতই অসন্তুষ্ট ছিলেন যে তার চেয়ে প্রফেশনাল কারপেন্টারের কাজ করাই শ্রেয় মনে করেন। ১০ বছর পর ১৯৭৩ সালে কো-স্টার হিসেবে কাজ করেন জর্জ লুকাসে এবং তার সফলতার পথ এসে মেশে ১৯৭৭ এ Star War এ।
লেডি গাগা
স্টেফানি জোয়ান অ্যাঞ্জেলিনা গারমানোটা যিনি লেডি গাগা হিসেবে বেশি পরিচিত, তিনি একজন মার্কিন পপশিল্পী। বিচিত্র ফ্যাশনের জন্য তিনি বেশ আলোচিত। গানের পাশাপাশি এইডস ও বন্যার্তদের সহযোগিতাসহ নানা ধরনের সামাজিক কাজে যুক্ত তিনি। ২০১৩ সালের বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস-এর ৪৫ বছরের কমবয়সী সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীদের তালিকায় শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন লেডি গাগা। তিনি নিউ ইয়র্ক আর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। কিন্তু মাত্র ১ বছরের মাথায় ছেড়ে দেন শিল্পী ক্যারিয়ারে পূর্ণ মনোযোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে।

পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েও যারা বদলে দিয়েছে আজকের বিশ্বকে


মানুষ রহস্যপ্রিয় জাতি। সেই আদিকাল থেকেই যেকোন রহস্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ অসীম। রহস্যের দিকে আগ্রহ থাকলেও রহস্য সমাধানের আগ্রহ নেই বললেই চলে।
তবুও মানুষ রহস্যপ্রিয়।
রহস্যের সন্ধান পেলেই সেখানে ছুটে যায়, তা যেভাবেই হোক না কেন!! আজ আমি আপনাকে কয়েকটি রহস্যময় হোটেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো। যেগুলোতে ঘটে নানা রকম অতিপ্রাকৃত ঘটনা। কোনটির বয়স শতাধিক, আবার কোনটা বহু পুরোনো!!
অমীমাংসিত রহস্যময় ঘটনা গুলো চিরকালই মানুষকে আকর্ষন করে। আর তাই ভূত-প্রেত ভয় পেলেও মানুষ বারবারই জানতে যায় ভূতপ্রেত সম্পর্কে। অশরীরী কোনো কিছুর অস্তিত্ব অনেকেই বিশ্বাস করতে না চাইলেও প্রতিনিয়তই পুরো বিশ্বে ঘটছে নানান রকমের রহস্যময় ঘটনা যার কোনো ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব হয়না কখনই। আধুনিক যুগের প্রযুক্তিও হার মেনে যায় এসব রহস্যময় ঘটনার কাছে।
বেড়াতে গিয়েছেন যখন তখন নিশ্চয়ই ভালো কোনো হোটেলে থেকেছেন রাত কাটানোর জন্য। আর তা যদি হয় দেশের বাইরের কোনো বিলাসবহুল হোটেল তাহলে তো কথাই নেই। বিশ্বের তেমনই কিছু বিলাসবহুল হোটেলে হরহামেশাই ঘটছে ভূতুড়ে কান্ডকীর্তি। তেমনই ৬টি হোটেলের কিছু রহস্যময় ঘটনা জেনে নিন এই ফিচারে।

ল্যাংহাম হোটেল, লন্ডন

ফিচারের কভারে যেই ছবিটি দেখছেন সেটা লন্ডনের ল্যাংহাম হোটেলের। ১৮৮৫ সালে তৈরী হওয়া এই হোটেলে বহু নামীদামী লোকজন বসবাস করেছেন বিভিন্ন সময়ে। আর তার পাশাপাশি বেশ কিছু ভূতেরও বসবাস আছে এই হোটেলে? অবাক হচ্ছেন? এই হোটেলের রুম নাম্বার ৩৩৩ এ ভিক্টোরিয়ান ইভনিং পোশাক পরা একটি পুরুষের ছায়া দেখা যায়। তবে এই ছায়া শুধুমাত্র অক্টোবর মাসেই দেখা যায়। অন্যসময়ে কোনো সমস্যা হয় না। অনেকেই এই হোটেলের ৪ তলার জানালায় মিলিটারি পোশাক পরা একজনকে প্রায়ই দেখতে পান। ধারনা করা হয় এটা জার্মান প্রিন্সের আত্মা যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে জানালা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছিলেন

হোটেল বার্চিয়ান্তি, ইতালি

ইতালির ফ্লোরেন্সে অবস্থিত এই হোটেলটিকে ভূতের হোটেলই বলা চলে। কারণ এই হোটেলে যারাই অবস্থান করেছে তাদের অনেকেই নানান রকম ভৌতিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে। ছোট শিশুর ছায়া, নারীর চেয়ারে বসে উল বোনার দৃশ্য, ভোর বেলা ভৌতিক ক্লিনার সহ আরো নানান রকমের অদ্ভুত অশরীরী দেখতে পেয়েছেন অনেকেই। এমনকি অনেকে হোটেলের যে রুমটিতে মুসোলিনি থেকেছিলেন সেখানে তার আত্মাও দেখতে পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে

রাসেল হোটেল, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অবস্থিত এই হোটেলের ৮ নম্বর রুমটিকে সবাই এড়িয়ে চলেন। আর তার কারণ হলো এখানেও ভৌতিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন অনেকেই। বলা হয়ে থাকে এই রুমে আটকে আছে এক নাবিকের আত্মা। হোটেলের কর্মচারীরা গভীর রাতে এই রুম থেকে জোরে জোরে পা ফেলে হাটার শব্দও পেয়ে থাকেন নিয়মিত। যদিও রুমটিতে কখনই কেউ থাকে 

ক্যাসেল স্টুয়ার্ট, স্কটল্যান্ড

১৬২৫ সালে স্থাপিত এই ক্যাসেলটি তৈরী করেছিলেন জেমস স্টুয়ার্ট। তিনি ছিলেন তৎকালীন স্কটল্যান্ডের রানীর দূর সম্পর্কের ভাই। ক্যাসেলটি তৈরীর পর থেকেই নানান রকমের ভৌতিক কান্ড ঘটতে থাকে সেখানে। ফলে এক পর্যায়ে সেটা বসবাসের অযোগ্য হয়ে যায় মানুষের জন্য। অনেকেই ব্যাপারটা বিশ্বাস করেন নাই। আর তাই স্টুয়ার্ট একপর্যায়ে ঘোষণা দেন যে কেউ যদি এক রাত ক্যাসেলে থেকে প্রমাণ করতে পারে যে সেখানে ভুত নেই, তাকে পুরস্কৃত করা হবে। এই প্রস্তাবে এলাকার ধর্ম যাজক পেট্টি চার্চ সেখানে রাত্রিযাপন করার প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন। পরদিন সকালে ক্যাসেলটিতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতদেহের চেহারাটি ছিলো প্রচন্ড ভয়ার্ত

কোম্ব অ্যাবি হোটেল, ইংল্যান্ড

১৩৪৫ সালে এই হোটেলে খুন হয়েছিলেন জিওফ্রে নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু তার খুনিকে কখনই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে জিওফ্রে এর আত্মা ছেড়ে যায়নি হোটেলটি থেকে। আর তাই অনেকেই মাঝ রাতে হোটেলের রান্নাঘর থেকে হাড়িপাতিল ছুড়ে ফেলার শব্দ পান। শব্দ শুনে মনে হয় কেউ যেন তীব্র আক্রোশে জিনিসপত্র ছুড়ছে এদিক ওদিকে

দ্যা হাওথ্রন হোটেল, আমেরিকা

আমেরিকার ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত হোটেল দ্যা হাওথ্রনে অনেক বিখ্যাত মানুষ থেকেছেন অনেক সময়। এমনকি আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ ও তার স্ত্রীও থেকে গিয়েছেন এখানে। কিন্তু এই হোটেলেরও আছে ভৌতিক ঘটনা ঘটার বদনাম। চোখের সামনে থেকে চাবি গায়েব হয়ে যাওয়া, সুইচ অন ছাড়াই লাইট অন এবং অফ হয়ে যাওয়া, হঠাৎ পানির কল চালু হয়ে যাওয়া সহ আরো নানান রকম সমস্যা হয় এই হোটেলের অনেক গুলো রুমেই। হোটেলের ৬১২ নম্বর রুমের ঠিক সামনে অনেকেই একটি নারীর অবয়ব দেখতে পেয়েছেন অনেকবারই। কিন্তু পিছু নিতে গেলেই বার বার মিলিয়ে গিয়েছে সেটা।
ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন সবাই। আর হোটেলগুলো থেকে ঘুরে আসতে ভুলবেন না কিন্তু!!

পৃথিবীর রহস্যময় হোটেলগুলো এবং তাদের রহস্যময় ভৌতিক কাহিনী

স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণার কথা জানিয়েছে শর্টলিস্ট ডটকম :

১. চার্জ বাঁচাতে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ আদতে তেমন চার্জ নিঃশেষ করে না, যেটি মানুষ ভেবে থাকে। আপনার মোট ব্যাটারি লাইফের ওপর এটি তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না।
কিন্তু যদি আপনি আপনার ব্যাটারির ‘শেষ বিন্দু’ চার্জটুকুও ধরে রাখতে চান, তবে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করে দিতে পারেন। তবে চার্জ বাঁচাতে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করার চেয়ে সেগুলোর রিফ্রেশ হওয়ার সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন। এতে চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখা যেতে পারে। খুব ঘন ঘন রিফ্রেশ হয়, এমন অ্যাপ আপনার ব্যাটারির চার্জ নষ্ট করতে পারে।
২. শুধু নিজের ফোনের চার্জার দিয়েই চার্জ
আপনার স্মার্টফোনের চার্জার ছাড়া অন্য চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে ব্যাটারির কোনো ক্ষতি হয় না। আপনার ব্যাটারি লাইফের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না অন্য চার্জার। চার্জারভেদে ফোনের ব্যাটারি ফুল হতে সময়ের হেরফের হতে পারে। তবে স্মার্টফোনের চার্জার বাদ দিয়ে অন্য কোনো ডিভাইস দিয়ে চার্জ দিতে গেলে বাধতে পারে বিপত্তি। সে ক্ষেত্রে ভোল্টেজ ও বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটতে পারে।
৩. সারা রাত চার্জ দিলে ব্যাটারির ক্ষতি হবে
পুরোনো দিনের ফোনের ব্যাটারির জন্য এই কথা প্রযোজ্য। সেসব ব্যাটারিতে শতভাগ চার্জ হওয়ার পর অতিরিক্ত চার্জ ক্ষতি করতে পারত ব্যাটারি কিংবা ফোনের অথবা দুটোরই। তবে এ যুগের বেশির ভাগ স্মার্টফোনের ব্যাটারি নতুন এক প্রযুক্তি অনুসরণ করে, যার নাম ‘ট্রিকল ব্যাটারি’।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাটারি যখনই ৮০ শতাংশ চার্জড হয়ে যায়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈদ্যুতিক প্রবাহ কমে যায়। আর যখন শতভাগ চার্জ হয়ে যায়, তখন পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ প্রবাহ। সেদিক থেকে বলা যায়, আপনার স্মার্টফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে খুব একটা ক্ষতি হবে না।
৪. চার্জ হওয়ার সময় ব্যবহার করা যাবে না ফোন
চার্জ হওয়ার সময় ফোন ব্যবহারে নেই কোনো সমস্যা। এটি যেমন আপনার ক্ষতি করবে না, ঠিক তেমনি ক্ষতি হবে না আপনার ব্যাটারি কিংবা স্মার্টফোনের।

স্মার্টফোনের চার্জিং নিয়ে আমাদের পাঁচ ভুল ধারণা। যা আমাদের মোবাইলের ব্যাটারীকে নিয়ে চিন্তিত করে ফেলে।


হাতির পায়ে পিষ্ট করে হত্যা  মৃত্যদণ্ড কার্যকর করার এই পদ্ধতি টি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় উদ্ভাবিত, সুদূর কোনো দেশের পদ্ধতি নয়। এ পদ্ধতিতে বিশাল আকৃতির হাতি তার পা দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির মাথা থেঁতলে দিতো। এক্ষেত্রে আবার হাতিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, যাতে সে ধীরে ধীরে পায়ের চাপ বাড়ায়। যাতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কষ্ট ভোগ করে মারা যায়।


পুড়িয়ে হত্যা পুড়িয়ে হত্যা করার পদ্ধতি শুরু হয় মুলত জোয়ান অব আর্ককে পুড়িয়ে মারার পর থেকে। সে সময় তার বয়স ছিলো মাত্র ১৯ বছর। ১৪৩১ সালের ৩০ মে তাকে হত্যা করা হয়। জোয়ান অব আর্ক ছিলেন পূর্ব ফ্রান্সের একজন সামান্য কৃষকের ঘরে জন্মানো বাক্তি যিনি ফরাসী সেনাবাহিনীর জন্য বিরল যুদ্ধজয় এনে দিয়েছিলেন। তার নেতৃত্বেই ফ্রান্স তাদের বেহাত হয়ে যাওয়া ভূমি পুনুরুদ্ধার করতে সমর্থ হয়। তিনি সপ্তম চার্লসের ক্ষমতারোহনের পেছনেও পরোক্ষ ভূমিকা রেখেছিলেন। অথচ দেশের জন্য এতো গৌরব বয়ে আনা সত্বেও তাকে বার্গুনডিয়ানরা আটক করে ইংরেজদের কাছে বিক্রি করে দেয়। সেখানে একটি খৃষ্টান আদালতের রায়ে তাকে পুড়িয়ে মারা হয়। তার মৃত্যুর ২৪ বছর পর সপ্তম চার্লসের উদ্যোগে পোপ তৃতীয় ক্যালিক্সটাস তার পুনর্তদন্তে জোয়ানকে নির্দোষ সাব্যস্ত করেন এবং তাকে শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়।


সিদ্ধ করে হত্যা : ১৫৩২ সালে ইংল্যান্ডের অষ্টম হেনরি মৃত্যুদণ্ডের এ পদ্ধতি চালু করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাক্তিকে প্রথমে একটি পানি ভর্তি পাত্রে রাখা হতো. এরপর পাত্রের নিচে আগুন দিয়ে পানি গরম করে ধীরে ধীরে সিদ্ধ করা হতো. বন্দির মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত পানি ফোটানো হতো। এ পদ্ধতিতে শেষ যাকে হত্যা করা হয় তিনি ছিলেন ভারতের শিখ শহীদ যাকে দিল্লিতে সিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল। পাশবিক এ মৃত্যুদণ্ড পদ্ধতি ১৬৭৫ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।


চামড়া ছিঁড়ে মৃত্যুদণ্ড : এ পদ্ধতিটি মাক্সিকোর এজেক্ট (Aztecs) জাতি চালু করে। এ পদ্ধতিতে জীবন্ত অবস্থায় বন্দির ধীরে ধীরে সমস্ত শরীর থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হতো। কষ্ট বাড়ানোর জন্য মাঝে মাঝে উন্মুক্ত স্থানে লবণ মাখানো হতো। এটি ছিলো একটি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সার্বজনীন পদ্ধতি। ১৩০৩ সালে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবে কিং এডওয়ার্ডের বিপুল পরিমান অর্থ নিয়ে যাওয়ার সময় সন্ন্যাসী ডাকাতদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হন। অতঃপর ৪৮ জন সন্ন্যাসীকে গ্রেফতার করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর গির্জার কর্মচারী ঘণ্টাবাদক সহ মোট ৩ জন সন্ন্যাসীকে ডাকাতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং তাদের চামড়া ছিঁড়ে হত্যা করে চামড়া গির্জার দরজায় ঝুলিয়ে রাখা হয় দৃষ্টান্ত হিসাবে।

করাতে কেটে মৃত্যুদণ্ড : এই পদ্ধতিটি চালু ছিলো ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ এশিয়তেও। এক্ষেত্রে মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে উল্টো করে দুই পা দুই দিকে ফাঁক করে বেঁধে রাখা হতো। এরপর মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির যৌনাঙ্গ বরাবর করাত রেখে দেহকে মাঝ বরাবর কেটে ফেলা হতো। আর উল্টো করে ঝোলানোর কারণে ব্যক্তিটির মস্তিষ্ক যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত পেতো, যাতে তিনি শরীরের মাঝ বরাবর কেটে ফেলার ব্যথা সম্পূর্ণটাই অনুভব করতে পারে। মধ্যযুগের অমানবিক মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম।

জানেন কি মধ্যযুগের ভয়ঙ্কর সেই মৃত্যুদণ্ড ব্যবস্থা???


সফটওয়্যার নির্মাতা ইক্রোসফটের সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেমউইন্ডোজ ১০ সারা বিশ্বের ২০ কোটির বেশি যন্ত্রে চলছে বলে জানা গেছে। দ্রুতগতিতে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রে উইন্ডোজের কোনো সংস্করণের এমন ব্যবহারে খুশি মাইক্রোসফট
। গত বছরের জুলাই থেকে বিনা মূল্যে উইন্ডোজ ১০ ডাউনলোডের সুযোগ চালু হয় ব্যক্তিগত কম্পিউটার এবং স্মার্টফোনে। এক মাস আগে এক অনুষ্ঠানে মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদালে জানিয়েছিলেন, উইন্ডোজ ১০ চলছে ১১ কোটি যন্ত্রে। এ ঘোষণার এক মাসের মধ্যেই প্রায় দ্বিগুণ যন্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম। 

উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এমন আগ্রহ বাড়ার কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমে ব্যক্তিগত ভার্চ্যুয়াল সহকারী কর্টানা যুক্ত হয়েছে। ব্যক্তিগত এই সহকারী ব্যবহারকারীর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যেতে পারে। গেমিংকে সর্বোচ্চ প্রাধান্যও দেওয়া হয়েছে উইন্ডোজ ১০-এ। এমনটা এর আগে জানিয়েছিলেন এক্সবক্স টিমের প্রধান ফিল স্পেন্সার। পাশাপাশি উইন্ডোজ ৭ ও ৮.১ ব্যবহারকারীরা এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে হালনাগাদ করার সুযোগ পেয়েছেন। যুক্ত হয়েছে নতুন ইউজার ইন্টারফেস, যেখানে রয়েছে স্টার্ট মেন্যু। সবচেয়ে বড় সুবিধা যুক্ত হয়েছে এবারের সংস্করণে এবং সেটি হচ্ছে সব প্ল্যাটফর্মেই চলবে উইন্ডোজ ১০। ফোন, ট্যাব, টুইনওয়ান, পিসিসহ সব প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার উপযোগী করেই তৈরি করা হয়েছে এই অপারেটিং সিস্টেমটি। বিনা মূল্যে কথা বলার জনপ্রিয় সফটওয়্যার স্কাইপে যুক্ত হয়েছে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘদিন পর আবার নিজেদের বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর এই চেষ্টায় প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছে মাইক্রোসফট এমনই মত বাজার গবেষকদের। তবে এ ধারা অব্যাহত রাখতে উইন্ডোজ ১০-এর জন্য আরও বেশি মোবাইল ডেভলপার তৈরির পরামর্শও দিয়েছেন একাধিক গবেষক। তাঁদের মতে, বেশি বেশি অ্যাপ তৈরি করতে পারলেই অ্যাপলের আইফোন বা আইপ্যাডের সঙ্গে প্রতিদ্বন্ধিতায় এগিয়ে থাকা যাবে।

২০ কোটি যন্ত্রে চলছে উইন্ডোজ ১০


দশ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করছে ইয়াহু ইনকরপোরেশন। চলতি মাসের শেষ দিক থেকে এ ছাঁটাই শুরু হতে পারে বলে প্রতিষ্ঠানটির ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি ও ব্যবসা বিষয়ক ওয়েবসাইট বিজনেস ইনসাইডার।

গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াহুর মিডিয়া, ইউরোপ অঞ্চলের ব্যবসা ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রায় এক হাজার কর্মী ছাঁটাই করা হতে পারে।
ব্যবসা বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইয়াহু বরাবর বিনিয়োগকারী স্টারবোর্ড ভ্যালু এলপির লেখা এক চিঠিতে কর্মী ছাঁটাইয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়। এতে ইয়াহুর প্রধান নির্বাহী মারিসা মেয়ার ও তাঁর নেতৃত্বাধীন টিম চাপের মুখে পড়েছে। স্টারবোর্ড কর্তৃপক্ষ মারিসা মেয়ারের নাম উল্লেখ না করে বলে, তাঁর ও তাঁর অধীনে থাকা টিমের বিদায়ের সময় এসে গেছে। ইয়াহুর শেয়ারের দাম পড়তে থাকায় এই বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে পুরো ইয়াহু বোর্ড রদবদল করার হুমকি এসেছে। ইয়াহুর মুখপাত্র রেবেকা নুফিল্ড বলেছেন, শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। বর্তমানে ইয়াহুতে ০.৭৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক স্টারবোর্ড ২০১৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে বদল আনার চাপ দিয়ে যাচ্ছে। তারা চাইছে ইয়াহুর এশিয়া অঞ্চলের সম্পদকে পৃথক করে এর মূল সার্চ ও বিজ্ঞাপন ব্যবসাকে নিলামে তুলতে। কিন্তু ইয়াহুর পরিচালনা বোর্ড এর বিরোধিতা করছে। ইয়াহুর ব্যবসাকে দাঁড় করানোর জন্য ব্যবস্থাপনা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাকেনসি অ্যান্ড কোম্পানিকেও নিয়োগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কর্মী ছাঁটাই হলে ইয়াহুতে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসবে এর মিডিয়া ইউনিটে। 

এক হাজার কর্মী ছাঁটাই করবে ইয়াহু!


দেশের বাজারে মাইক্রোসফট নিয়ে এসেছে উইন্ডোজ ১০ সফটওয়্যার চালিত লুমিয়া ৫৫০ নামে একটি স্মার্টফোন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি উইন্ডোজ ১০ চালিত সবচেয়ে সাশ্রয়ী ফোন। এর দাম ১২ হাজার টাকা। 

মাইক্রোসফটের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফোরজি সুবিধার হ্যান্ডসেটে আছে ৪ দশমিক ৭ ইঞ্চি এইচডি প্রিমিয়াম ডিসপ্লে। এতে মাইক্রোসফটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়। ফোনটিতে রয়েছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন কোয়াড কোর প্রসেসর, এক জিবি র‍্যাম। এর ব্যাটারি ২১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। ফোনটির পেছনে পাঁচ ও সামনে দুই মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আছে। সামনের ক্যামেরার অ্যাপারচার ২ দশমিক ৪। ফোনটির ইন্টারনাল মেমোরি ৮ জিবি।

বাজারে সবচেয়ে সাশ্রয়ী উইন্ডোজ ফোন লুমিয়া ৫৫০


ভিশন টু সার্ভ গো উইথ আইসিটি’ স্লোগানে রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের কম্পিউটার সিটি সেন্টারে ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ছয় দিনের ডিজিটাল আইসিটি মেলা। সপ্তমবারের মতো আয়োজিত এ মেলা চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। আয়োজক কম্পিউটার সিটি সেন্টার দোকান মালিক সিমতি। গত রোববার মেলার লোগো উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কম্পিউটার সিটি সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও মেলার আহ্বায়ক তৌফিক এহেসান বলেন, এবার আরও বড় পরিসরে ও জাঁকজমকভাবে মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। এবারের মেলায় ৬৫০ প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তির কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ক্যামেরা, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাসহ তথ্যপ্রযুক্তির সর্বশেষ নানা পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করবে। মেলার শেষ দিনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হবে গুণীজন সংবর্ধনা।
মেলার সদস্যসচিব সুব্রত সরকার বলেন, মেলা উপলক্ষে এবার বিশেষ আয়োজন হিসেবে থাকছে প্রযুক্তিপণ্যের ওপর আকর্ষণীয় মূল্য ছাড়, মেলার সময় প্রতিদিন র্যাফল ড্রর মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার, রক্তদান কর্মসূচি, এন্ট্রি পাসের সঙ্গে বিনা মূল্যে সিনেমা দেখার সুব্যবস্থা, বিনা মূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার, গেমিং জোন, ফটোগ্রাফি ও সেলফি প্রতিযোগিতা, শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পিঠা উৎসব, আধুনিক প্রযুক্তিপণ্যের প্রদর্শনীসহ নানা আয়োজন।
আয়োজকেরা জানান সারা দেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা মেলায় বিনা মূল্যে প্রবেশ করতে পারবে। মেলার প্রবেশমূল্য ১০ টাকা। এই মেলার পৃষ্ঠপোষক এইচপি, আসুস, স্যামসাং, লেনোভো, লজিটেক, এমএসআই, টিপি লিংক, রেপো ও ইসেট। 

২০ জানুয়ারি থেকে ডিজিটাল আইসিটি মেলা

একবার চারপাশে তাকিয়ে দেখুন তো, কতজন স্মার্টফোনের ওপর ঝুঁকে পড়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে বা টেক্সট করছে? বিশেষভাবে তরুণেরা দিনের একটা বড় সময় কাটায় স্মার্টফোনে। মোবাইল ছাড়া জীবন অচল, সন্দেহ নেই।
কিন্তু স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ প্রভৃতি প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় একটু সতর্ক থাকতে হয়। না হলে কীভাবে কী বিপদ হতে পারে দেখুন:
১. আমাদের মাথার ওজন প্রায় সাড়ে পাঁচ কেজি। যখন আমরা ৬০ ডিগ্রি কোণে মাথা নিচু করে ঝুঁকে পড়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করি, তখন কাঁধ ও ঘাড়ের ওপর কার্যকর চাপের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় সোয়া ২৭ কেজি। এর ফল কী হতে পারে চিন্তা করুন। কয়েক দিনের মধ্যেই কুঁজো হয়ে পড়বেন।
২.শুধু যে দেহভঙ্গি বদলায় তা-ই নয়, মনের ওপরও চাপ পড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, মন খারাপ থাকলে যেমন শরীর নুইয়ে পড়ে, তেমনি এর বিপরীতে মাথা নুইয়ে থাকা মানুষের মনের জোরও কমে যায়, ব্যক্তিত্ব হয় দুর্বল।
৩.ঝুঁকে থাকা দেহভঙ্গির মানুষের স্মৃতিশক্তিও কমে যায়। ২০১৪ সালে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকোথেরাপি অব পিপল-এ প্রকাশিত এক পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণাপত্রে দেখা গেছে, যাঁরা ঝুঁকে
থাকেন তাঁরা সাধারণ তথ্য বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। ২০০৯ সালে জাপানি স্কুলশিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, প্রশ্নের উত্তর লিখতে বললে বেঞ্চে সোজা হয়ে বসার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ফল ভালো হয়, আর যারা কুঁজো হয়ে বসে, ওরা খারাপ করে। ফোন বা ট্যাব যত ছোট, দেহ ও মনের ক্ষতি তত বেশি।
৪.মাথা সোজা রেখে চোখ বরাবর স্মার্টফোন বা ট্যাব রেখে ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে। মাঝেমধ্যে কাঁধ ও ঘাড় নাড়াচাড়া দিয়ে হালকা ব্যায়াম করা ভালো।
৫.এ লেখা পড়ার পর থেকে স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় মনে রাখবেন, ঝুঁকে পড়ে কাজ করলে শরীর ও মনের ক্ষতি হতে পারে, এমনকি আপনার ব্যবহারও বিগড়ে যেতে পারে। তাই সময় থাকতে সতর্ক হোন।

মুঠোফোন ব্যবহারে যে সতর্কতা জরুরি


এর আগে নকিয়ার ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট যা করেছে, মটোরোলার ক্ষেত্রেও তা-ই যেন করছে লেনোভো! যে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিশ্বের প্রথম মোবাইল ফোন এসেছিল, তাদের নামটিই মুছে যাচ্ছে! মটোরোলা নামটি আর থাকছে না ফোনের বাজারে!।
মটোরোলা ব্র্যান্ডটিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমানে মটোরোলার মালিক লেনোভো। 
২০১৪ সালে গুগলের কাছ থেকে মটোরোলা ফোন ব্যবসা অধিগ্রহণ করে চীনের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান লেনোভো। চলতি বছর থেকে ফোনের বাজারে মটোরোলা নামটিকে বিদায় জানানোর পরিকল্পনা করছে তারা।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলেন, বিশ্বে প্রথম মোবাইল নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান হলেও বর্তমানে নতুন নতুন স্মার্টফোনের বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে মটোরোলা। এক দশক আগেও বাজারে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। ক্রমাগত ফোনের ব্যবসায় পিছিয়ে পড়তে থাকায় ২০১২ সালে মটোরোলা তাদের ব্যবসা দুই ভাগে ভাগ করে ফোন বিভাগটিকে গুগলের কাছে বিক্রি করে দেয়। মটোরোলা কিনে লোকসান গুনতে হওয়ায় দুই বছর পরেই গুগল মটোরোলার কিছু পেটেন্ট রেখে লেনোভোর কাছে মটোরোলাকে বিক্রি করে। 
মটোরোলাকে বিদায় জানানোর খবর প্রথম প্রকাশ করে প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট। গতকাল বৃহস্পতিবার মটোরোলার একজন প্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মটোরোলার ফোন বিভাগের নাম হিসেবে মটোরোলা মোবিলিটি নামটি ব্যবহার করলেও ফোনের ব্র্যান্ড নাম হিসেবে মটোরোলা ব্যবহার করবে না। এর বদলে ফোন ও পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রে ‘মটো’ ও ‘ভাইব’ নাম দুটি ব্যবহার করতে পারে লেনোভো

বিদায় মটোরলা।


আপনার কী মাঝে মাঝেই মনে হয় যে, পকেটের মধ্যে মোবাইল ফোনে কম্পন (ভাইব্রেশন অপশনে থাকলে) হচ্ছে? কিন্তু হাত দিয়ে দেখার পর বোঝেন যে আপনার ধারণা ছিল ভুল?।উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে শুনুন; শুধু আপনি নন, ফ্যান্টম ভাইব্রেশন সিনড্রোম নামের এই সমস্যায় ভুগছেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই!
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সহকারী অধ্যাপক ও দার্শনিক রবার্ট রোজেনবার্গ দাবি করেন, ফোন না বাজলেও কম্পন অনুভব করার এই ঘটনা ঘটে মূলত ‘চিরাচরিত শারীরিক অভ্যাস’ এর ফল। 
‘কম্পিউটার্স ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে গবেষকেরা বলেছেন, ‘মানুষ যখন তার পকেটে ফোন রেখে দেয়, তখন এটি তাঁর “শরীরের একটি অংশ” হয়ে যায়। অনেক সময় চোখের চশমা যেভাবে “শরীরের অংশ” হয়ে দাঁড়ায় এবং চোখে চশমা থাকলেও অনেকেই সেটি খুঁজে বেড়ান।’ 
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গবেষক রোজেনবার্গ বলেছেন, মানুষ অনেক সময় কাপড় নড়াচড়া কিংবা পেশির খিঁচুনিকেও মোবাইল টোন হিসেবে মনে করে বসেন। এটা হ্যালুসিনেশন বা ভ্রম। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে ৯০ শতাংশ মানুষ এ সমস্যায় ভোগেন।

৯০ শতাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী যে সমস্যায় ভোগেন


স্মার্টফোন এখন নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই বলে স্মার্টফোন দিয়ে ধূমপান ঠেকানো?।
একই যন্ত্রে স্মার্টফোনের সব ফিচার আবার ই-সিগারেট দুই-ই এখন দেখা যাচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের সাম্প্রতিক এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভ্যাপরকেড তৈরি করেছে এমনই একটি স্মার্টফোন যা ফোনকল করা, বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি ধূমপান ঠেকাতে কাজে লাগানো যেতে পারে। 
ভ্যাপরকেডের দাবি, জুপিটার আইও ৩ নামের এই স্মার্টফোনটি বিশ্বের প্রথম ধোঁয়া তৈরিকারক ফোন। থ্রিজি সুবিধার ফোনটির দাম ২৯৯ মার্কিন ডলার (প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার টাকা)। এতে অ্যান্ড্রয়েডের কিটক্যাট বা ৪ দশমিক ৪ সংস্করণ ব্যবহৃত হয়েছে। স্মার্টফোনের ওপরের দিকে প্লাস্টিকের কভারের মধ্যে সুগন্ধি তরল কার্তুজ ও মাউথপিস থাকে। এর মাধ্যমে ফোনটিই ই-সিগারেট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ফোনের ব্যাটারি দুটি। একটি ফোনের ব্যাটারি হিসেবে কাজ করে এবং অন্যটি ই-সিগারেটের ব্যাটারি হিসেবে কাজ করে। 
ফোনে ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণ করার একটি বাটনও রয়েছে। ই-সিগারেটের এই কার্তুজের দাম ১৫ মার্কিন ডলার (প্রায় এক হাজার ২০০ টাকা)। ফোনে ভ্যাপরকেডের তৈরি একটি অ্যাপ্লিকেশন আছে যার মাধ্যমে ব্যাটারি, ই-সিগারেটের দ্রবণ প্রভৃতির হিসাব রাখা যায়। 
ভ্যাপরকেডের দাবি, যাঁরা সিগারেট ছাড়তে চান তাঁদের জন্য এই যন্ত্রটি কাজে লাগতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের কাছ থেকে অনুমোদন পেয়েছে বলে দাবি করেছে স্মার্টফোনটির নির্মাতারা।

এক ফোনের দুই কাজ!


আসুস বাংলাদেশে নিয়ে আসছে দ্বিতীয় প্রজন্মের জেনফোন ২ স্মার্টফোন।

জেনফোন ২, জেনফোন ২ ডিলাক্স, জেনফোন লেজার এবং জেনফোন সেলফি মডেলের স্মার্টফোন বাজারজাত করছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। 

স্মার্টফোনগুলোতে রয়েছে ৪ গিগাবাইট র্যাম, ইন্টেল আর কোয়ালকমের ৬৪ বিটের প্রসেসর ইত্যাদি। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে আসুসের জেনফোন। 

আসছে দ্বিতীয় প্রজন্মের জেনফোন ২


উপগ্রহ স্থাপনের জন্য সরকার থালস-এলেনিয়া স্পেস নামে একটি ফরাসি-ইতালিয়ান কোম্পানির সঙ্গে ২৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের চুক্তি করেছে। এই কোম্পানি ‘বঙ্গবন্ধু-১’ নামে দেশের প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট নির্মাণ করবে এবং নির্ধারিত কক্ষপথে সেটি স্থাপন করবে। কক্ষপথের ওই জায়গাটি বাংলাদেশকে বরাদ্দ নিতে হয়েছে রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে, খরচ পড়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
সাকল্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলারের এই মহাকাশভিত্তিক যোগাযোগের বউনি করতে বাংলাদেশের ভূমিতে একটি আর্থস্টেশন নির্মাণ করা হবে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সফলভাবে উৎক্ষেপণ হয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু-১ দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগব্যবস্থাকে অত্যন্ত মজবুত ও ঘাতসহনীয় করে তুলবে।
এমন এক মহাকাশ উদ্যোগ গর্ব করার মতো বিষয়ই বটে, আর এ নিয়ে বাগাড়ম্বরও অস্বাভাবিক নয়। অন্য যেকোনো সরকারের মতো বাংলাদেশ সরকারও যে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণকে তার ভাবমূর্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে পুরোপুরি কাজে লাগাবে, সেটাও স্বাভাবিক। পেছনে বিশাল অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আর ক্রমাগত ধোঁয়ার উদ্গিরণ এঁকে ঊর্ধ্বাকাশে ছুটে যাওয়া মহাকাশযানের সরাসরি সম্প্রচার হর্ষোৎফুল্ল দেশবাসীকে বিস্ময়াভিভূত করবে নিঃসন্দেহে। মহাকাশযানের বিভিন্ন অংশ নিয়ম মোতাবেক একের পর এক যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে থাকবে, জনতার ধমনিতে বইবে শিহরণের জোয়ার। কাঙ্ক্ষিত কক্ষপথে পৌঁছে বঙ্গবন্ধু-১ মেলে ধরবে তার সৌরপ্যানেল এবং যোগাযোগ অ্যান্টেনাগুলো বিকশিত হবে ফুলের পাপড়ির মতো। আর ঠিক তখন থেকেই মহাশূন্যে এটির ১৫ বছরের আয়ুর ঘড়ি টিকটিক করে সময় গুনতে শুরু করবে।
এই যোগাযোগ উপগ্রহের বাণিজ্যিক সাফল্যের জন্য তাই প্রয়োজন দূরদর্শী বিচক্ষণ পরিকল্পনা। সরকার বঙ্গবন্ধু-১ বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনার জন্য একটি আলাদা কোম্পানি করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি অবশ্যই পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
বাংলাদেশ সি-মি-উই৪ (SEA-ME-WE4) নামে যে সাবমেরিন কেব্লের সঙ্গে প্রথম যুক্ত হয়েছে, সেটি ২০০৫ সালে ডাঙায় পা রেখেছে দক্ষিণ-পূর্বের উপকূলীয় শহর কক্সবাজারে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেব্ল সি-মি-উই৫ (SEA-ME-WE5)-এর সঙ্গে ২০১৬ সালে আমরা সংযুক্ত হব দক্ষিণ-পশ্চিম সাগরপাড়ের কুয়াকাটায়। এই দুটি কেব্ল ল্যান্ডিং স্টেশন একে অন্যের কাছ থেকে ৩০০ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে অবস্থান করবে। সাগর থেকে উঠে আসা এই দুটি অবকাঠামোর ভৌগোলিক দূরবর্তিতা বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযুক্ত থাকার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে। সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি (বিএসসিসিএল) এই কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত।
বঙ্গবন্ধু-১-এর সার্বিক কর্মকাণ্ড এই বিএসসিসিএলের নিয়মিত কর্মকাণ্ডেরই অংশ। কেননা, সাবমেরিন কেব্ল আর উপগ্রহের কারবার একই পণ্য নিয়ে, আর তা হলো কানেকটিভিটি। সি-মি-উই৪-এর প্রতি সেকেন্ডে ২০০ গিগাবিট (জিবিপিএস) কানেকটিভিটির পেছনে ৩ কোটি ৫২ লাখ ডলারের বিনিয়োগ বিএসসিসিএল তুলে এনেছিল সেই ২০০৮ সালেই। সি-মি-উই৫-এর ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ক্যাপাসিটির পেছনে ঢালতে হচ্ছে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। ২০১৬ সালেই আমরা এটা পেয়ে যাব। এর বাইরে ছয়টি বেসরকারি ক্যারিয়ার এ দেশে বিএসসিসিএলের চেয়ে তিন গুণ বেশি আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইট্থ যুক্ত করছে।সে ক্ষেত্রে আরেকটি পৃথক প্রতিষ্ঠান সাফল্যের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে না। বিএসসিসিএলের পণ্য তালিকার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু-১-এর ৩০ কোটি ডলার মূল্যের ১২ জিবিপিএস ব্যান্ডউইট্থ একত্রীভূত করাটাই সমীচীন। সবচেয়ে বড় কথা, লাভের মুখ দেখতে হলে বঙ্গবন্ধু-১-এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিএসসিসিএলকে বেশ কয়েকটি অনুষঙ্গ যুক্ত করতে হবে।
বঙ্গবন্ধু-১-এর আওতাধীন ভৌগোলিক পরিসরে আমরা বেশ কিছু খাতের পরিচালনা সমন্বিত করতে সক্ষম হব। যেমন: সীমান্ত নিরাপত্তা চৌকি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকগুলোর শাখা অফিস, দেশজুড়ে পণ্য পরিবহনের আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলো, গহিন জঙ্গল, দুর্গম পাহাড়িয়া এলাকা অথবা দ্বীপাঞ্চলের স্থাপনাগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে যুক্ত হবে মূল টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে। সে ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের অনেক আগেই ভূমিতে এসব কানেকটিভিটি প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় থাকতে হবে। অতএব, বাংলাদেশে স্যাটেলাইট-বিরোধী প্রচলিত নীতিমালাগুলো এখনই সংশোধন করতে হবে।
স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ এখনো বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি কারিগরি বিষয়। বঙ্গবন্ধু-১ যদি উৎক্ষেপণের কালে বিস্ফোরণের শিকার হয়, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হয়তো ক্ষতি পুষিয়ে নেবে বিমা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় মহাকাশ অভিযানের সুযোগও থাকবে। কিন্তু বাণিজ্যিক পরিচালনার ক্ষেত্রে ভুল করলে জনগণের জোগান দেওয়া ৩০ কোটি ডলারের স্যাটেলাইট উদ্যোগের ক্ষতি পোষানোর আর কোনো উপায় থাকবে না।
আবু সাইদ খান: সিনিয়র পলিসি ফেলো, লার্নএশিয়া

মহাকাশে নিজেদের উপগ্রহ

জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি পদার্থবিজ্ঞানী জাহিদ হাসান এক চাঞ্চল্যকর আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। তাঁর নেতৃত্বে একদল গবেষক পরীক্ষাগারে খুঁজে পেয়েছেন ভাইল ফার্মিয়ন নামে এমন এক কণা, ৮৫ বছর ধরে যেটার অনুসন্ধান চলছিল।
ওই মাসের বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ এই কণার পরীক্ষামূলক প্রমাণের বিষয়টি বিস্তারিত ছাপা হয়।
ভাইল ফার্মিয়নের অস্তিত্ব প্রমাণের মাধ্যমে দ্রুতগতির এবং অধিকতর দক্ষ নতুন যুগের ইলেকট্রনিকসের সূচনা হবে। এর বরাতে এখনকার মুঠোফোন, কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক সামগ্রীর গতি বাড়বে, হবে শক্তিসাশ্রয়ী। 
ভাইল ফার্মিয়ন কণার ভর নেই বলে এটি ইলেকট্রনের মতো পথ চলতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে না। ফলে একে কাজে লাগিয়ে তৈরি নতুন প্রযুক্তির মুঠোফোন ব্যবহারের সময় সহজে গরম হবে না। অবশ্য জাহিদ হাসানের ধারণা, নতুন যুগের সেই ইলেকট্রনিকসের জন্য হয়তো আরও ১০ থেকে ২০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। 
১৯২৯ সালে হারম্যান ভাইল এই কণার অস্তিত্বের কথা প্রথম জানিয়েছিলেন। তাঁরই পরীক্ষামূলক প্রমাণ হাজির করেছেন জাহিদ হাসান। মোট তিন ধরনের ফার্মিয়ন কণার মধ্যে ডিরাক ও মায়োরানা নামের বাকি দুই উপদলের ফার্মিয়ন বেশ আগেই আবিষ্কৃত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা ভেবেছেন, নিউট্রিনোই সম্ভবত ভাইল ফার্মিয়ন। কিন্তু ১৯৯৮ সালে নিউট্রিনোর ভরের ব্যাপারটা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে আবার ভাইল ফার্মিয়নের খোঁজ শুরু হয়। 
জাহিদ হাসান ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান করে নেন। এরপর তিনি পড়েন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন শিক্ষক হিসেবে। 

বাঙালি বিজ্ঞানীর মহা আবিষ্কার