Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-ion 3300 mAh (Non-removable)
Talk-time: up to 17 hours
Body & Weight 151.5 x 74.1 x 7.3 millimeter, 172 grams
Camera Factors (Back) LED flash, f/1.9, 28mm, autofocus, Optical Image Stabilization (OIS), auto face recognition, panorama mode, HDR
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel, f/1.9, 24mm, Full HD video (1080p)
Chipset Exynos 7580 Octa
Colors Available Black, White, Gold, Pink
Display Size & Resolution 5.5 inches, Full HD 1080 x 1920 pixels (401 ppi)
Display Type Super AMOLED Touchscreen with Corning Gorilla Glass 4 protection
Graphic Processing Unit (GPU) Mali-T720 MP2
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB (uses SIM 2 slot)
Operating System Android Lollipop v5.1.1
Processor Octa-core, 1.6 GHz

RAM 3 GB
ROM 16 GB
Release Date December 2015
Sensors Accelerometer, proximity, compass, fingerprint
SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video Full HD, 1080p
Wireless LAN Yes, Wi-Fi hotspot
Special Features - Corning Gorilla Glass 4 back panel, Samsung Pay, fingerprint sensor, fast battery charging
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, HTML5, NFC

Samsung Galaxy A7 2016Price in Bangladesh: 44,900 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2900 mAh (Non-removable)
Talk-time: up to 16 hours
Body & Weight 144.8 x 71 x 7.3 millimeter, 155 grams

Camera Factors (Back) LED flash, f/1.9, 28mm, autofocus, Optical Image Stabilization (OIS), auto face recognition, panorama mode, HDR
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel, f/1.9, 24mm, Full HD video (1080p)
Chipset Exynos 7580 Octa
Colors Available Black, White, Gold, Pink
Display Size & Resolution 5.2 inches, Full HD 1080 x 1920 pixels (424 ppi)
Display Type Super AMOLED Touchscreen with Corning Gorilla Glass 4 protection
Graphic Processing Unit (GPU) Mali-T720 MP2
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB (uses SIM 2 slot)
Operating System Android Lollipop v5.1.1
Processor Octa-core, 1.6 GHz
RAM 2 GB
ROM 16 GB
Release Date December 2015
Sensors Accelerometer, proximity, compass, fingerprint
SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video Full HD, 1080p
Wireless LAN Yes, Wi-Fi hotspot
Special Features - Corning Gorilla Glass 4 back panel, Samsung Pay, fingerprint sensor, fast battery charging
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, HTML5, NFC

Samsung Galaxy A5 2016Price in Bangladesh: 39,900 Tk


আমি আগে Libon নামে একটা সফটওয়্যার শেয়ার করেছিলাম । আজ তেমনি আরেকটা শেয়ার করছি ।

তো আসুন একটা জিনিস শেয়ার করছি মানে একটা অ্যাপস।

এই অ্যাপস দিয়ে আপনি বিদেশে কথা বলতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রিতে।

প্রতি মাসে ব্যবহার করতে পারবেন এটি আপনি তাও ফ্রিতে।


কীভাবে:-

অ্যাপসটির নাম হলো DINGALING. প্লে ষ্টোরেই ফ্রী’তে পাবেন অ্যাপসটি।




এটি দিয়ে আপনি খুব সম্ভব মাসে দেড় ঘন্টাকথা বলতে পারবেন তবে একবারে কোন মোবাইলেই ১০ মিনিটের বেশী কথা বলা যাবে না।

এভাবে টোটাল দেশী/বিদেশী ল্যান্ড লাইন কিংবা মোবাইলে কথা বলতে পারবেন।
আপনার লিমিট শেষ হয়ে গেলে পরের মাসে আবার মিনিট পাওয়ার কথা।

বেশী মিনিটের দরকার হলে ২/৩টা একাউন্ট খুলতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে ২/৩ টা মোবাইল নাম্বার লাগবে।

কথা বলুন দেশ বিদেশে একদম ফ্রী, কোনো টাকার প্রয়োজন নেই


Call recorder অ্যাপটি এখনকার দিনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মত। এমন কোন স্মার্টফোন ব্যাবহারকারী নেই যে এটি ব্যাবহার করে না। বাজারে প্রচলিত কল রেকর্ডার অ্যাপ থেকে একটু ভিন্ন ধারায় বানানো এই অ্যাপটি সবার পছন্দ হবে আশা করি। বিশেষ করে এর নয়েজ রিডাকশনিং সিস্টেম উন্নত মানের আডিও রেকর্ডিং নিশ্চিত করবে।

এক নজরে দেখে নিন অ্যাপের গুরুত্বপুর্ন ফিচারসমুহঃ


Record call automatically with clear voice quality
Noise reduction of recorded audio
Notify user after record a call
Backup recorded audio file to SD card
Share recorded audio file with others
Simple and easy to use
দেখে নেই কিছু স্ক্রিনশটঃ




অ্যাপ লিঙ্কঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.codelab.callrecorder

কিছু কথাঃ

অবশ্যই রেটিং ও রিভিউ দিয়ে আমাদেরকে সহায়তা করবেন আশা রাখি। অ্যাপের কোন ফিচার যদি আপনার ভালো না লাগে অথবা আপনার যদি কোন সাজেশন থাকে এই অ্যাপ সম্পর্কে তাহলে আমাদেরকে জানাবেন, আমরা সেটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবো।
এরকম আরো নতুন নতুন ফিচারের অ্যাপ পেতে, অ্যান্ড্রয়েড দুনিয়ার সব আপডেট জানতে এবং অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কিত যে কোন সমস্যার সহজ সমাধানে ফেসবুকে আপনি আমাদেরকে সাথে পাবেন সবসময়।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য ডাউনলোড করে নিন চমৎকার একটি Call Recorder অ্যাপ


বিভিন্ন সময়ে হ্যাকাররা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আক্রমণ করে এবং সেখান থেকে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়। কখনও কখনও আবার চুরি করা এসব তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করে দেয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অবশ্য এমনটি ঘটে না। কিন্তু কথা হল ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন চুরি করা তথ্য দিয়ে হ্যাকাররা আসলে কি করে?

এক কথায় বললে, হ্যাকাররা এই তথ্যগুলো বেচে দেয় সাইবার ক্রিমিনালদের কালোবাজারে। এ বছরের শুরুতে প্রকাশিত আমেরিকান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘র‍্যান্ড’ কর্পোরেশনের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, হ্যাকারদের বাজারটি খুবই সূক্ষ্মভাবে সাজানো। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে হ্যাকার মার্কেটে ব্যবসা অবৈধ মাদক ব্যবসার থেকেও বেশী লাভজনক। হ্যাকাররা তাদের চুরি করা ডাটাগুলো অবৈধ কেনাবেচার সাইটে মোটা টাকায় বেচে দেয়। আর এখানেই তাদের কাজ শেষ।



শুধু ক্রেডিট কার্ড এর তথ্য চুরি বা অন্যের পরিচয় হ্যাক করে কোন কিছু বাগিয়ে নেওয়ার দিন আসলে শেষ। আপনার অনলাইনে পোস্ট করা ছবি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে টাকা কামানোর পদ্ধতিও হ্যাকাররা বের করে ফেলেছে। হ্যাকাররা ‘লিঙ্কড ইন’ আর ‘ই-হারমনি’ থেকে অনেক অনেক পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে, যেটা তাদের 'রেইনবো টেবিল' হালনাগাদ করতে সাহায্য করে। এই টেবিলগুলো হল বিশাল এক তথ্য সম্ভার, যেটা হ্যাকারদের বিভিন্ন পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য ডিজিটাল চাবির মত কাজ করে। র‍্যান্ড এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ড চুরি করা থেকে এখন একটা টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশি লাভজনক।

আমাদের মেডিক্যাল রিপোর্টগুলোও আজকাল নিরাপদ না। রয়টার্স কে দেয়া সাক্ষাতকারে 'ফিশ ল্যাব'-এর থ্রেট ইন্টেলিজেন্স বিভাগের পরিচালক ডন জ্যাকসন জানান, তিনি হ্যাকার এক্সচেঞ্জগুলোতে নজরদারি করে দেখতে পেয়েছেন যে সাইবার অপরাধীরা যেকোন ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করা থেকে, যে কারো মেডিক্যাল রিপোর্ট চুরি করে প্রায় দশগুণ বেশি টাকা আয় করছে। নাম, জন্মতারিখ, পলিসি নাম্বার সংগ্রহ করে হ্যাকাররা ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন মেডিকেল সামগ্রী ক্রয় করে, এরপর আবার বিক্রি করে লাভবান হয়। এছাড়া অন্যের তথ্য ব্যবহার করে ইনস্যুরেন্সের টাকাও দাবি করে থাকে।

র‍্যান্ডের প্রতিবেদন থেকে আরও দেখা যায়, হ্যাকারদের এ কালোবাজার পণ্যের দিক দিয়ে দিন দিন আরও বৈচিত্র্যপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিভিন্ন ধরনের তথ্যের পসরা সাজিয়ে বসছে তারা প্রতিদিন।

হ্যাকারদের এ বাজারটি বিস্ময়করভাবে প্রতিযোগিতামূলক আর সন্দেহাতীতভাবে লাভজনক। র‍্যান্ডের ধারনা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর বিস্ফোরণ আর মুঠোফোন ডিভাইসগুলো শুধু গুগল আর ইউটিউবে চুরি, আর কেনা-বেচার সাহায্যমূলক তথ্যের চাহিদাই বাড়াবে।

তথ্য চুরি করে কী করে হ্যাকাররা?


ওটিজি বৃত্তান্ত লিখেছিলাম কিছুদিন আগে, আপনাদের ভালোই সাড়া পেলাম। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, ওটিজি খুব সাধারণ বিষয় দেখে মনস্থির করতে পারছিলাম না যে বিষয়টি নিয়ে লেখা উচিৎ হবে কি না। তবে আপনাদের সাড়া পেয়ে বুঝলাম সাধারণ বিষয়গুলো অনেকেই জানেন তবে বিষয়গুলো সম্পর্কিত বিস্তারিত জানেন না। তাই আজকে, ওটিজি বৃত্তান্তের পর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে একটু বিস্তারিত আলোচনা করতে এলাম। আজকের টপিকটি হচ্ছে 'ফ্যাক্টরি রিসেট'। আজকে আমরা 'ফ্যাক্টরি রিসেট' কি, কীভাবে করে - এই বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করবো। প্রথমে চলুন জেনে নেই, 'ফ্যাক্টরি রিসেট' কি।





ফ্যাক্টরি রিসেট
ফ্যাক্টরি রিসেটকে অনেকে মাস্টার রিসেটও বলে থাকেন। এটি একটি প্রক্রিয়ার নাম যার মাধ্যমে একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের মূল অরিজিনাল সিস্টেমটি থেকে পরবর্তী সময়ে ব্যবহারকারীর মাধ্যমে যে ডাটাগুলো যোগ হয়েছে সেগুলো মুছে সিস্টেমটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। সহজ ভাবে বললে, ফ্যাক্টোরি রিসেট করলে আপনি প্রথম দিন স্মার্টফোনটি কিনে এনে অন করার পর যে অবস্থাটিতে পেয়েছিলেন আপনার ডিভাইস সেই অবস্থাতেই ফিরে যাবে আপনার ডিভাইসটি।

আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন 'ফ্যাক্টরি রিসেট' সম্পর্কে। এবার চলুন, কীভাবে ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় শিখে নেই।

শুরু করার পূর্বে
মনে রাখবেন, ফ্যাক্টরি রিসেট করার পূর্ব আপনার গুরুত্বপূর্ণ সকল তথ্য বা ডাটা ব্যাক-আপ নিয়ে রাখবেন। কেননা, এটি স্মার্টফোনের ইন্টার্নাল স্টোরেজের পুরোটাই মুছে ফেলে ফ্যাক্টরি রিসেটের এই প্রক্রিয়া। তবে হ্যাঁ, এক্সটার্নাল এসডি কার্ডে থাকা তথ্যগুলো থেকে যাবে তাই আপনি চাইলে এসডি কার্ডে থাকা তথ্যগুলো রেখেও দিতে পারেন। তবে, সাবধানতার খাতিরে হয় সকল তথ্য ব্যাক-আপ করে রাখুন, নতুবা ফ্যাক্টরি রিসেটের পূর্বে মেমরি কার্ডটি খুলে রেখে দিন।

চলুন, এবার তাহলে শুরু করা যাক...।



সফটওয়্যারের মাধ্যমে
ফ্যাক্টরি রিসেট মূলত দুই ভাবে দেয়া যায়। একটি হচ্ছে, 'সফটওয়্যারের মাধ্যমে' এবং অন্যটি 'হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে'। প্রথমে আমরা সফটওয়্যারের মাধ্যমে কীভাবে দিতে হয় তাই জানবো।

সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফ্যাক্টরি রিসেট দেয়াটা তুলনামূলক ভাবে সহজ। এর জন্য আপনাকে যেতে হবে Settings > Backup and Reset > Factory Data Reset অপশনটিতে। প্রায় সকল অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে এভাবেই ফ্যাক্টরি রিসেট করা যাবে।



ফ্যাক্টরি রিসেট সিলেক্ট করার পর আপনাকে আপনার পাসওয়ার্ড (যদি থাকে) প্রদানের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করতে হবে। পাসওয়ার্ড দেয়ার পর আপনার স্মার্টফোনটি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে সমগ্র প্রসেস শেষ করে আবার চালু হয়ে যাবে। কিছুক্ষণ সময় লাগবে এই পুরো প্রসেসটি সম্পন্ন হতে।



হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে





ফিজিক্যাল বাটনের মাধ্যমে ফ্যাক্টরি রিসেট দেয়াকে অনেক সময় হার্ড রিসেটও বলে থাকে। ধরুন, অনেক সময় হয়তো আপনি আপনার স্মার্টফোনটি চালু করতে পারছেন না ফলে সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফ্যাক্টরি রিসেট করতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে হার্ড রিসেটের বিকল্প নেই।

হার্ড রিসেটের জন্য আপনাকে যা করতে হবে, স্মার্টফোনটি বন্ধ থাকা অবস্থায় প্রথমে ভল্যিউম ডাউন এবং পাওয়ার কী ২-৩ সেকেন্ডের জন্য একসাথে প্রেস করে ধরে রাখুন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ডিভাইসের বুট মেন্যু দেখতে পাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত ধরে রাখুন। বুট মেন্যু দেখতে পেলে সেখান থেকে 'Recovery' অপশন খুঁজে বের করে সিলেক্ট করুন। আপনি একটি লোগো দেখতে পাবেন। এবার, ভলিউম আপ কী ১০ সেকেন্ডের জন্য ধরে রাখুন এবং এরপর খুব দ্রুত পাওয়ার বাটন একবার প্রেস করে রিলিজ করে দিন। সব কিছু ঠিক থাকলে নতুন একটি মেন্যু দেখতে পাবেন (Recovery Menu) যেখানে Factory Reset বা Factory Hard Reset অপশনটি দেখতে পাবেন। এরপর ফ্যাক্টোরি রিসেট হতে থাকবে এবং এতে কিছুটা সময় লাগবে। অপেক্ষা করুন। ব্যাস হয়ে গেল।

ফ্যাক্টরি রিসেট বৃত্তান্ত


সবচেয়ে কাস্টমাইজেবল ওএসগুলোর মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড অন্যতম। আপনি হয়ত ভাবতে পারেন আপনার ডিভাইস রুট করার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি রুট করার সুবিধাগুলো জেনে অবাক হয়ে যাবেন। চলুন জেনে নিই, রুট করার কয়েকটি সুবিধা।

১. হিডেন ফিচার আনলক করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যান্ড্রয়েডের কিছু হিডেন ফিচার আনলক করতে পারেন। মাঝে মাঝে আপনার পছন্দের ফিচারগুলো আপনার ডিভাইসে থাকে না। রুট করার পর বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে পছন্দের ফিচার যোগ করতে পারেন। যেমন - এক্সপোসড্ ইন্সটলার।

২. ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করুন

রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন। বিভিন্ন অ্যাপ যেমন - সেটসিপিইউ (setcpu)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu ওভারক্লক করে আপনার ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করতে পারেন।

৩. ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করুন
রুট করার আরেকটি সুবিধা হলো আপনি ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করতে পারবেন। সেটসিপিইউ (setcpu) অ্যাপটি দিয়ে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu ডাউনক্লকও করতে পারেন। এতে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট হবে।

৪. অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক করতে পারেন। বিভিন্ন অ্যাপ যেমন - AdFree, Adblock Plus, Ad Away - এসব অ্যাপ আপনার ডিভাইসের অ্যাপগুলির অ্যাড ব্লক করে দিবে।

৫. ব্যাকআপ করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন। রুট ছাড়াও আপনি কিছু অ্যাপের ব্যাকআপ নিতে পারবেন। তবে রুট থাকলে আপনি পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অ্যাপের সাহায্য নিতে হবে। যেমন - Titanium Backup

৬. প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে ফেলুন
রুট করলে আপনি প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে ফেলতে পারেন। Titanium Backup অ্যাপটি দিয়ে ব্যাকআপ করানো ছাড়াও অ্যাপটি দিয়ে আপনার ডিভাইসের প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপগুলি মুছে ফেলতে পারেন।

৭. কাস্টম রম ইন্সটল করুন
রুট করার পর আপনি আপনার ডিভাইসে অন্য কোনো রম(যেমন - CyanogenMod, Replicant ইত্যাদি) ইন্সটল করতে পারেন। এতে আপনার ডিভাইসে নতুন ফিচার যুক্ত হবে।

জেনে নিন এনড্রয়েড ডিভাইস রুট করার ৭টি সুবিধা


আমি অনেক অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের তাদের স্মার্টফোনে বিভিন্ন রকম অ্যান্টিভাইরাস বা অ্যান্টিম্যালওয়্যার প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে দেখেছি। অনেকে আবার একটি স্মার্টফোনেই একের অধিক অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন, কেন তা অবশ্য আমার জানা নেই। হয়ত নিরাপত্তার বিষয়ে সেই ব্যবহারকারীরা কিছুটা বেশিই সচেতন। যারা ব্যবহার করেন তারাতো করেনই, যারা করেন না তাদের একটা বড় অংশই বলা চলে বেশ সংশয়ের মধ্যে থাকেন। কেননা যারা সাধারণ ব্যবহারকারীরা আছেন এবং যারা প্রযুক্তি সম্পর্কে কিছুটা কম জানেন তারা সতর্কতাও যেমন চান তেমন আদৌ দরকার আছে কিনা সেই বিষয়টি নিয়েও দোটানায় থাকেন। তাই আজকের এই লেখাটি লিখতে বসা। আশা করছি অনেকেই তাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এই লেখাটিতে। তাহলে চলুন, ভূমিকা ছেড়ে এখন মূল বিষয় শুরু করা যাক। আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয়, 'অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অ্যান্টিভাইরাস বা অ্যান্টিম্যালওয়্যার প্রোগ্রাম কতটা প্রয়োজনীয়?'


অ্যান্ড্রয়েডের ভাইরাস মূলত কী?
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সমৃদ্ধ ডিভাইসগুলোতে আদৌ অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের প্রয়োজন আছে কিনা জানার আগে প্রথমে আমাদের জানা উচিৎ এই অ্যান্ড্রয়েডের ভাইরাসগুলো সম্পর্কে। এরও আগে আমাদের জানা উচিৎ, ভাইরাস সম্পর্কে।

একটি ভাইরাস হচ্ছে এমন একটি ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার প্রোগ্রাম যা আমাদের কম্পিউটার বা অন্যন্য ডিভাইসগুলোতে ডিভাইসগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে চেষ্টা করে। বিভিন্ন ধরণের ভাইরাসের মূলত বিভিন্ন কাজ থেকে থাকে। যেমন কিছু ভাইরাস ব্যবহার করা হয়ে থাকে অন্যের তথ্য হাতিয়ে নেয়ার জন্য বা অন্যের একটি ডিভাইস নষ্ট বা ম্যালফাংশন করানোর জন্য। যেহেতু বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মটি বহুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং বেশিরভাগ মানুষ এই অপারেটিং সিস্টেম সমৃদ্ধ ডিভাইস ব্যবহার করছে তাই ধীরে ধীরে এই প্লাটফর্মটিও পড়ছে হুমকির মুখে।

বর্তমানে মাঝে মাঝেই প্রযুক্তি সম্পর্কিত পত্রিকার পাতায় বা টেক সাইটগুলোতে আমরা অ্যান্ড্রয়েডের মারাত্নক সব ম্যালওয়্যার এর খবর পাচ্ছি এবং এই খবরগুলো থেকে একটি বিষয় বেশ স্পষ্টই বোঝা যায় এবং তা হচ্ছে এই ম্যালওয়্যারগুলো ধীরে ধীরে হচ্ছে আরও শক্তিশালী।শক্তিশালী।


অ্যান্ড্রয়েডের ম্যালওয়্যারগুলো কীভাবে ডিভাইসে প্রবেশ করে
এই ম্যালওয়্যারগুলোর মূল লক্ষ্য মূলত গুগল প্লে স্টোর কেননা প্রায় সকল ব্যবহারকারীই এই মাধ্যম ব্যবহার করে তাদের স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরণের অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করে থাকে। তবে গুগল প্লে স্টোরে রয়েছে কয়েক ধাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা ভেদ করে ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপলিকেশন গুগল প্লে স্টোরে আসতে পারেনা, তবুও এসব নিরাপত্তা ধাপগুলো টপকেও কিছু কিছু ক্ষতিকর অ্যাপলিকেশন হয়ত ঠিকই ঢুকে বসে আছে গুগল প্লে স্টোরে, তবে এরকমটি হলেও তা সংখ্যায় এখনও বেশ নগণ্য।

গুগল প্লে স্টোর ছাড়াই মূলত এই ক্ষতিকর অ্যাপলিকেশনগুলো আমাদের ডিভাইসে আমরা ইন্সটল করে থাকি যেমন থার্ড পার্টি অ্যাপ স্টোরগুলো। এছাড়াও, ইমেইলের অ্যাটাচমেন্ট এমনকি এমএমএস এর মাধ্যমেও এই ম্যালওয়্যারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার স্মার্টফোনে প্রবেশ করতে সক্ষম। এছাড়া ফেক অ্যাপলিকেশন, ফিশিং স্ক্যামস এবং বিভিন্ন ধরণের এপিকেতো রয়েছেই।





কেমন ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন?
প্রথমেই বলেছি, বিভিন্ন ধরণের ম্যালওয়্যার বিভিন্ন রকম কাজ করে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে এটি শুধুমাত্র আপনার স্মার্টফোনে বিভিন্ন অ্যাড পপ-আপ করতে পারে যা কিছুটা বিরক্তিকর হলেও ক্ষতিকর নয়। অন্য ম্যালওয়্যারগুলো হয়ত আপনার ক্রেডিট কার্ডের ডিটেইল হাতিয়ে নিতে পারে অথবা আপনার ডিভাইসের অন্যান্য অ্যাপলিকেশনগুলোকে ইমিটেট করতে পারে। কিছু কিছু ম্যালওয়্যার এমনও আছে যা কিছুক্ষণ পর পর আপনার স্মার্টফোন থেকে একটি করে টেক্সট মেসেজ বা এমএমএস প্রেরণ করে যা হয়ত আপনার একেবারে ক্ষতি করবেনা তবে আপনি খেয়াল না করলে এভাবেই আপনার ক্ষতি করতেই থাকবে যা একসময় হয়ত একটি বিশাল অংকে পরিণত হবে।



কীভাবে জানবেন আপনার ডিভাইস অ্যাফেক্টেড কি না? 
মজার বিষয় হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনার স্মার্টফোনটি কোন প্রকার ম্যালওয়্যার দিয়ে অ্যাফেক্টেড হয়েছে কি না। তবে হ্যাঁ, আপনি যদি আপনার ক্রেডিট কার্ড আপনার স্মার্টফোনের সাথে যুক্ত করেন এবং অহেতুক আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রেডিট খরচ হতে থাকে তবে আপনার সতর্ক হওয়া উচিৎ। ভাবছেন, এ আবার কেমন কথা?! আমার স্মার্টফোন ভালো আছে কিনা আমি তাও জানব না? হ্যাঁ! তাই। কেননা, একজন হ্যাকার নিশ্চয়ই এতটা বোকা নয় যে আপনাকে জানিয়েই আপনার ক্ষতি করবে। 

এমনকি আপনি এবিষয়ে একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইন্সটল করে সেটার সাহায্যে স্ক্যান করেও খুব একটা ভালো ফলাফল পাবেন না। তবে স্বস্তির কথা হচ্ছে, বড় বড় ক্ষতিকর ম্যালওয়ারগুলোর প্যাচও দ্রুতই বের হয় এবং আপনার স্মার্টফোনটি যদি রেগুলার ওটিএ বা এফওটিএ পেয়ে থাকে তবে ম্যালওয়্যার থেকে মুক্ত থাকবে। 
অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশনগুলো মূলত কী?

আপনার স্মার্টফোনে অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর কিছু স্ক্যান করে ডিটেক্ট এবং মুছে ফেলতে যে প্রোগ্রামটি সাহায্য করে থাকে তাই অ্যাটিভাইরাস প্রোগ্রাম। আপনি গুগল স্টোরে খুঁজলেই হয়ত একশরও বেশি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম পাবেন। 

কম্পিউটারে যেমন একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে ঠিক একই ভাবে অ্যান্ড্রয়েডেও একটি অ্যান্টিভাইরাস একই অপারেশন করে থাকে। তবে কম্পিউটারের অ্যান্টিভাইরাসের মত স্মার্টফোনের অ্যান্টিভাইরাসগুলো হার্মফুল বিহেভিয়র ডিটেক্ট করার পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলেনা। এই কাজটি আপনাকে করতে হবে ম্যানুয়ালি বা নিজে থেকেই।  
অ্যান্টিভাইরাসের খরচ কেমন?
এটা নির্ভর করে ফিচারের উপর মূলত। প্রতিটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামেরই মূলত দুটি ভ্যারিয়েন্ট থাকে - পেইড এবং ফ্রি। ফ্রি ভার্সনে যে ফিচারগুলো থাকে মূলত সেগুলো দিয়েই কাজ হয়ে যায় কেননা পেইড ভার্সনগুলোতেও কোর ফিচারগুলো সেই একই থাকে শুধুমাত্র তার সাথে যুক্ত হয় কিছু বাড়তি ফিচার, যেমন - রিমোট লক এবং ওয়াইপ, ব্যাক-আপ অপশন, অ্যাড ব্লকিং এবং ইত্যাদি। 

সিকিউরিটি অ্যাপ ইন্সটল করবেন না করবেন না?
সংক্ষেপে -'দরকার নেই!' কেননা, বেশিরভাগ অ্যাপলিকেশনই কাজ করে থাকে ম্যালওয়্যার দ্বারা আপনার স্মার্টফোনটি ইনফেক্টেড হবার পর আর তখন কিছু ক্ষতিও আপনার হয়ে যেতে পারে। তাই, সিকিউরিটি অ্যাপলিকেশনের উপর নির্ভর না করে আপনি আপনার কমন সেন্সকে কাজে লাগান। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে আপনি নিজেই ৯৯ শতাংশ ম্যালওয়্যার থেকে বাঁচতে পারবেন, যেমন - 

গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলো/ইন্সটল করুন।
যহেতু গুগল প্লে স্টোরেও ম্যালিসিয়াস অ্যাপলিকেশন আছে সেক্ষেত্রে রিভিউ দেখুন।
একটি অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করার সময় এগুলো কি কি অ্যাপ পারমিশন চাচ্ছে খেয়াল করুন, যদি প্রয়োজনের তুলনায় বেশিই অ্যাপ পারমিশন চেয়ে থাকে তবে হতে পারে এটি একটি ক্ষতিকর অ্যাপলিকেশন। 
থার্ড-পার্টি অ্যাপ স্টোর ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
নিয়মিত আপনার স্মার্টফোনটি আপডেট করুন। 
ব্যাস, সামান্য এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে এমনিতেই আপনি থাকবেন সুরক্ষিত। তাই বাড়তি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করে শুধু শুধু স্মার্টফোনে জঞ্জাল ভরার দরকার কি? তবে এরপরও যদি আপনার সংশয় থেকে থাকে তবে বলব করে রাখুন একটি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশন ইন্সটল, না হলে পরবর্তিতে আমাকে দোষারোপ করতে পারেন! 

শেষ কথা - চিরন্তন একটি সত্যি হচ্ছে, হ্যাকার বা চোররা তাদের সাধ্যমত আপনার নিরাপত্তা ভাংগতে চেষ্টা করবে, হয়ত কিছুটা দ্রুত বা দেরীতে তবে তারা তাদের রাস্তা খুঁজে বের করবেই। তাই পরবর্তিতে সুরক্ষার চিন্তায় না থেকে আমার মতে এখন থেকেই সতর্ক থাকা ভালো, নয় কি? 

অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অ্যান্টিভাইরাস কতটা প্রয়োজনীয়?


র্তমানে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহারকারী। আর স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জীবনে একবার হলেও এমন হয়েছে যে তারা ভুলে প্রয়োজনীয় ছবি বা ডকুমেন্টস মুছে ফেলেছেন। আমারও এমন হয়েছে। তবে খুব বেশি সমস্যায় পড়িনি কেননা এরকম ভুলে ফাইল মুছে দিলে সেগুলো রিকভার করার জন্য রয়েছে সহজ কিছু পদ্ধতি। আর এমনই একটি পদ্ধতি আমি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। আর সবচাইতে মজার বিষয় হচ্ছে আজকে আমি রুট এবং নন-রুট উভয় ফোনের জন্যেই ডাটা রিকভারের পদ্ধতি শেয়ার করব।


মনে রাখবেন দুটি পদ্ধতিতেই, যখনই আপনি ভুলে কোন ডাটা আপনার স্মার্টফোন থেকে মুছে ফেলবেন এরপর আর কোন প্রকার ডাটা ডাউনলোড বা রিমুভ করবেন না, সম্ভব হলে আপনার স্মার্টফোনটি অফ করে রাখবেন আর অফ না করে রাখলেও ফোনের ওয়াই-ফাই এবং থ্রিজি/ফোরজি সংযোগ বন্ধ করে রাখবেন যেন ইন্টারনেটে থেকে কোন ফাইল ডাউনলোড না হয়। এবার চলুন, শুরু করা যাক।

নন-রুটেড ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডাটা রিকভারি করার পদ্ধতি
প্রথমে আপনি আপনার ফটো অ্যাপের ট্র্যাশ ডিরেক্টরিতে দেখতে পারেন কেননা গ্যালারি থেকে মুছে যাবার পর কিছু ক্ষেত্রে সিস্টেম রিফ্রেশ না হওয়া পর্যন্ত তা ট্র্যাশে জমা থাকে। যাই হোক, এই পদ্ধতির জন্য আমাদের দরকার হবে -

ডাটা ক্যাবল / মেমরি কার্ড রিডার
কম্পিউটার
কম্পিউটারের জন্য ডাটা রিকভারি সফটওয়্যার
আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে আপনি আপনার স্মার্টফোনটিকে কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করলে আপনার কম্পিউটারে স্মার্টফোনের স্টোরেজকে মিডিয়া স্টোরেজ হিসেবে প্রদর্শন করে। তবে, অনেক ব্যবহারকারীই বলেছেন যে আইস-ক্রিম স্যান্ডউইচের ক্ষত্রে এই প্রক্রিয়াটি কাজ করেনা, তাই আপনি চাইলে ডাটা ক্যাবলের পরিবর্তে মেমরি কার্ডটি একটি মেমরি কার্ড রিডারের মাধ্যমেও কম্পিউটারে যুক্ত করতে পারেন।

এরপর আপনার কম্পিউটারে একটি ডাটা রিকভারি সফটওয়্যার ইনস্টল করুন। এই টিউটোরিয়ালের ক্ষেত্রে আমি ( Recuva ) ব্যবহার করছি। আপনি চাইলে অন্য যে কোন রিকভারী টুল ব্যবহার করতে পারেন। তবে, ফ্রি টুল হিসেবে রেকুভা চমৎকার কাজ করে।

আপনার মেমরি কার্ডটি কম্পিউটারে ইনসার্ট করার পর এবং রিকভার সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে ইনস্টল করা হয়ে গেলে আপনি রেকুভা থেকে মেমরি কার্ডটিকে লোকেট করে ডাটা রিকভার শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে, রেকুভা ডাটা টাইপ নির্ধারন করে দেয়ার সুবিধা দেয় এবং আপনি চাইলে পুরো মেমরি কার্ড থেকে রিকভারি না করে স্পেসিফিক ফোল্ডার থেকেও রিকভারি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, রেকুভা ঠিক সেই লোকেশনগুলোই প্রদর্শন করবে যেখান থেকে সে রিকভারি করতে সক্ষম হবে।




নোট: রেকুভা দিয়ে ডাটা রিকভারি করার ক্ষেত্রে আপনার মেমরি কার্ডকে অবশ্যই Fat32অথবা NTFS ফরম্যাটের হতে হবে। যদি কোন ভাবে আপনার মেমরি কার্ডের ফরম্যাট রেকুভা নির্ধারন করতে না পারে তবে প্রথমে মেমরি কার্ড থেকে সব কিছু কপি করে একটি ফোল্ডারে রেখে, মেমরি কার্ডটি Fat32 তে কনভার্ট করে এরপর পুনরায় কপি করা তথ্যগুলো মেমরি কার্ডে রাখুন।

যদি আপনার মুছে যাওয়া ডাটা আপনার ডিভাইসের ইন্টার্নাল মেমরি থেকে থাকে তবে আপনার স্মার্টফোনের ইউএসবি ডিবাগিং ফিচারটি অন করে এরপর স্মার্টফোনটি ডাটা ক্যাবলের সাহায্যে স্মার্টফোনে যুক্ত করুন, আশা করি তখন আপনার স্মার্টফোনটির ইন্টার্নাল স্টোরেজ সহজেই রিকভারি টুলগুলো ডিটেক্ট করতে পারবে।

নোট: রিকভারি প্রসেস বেশ সময় সাপেক্ষ হতে পারে।



রুটেড ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডাটা রিকভারি করার পদ্ধতি
রুটেড ডিভাইসের ক্ষেত্রে মুছে ফেলা ডাটা রিকভার করা কিছুটা সহজ। যা করবেন,

স্মার্টফোনে Undelete ইন্সটল করুন।
এরপর আপনার সেই স্টোরেজ ডিভাইসটি সিলেক্ট করে দিন যেখান থেকে আপনি ডাটা রিকভার করতে চান।
সিলেক্টেড স্টোরেজটি স্ক্যান করুন। এই প্রসেসটি সম্পন্ন হতে বেশ কিছুটা সময় লাগতে পারে, প্রসেসটি আপনার মেমরি কার্ডের স্টোরেজের উপর নির্ভর করে থাকে।
স্ক্যান শেষ হবার পর আপনাকে উদ্ধার করা যাবে এমন ডাটাগুলো বিভিন্ন ট্যাব আকারে প্রদর্শন করা হবে, যেমন ধরুন - ফাইল, পিকচার, মিউজিক, ভিডিও, ডাটা।
এরপর আপনি যা রিকভার করতে চান তা সিলেক্ট করলেই অ্যাপলিকেশনটি ফাইলগুলো ডাটা রিকভার করতে শুরু করবে।
আশা করি, আপনার খুব সহজেই হারিয়ে যাওয়া ডাটাগুলো রিকভার করতে পারবেন। যদিও আমি স্পষ্ট করেই সব ব্যাখ্যা করতে চেষ্টা করেছি তবুও কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যে জানাবেন, সাধ্যমত আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। ভালো থাকবেন।


স্মার্টফোন থেকে মুছে ফেলা তথ্য ফিরে পাওয়ার পদ্ধতি (রুটেড ও নন-রুটেড)


স্ক্রিনের আলো কমিয়েছেন, সকল অ্যাপ, অব্যবহৃত অ্যান্টেনা বন্ধ করে দিয়েছেন কিন্তু তবুও আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি চার্জ ধরে রাখতে পারছে না। তাহলে সম্ভবত ব্যাটারিটা পরিবর্তন করার সময় হয়েছে।

একটি ব্যাটারীর চার্জ ধারণক্ষমতা সময় গড়ানোর সাথে সাথে নিঃশেষিত হয়। ব্যাটারির বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার উচ্চ-সহনশীল ল্যাপটপও এক সময় ঘন্টা দুয়েক বাদে বন্ধ হয়ে যায়। ফোন এবং ট্যাবলেটে এ সমস্যা হয়।

আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি পরিবর্তন করা লাগবে কিনা তা খুব সহজেই উইন্ডোজ ব্যাটারি রিপোর্ট দেখে নির্ধারণ করতে পারবেন আপনি। অর্থাৎ, ল্যাপটপে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম  ব্যবহারকারীরা ব্যাটারি রিপোর্ট দেখে এটি বুঝতে পারবেন।

উইন্ডোজে যেভাবে ব্যাটারী রিপোর্ট পাবেন:


১. ল্যাপটপের স্ক্রিনের নিচের বামদিকে ডান মাউস ক্লিক করে ‘কমান্ড প্রম্পট’ সিলেক্ট করতে হবে।

২. কমান্ড প্রম্পটে গিয়ে powercfg /batteryreport টাইপ করে এন্টার বাটন চাপ দিতে হবে। চাপ দেওয়ার পরপরই একটি ফাইল সেভ হচ্ছে বলে আপনাকে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে।

৩. ইউজার ফোল্ডারে গিয়ে ব্যাটারি রিপোর্টে ডাবল ক্লিক করে এটি খুলে পড়তে পারবেন।

ব্যাটারি রিপোর্ট থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে। আপনার ব্যাটারির ধারণ ক্ষমতার ইতিহাস (কিভাবে এটি সময় গড়ানোর সাথে সাথে নিঃশেষ হয়েছে), বিগত তিনটি চার্জ চক্রের বিশ্লেষণ ইত্যাদি জানা যাবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেট্রিক হলো, ডিজাইনের ধারণক্ষমতা বনাম ফুল চার্জ ধারণক্ষমতা।

ডিজাইনের ধারণ ক্ষমতা হলো চার্জ শূণ্য অবস্থায় এটি কতটুকু শক্তি সঞ্চয়ে করতে পারে। আর ফুল চার্জ ধারণা ক্ষমতা হলো ব্যাটারীটি এখন কতটুকু শক্তি ধারণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কারো ল্যাপটপের ডিজাইন ধারণ ক্ষমতা হলো ৪৬,০৩০ ওয়াট কিন্তু ঐ ব্যাটারীটির এখন ফুল চার্জ ধারণ ক্ষমতা ৩৯,০৩০ ওয়াট।

উপরিউক্ত ব্যাটারীটি এখনও পর্যন্ত ভালো সার্ভিস দিতে সক্ষম। কিন্তু যতই আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারীর ফুল চার্জ ধারণ ক্ষমতা ডিজাইন ধারণ ক্ষমতা থেকে কমতে থাকবে ততই এটি অবনতির দিকে যাবে এবং আপনার ব্যাটারী প্রতিস্থাপন করার সম্ভাবনা বাড়তে থাকবে।

যেভাবে বুঝবেন আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি পরিবর্তন করা দরকার


আপনাদের মধ্যে অনেকেইহ হয়তো স্মার্টফোন একটানা ব্যবহার করার সময় খেয়াল করেছেন যে অনেকক্ষণ ব্যবহারে স্মার্টফোনে অনেক সময়ই ওভার হিটিং ইস্যু লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন কারণে এমন হতে পারে। আজকের ব্লগটিতে আমরা জানতে চেষ্টা করবো কীভাবে স্মার্টফোনকে এই ওভারহিটিং ইস্যু থেকে রক্ষা করা যায়।



কেন হচ্ছ?
স্মার্টফোন ব্যবহারের সময়ে যদি আপনার মনে হয় যে আপনার স্মার্টফোনটি অধিক উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছে তাহলে সাথে সাথে চেষ্টা করুন সেই মুহুর্তে আপনার স্মার্টফোনটিতে ঠিক কি কি অ্যাকটিভিটি হচ্ছে সেগুলোর উপর। সাধারণত  একটানা ব্যবহারের সময় স্মার্টফোন যে কারণগুলোতে উত্তপ্ত হতে পারে সেগুলো হচ্ছে,




একটানা অনেকক্ষণ সময় ধরে হাই গ্রাফিক্সের গেম খেলা
ওয়াই-ফাই বা অন্যান্য নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকা অবস্থায় বেশ কিছু সময় ধরে একটানা স্ট্রিমিং করা
হাই ব্রাইটনেসে একটানা স্মার্টফোনটি সরাসরি সূর্যের আলোর নিচে বা তুলনামূলক গরম পরিবেশে ব্যবহার করা


তাই খেয়াল করুন, উপরের কোন কাজটি আপনি করছিলেন এবং আইডেন্টিফাই করার পর অন্তত কিছুক্ষণের জন্য আপনি আপনার স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।



অনেকক্ষণ একটানা ক্যামেরা অ্যাপের ব্যবহার
বেশ কিছু চমৎকার ক্যামেরা ইউনিট যুক্ত স্মার্টফোনে লক্ষ্য করা গিয়েছে যে সেই স্মার্টফোনগুলোতে অতিরিক্ত সময় ধরে ভ্যিউফাইন্ডার খুলে রাখায় বা একটানা ভিডিও করার ফলে স্মার্টফোনে ওভারহিটিং ইস্যু দেখা যায়। উদাহরণস্বরুপ, সনি এক্সপেরিয়া জেড৫!

আমরা স্বাভাবিক ভাবেই স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার সময় ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ বাড়িয়ে রাখি। তাই যেহেতু ক্যামেরা অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করা তুলনামূলক ভাবে বলা চলে একটি হাই পারফর্মেন্স টাস্কের পর্যায়ে পড়ে এবং সাথে ব্রাইটনেসও বাড়িয়ে রাখা হয় ফলে সহজেই স্মার্টফোনে এই ওভারহিটিং সমস্যাটি দেখা যেতে পারে। তাই, যদি অনেকক্ষণ ধরে ক্যামেরা অ্যাপলিকেশন ব্যবহারের ফলে আপনার স্মার্টফোনটি উত্তপ্ত হয়ে থাকে তাহলে ক্যামেরা অ্যাপলিকেশনটি সাথে সাথেই বন্ধ করুন এবং আপনার স্মার্টফোনটিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসার জন্য কিছুটা সময় দিন।
ম্যালওয়্যারের কারণে হতে পারে 
যে ডেভেলপাররা ম্যালওয়্যার তৈরি করে থাকেন তাদের কিন্তু আপনার স্মার্টফোনের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই, তারা শুধুই আপনার ডাটার পেছনে ছোটে। তাই অনেক সময় ম্যালওয়্যারের কারণেও আপনার স্মার্টফোনটিতে ওভারহিটিং ইস্যু দেখা যেতে পারে। তাই কোন রকম কারণ ছাড়াই যদি আপনার স্মার্টফোনে আপনি ওভারহিটিং সমস্যা খেয়াল করেন তবে অবশ্যই ভালো একটি ম্যালওয়্যার চেকার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 

 

স্মার্টফোনের ব্যাক-কেসের কারণে এমন হতে পারে
আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্মার্টফোনের ব্যাক কেস হিসেবে হয় প্ল্যাস্টিকের তৈরি ব্যাক কেস ব্যবহার করা থাকি অথবা লেদারের! তবে আমরা যে ম্যাটারিয়ালের ব্যাক কেসই ব্যবহার করে থাকি না কেন, একটা বিষয় খেয়াল করলে সহজেই বুঝতে পারবেন যে স্মার্টফোন থেকে কোন হিট বের হতে পারছেনা কেসের কারণে! এমনিতেই কিন্তু স্মার্টফোনে একটি ব্যাক-পার্ট দেয়াই থাকে। তাই সেই লেয়ারের পরেও যদি একটি অতিরিক্ত লেয়ার অর্থাৎ ব্যাক-কেস আমরা যুক্ত করি তবে স্বাভাবিক ভাবেই স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় স্মার্টফোন থেকে নির্গত তাপমাত্রা সেখানে বাঁধা প্রাপ্ত হবে। ফলে ওভারহিটিং ইস্যু লক্ষ্য করা যেতে পারে। তাই, অযথাই ওভারহিটিং সমস্যা এড়াতে আপনি বাড়তি ব্যাক কেসটি খুলে দেখতে পারেন। 

 

ব্যাটারি এবং চার্জার পরীক্ষা করে দেখুন
ব্যাটারি এবং চার্জারে কোন ত্রুটি থেকে থাকলে স্মার্টফোনে ওভারহিটিং ইস্যু দেখা দিতে পারে। তাই, সম্ভব হলে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি এবং চার্জারটিও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।  

স্মার্টফোনের ওভারহিটিং সমস্যার কিছু সমাধান


ব্যাটারী লাইফের অপ্রতুলতা সব স্মার্টফোন ইউজারদের কাছেই বড় একটি সমস্যা। প্রত্যেক বছর অত্যাধুনিক সব ব্যাটারী স্মার্টফোন জগতে প্রবেশ করলেও কিছু চার্জ খাওয়া অ্যাপ এবং অন্যান্য কারণে ব্যাটারী লাইফ নিয়ে ভালোই বিবৃত হন স্মার্টফোন ইউজাররা।

তবে কিছু সাধারণ কৌশল, অ্যাপ এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্টফোনের ব্যাটারী লাইফ ধরে রাখা সম্ভব। এখানে ব্যটারী লাইফ ধরে রাখার ১০টি টিপস প্রদান করা হলো:

ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা কমানো

স্মার্টফোনরা ইতোমধ্যেই এ টিপসটি সম্বন্ধে জ্ঞাত। এই টিপসটি ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোন দুটি ডিভাইসেই সমান কার্যকর। বেশিরভাগ স্মার্টফোনের অটো ব্রাইটনেস ফিচার আছে। তবে ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা ম্যানুয়ালী ঠিক করে নিলে তা ব্যাটারী লাইফের জন্য অধিক কার্যকর।3



অন্ধকার ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা

আপনি যদি এএমওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন এবং ডিসপ্লে ব্যাকগ্রাউন্ডে কালো বা অন্ধকার ওয়ালপেপার সেট করেন তবে এটি ব্যাটারী সাশ্রয় করে। আপনার স্ক্রিনে যত বেশি কালো পিক্সেল থাকবে আপনার ফোনে ব্যটারী তত কম খরচ হবে।

লো পাওয়ার মোড সক্রিয় করা

আপনার ফোন যদি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ অথবা এর পরবর্তী কোন সংস্করণে চলে তবে এটিতে লো পাওয়ার মোড দেখে থাকবেন আপনি। আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারী ১৫ শতাংশের নিচে নেমে এলেই স্বয়িংক্রিয়ভাবে এই লো পাওয়ার মোড সক্রিয় হয়।

তাছাড়া অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলোতে ডজ নামে একটি ফিচার আছে। স্মার্টফোন অনেকক্ষণ ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে এই ফিচারটি ফোনকে হাইবারনেশন মোডে রূপান্তর করে।

লক স্ক্রিন নোটিফিকেশনস চালু করা

লক স্ক্রিন নোটিফিকেশনস চালু করে স্মার্টফোনের ব্যাটারী লাইফ সাশ্রয় করা সম্ভব। ফোন আনলক না করেই এই ফিচারটির মাধ্যমে নোটিফিকেশন পড়তে পারবেন আপনি।

প্রয়োজন ছাড়া লোকেশন ট্রাকিং অন অ্যাপ বন্ধ করে রাখা

আপনার স্মার্টফোনে এমন অনেক অ্যাপই আছে যা প্রতিনিয়ত আপনার লোকেশন ট্রাক করছে। তবে অনেক অ্যাপেই এ তথ্য আদতে কাজে লাগে না। তাই ব্যটারী লাইফ সাশ্রয় করার জন্য প্রয়োজনানুযায়ী লোকেশন ট্রাক নিষ্ক্রিয় করে রাখতে পারেন আপনি। জিপিএস ট্রাকিং আপনার স্মার্টফোনের প্রচুর ব্যটারী খরচ করে থাকে।

ওয়াই-ফাই কানেকশনে অ্যাপ আপডেট করার জন্য সময় ধার্য করা

স্মার্টফোনের ব্যটারী লাইফ সাশ্রয় করতে চাইলে সবসময় ওয়াই-ফাই কানেকশনে অ্যাপ আপডেট বা সময় ধার্য করে দিন। এর ফলে ওয়াই-ফাই অ্যাপ আপডেট হওয়ার সময় আপনার ফোনে শক্তি সাশ্রয় হবে।

‘ডু নট ডিস্টার্ব’ এবং ‘এয়ারপ্লেন মোড’ ব্যবহার করা

আপনি যখনই আপনার ফোন ফ্লাইট/এয়ারপ্লেন মোডে রাখবেন এটি সব ধরণের তারবিহীন ফিচার নিস্ক্রিয় করে দেবে। সেলুলার এবং ওয়াই-ফাই কানেকশন দূর্বল থাকা অঞ্চলগুলোতে এই ফিচারটি সক্রিয় করে ফোনের ব্যটারী লাইফ সাশ্রয় করতে পারেন আপনি।

স্মার্টফোনের নিজস্ব ব্যাটারীর উপর নির্ভর থাকা

স্মার্টফোনে ভালো ব্যটারী লাইফের জন্য নিজস্ব ব্যাটারী ছেড়ে অন্য কোন ব্যাটারী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। তাতে লাভের থেকে ক্ষতিই হয়। আপনি হয়তো টাকা দিয়ে সেকেন্ড রেট ব্যটারী কিনবেন তবে মনে রাখবেন তাতে আপনি খুব বেশি লাভবান হবেন না।

ভাইব্রেশন এবং হ্যাপ্টিক ফিডব্যাক নিস্ক্রিয় করে রাখা

একই সাথে রিঙ্গার এবং ভাইব্রেশন সক্রিয় স্মার্টফোনগুলোতে ব্যটারী বেশি খরচ হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ব্যটারী সাশ্রয় করতে ভাইব্রেশন বন্ধ করে রাখতে চাইবেন আপনি। তাছাড়া হ্যাপ্টিক ফিডব্যাক বন্ধ করার মাধ্যমেও ব্যাটারী সাশ্রয় করতে পারেন আপনি।

সংক্ষিপ্ত টাইমআউট

সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনই ডিসপ্লে টাইমআউটের সময় কাস্টমাইজ করার সুযোগ দেয়। সেক্ষেত্রে ফোনের ব্যটারী সাশ্রয় করতে টাইমআউট ৩০ সেকেন্ডে নামিয়ে আনতে পারেন আপনি।

স্মার্টফোনের ব্যটারী সাশ্রয় করার ১০টি উপায়


সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে বড় মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসছে। নানা নতুন ফিচার আসছে। এই সব ফিচার আপনি পছন্দ নাই করতে পারেন। আর তাই এখানে বিরক্তিকর তিনটি ফিচার খুব সহজে বন্ধ করার উপায় দেয়া হল।

তিনটি বিরক্তিকর ফিচার হল- অটোপ্লে, অ্যাপ নোটিফিকেশন এবং অপ্রয়োজনীয় পোস্ট। নিচে এই ফিচার বন্ধের উপায় দেয়া হল-

অটোপ্লে

ফেসবুকের নিউজ ফিডে আসা ভিডিওগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। সীমিত ব্যান্ডউইথ এর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর জন্য এটি একটি বড় সমস্যা। এটি বন্ধ করতে হলে-


প্রথমে ফেসবুক লগ ইন করতে হবে।
প্রোফাইলে গিয়ে ডান পাশে তীর চিহ্নে স্ক্রল করে 'Settings' এ ক্লিক করতে হবে।
এবার এখান থেকে বাম পাশে সবার নিচে 'Videos' এ ক্লিক করতে হবে।
এখন 'Auto-Play Videos' এ গিয়ে 'Off' নির্বাচন করতে হবে।


অ্যাপ নোটিফিকেশন

অ্যাপ ও গেমসের নোটিফিকেশন ফেসবুকে যদি দেখতে না চান তাহলে

ফেসবুক লগ ইন করে 'Settings' এ গিয়ে 'Apps' এ ক্লিক করতে হবে।
এখানে সবগুলো ইনস্টলকৃত অ্যাপের তালিকায় মাউস পয়েন্টারের পেন্সিলের মতো আইকনে ক্লিক করতে হবে।
আর এই বক্স থেকেই সেটিংস নিজের পছন্দমতো বদলানো যাবে।


অপ্রয়োজনীয় পোস্ট

ফেসবুকে থাকা বন্ধুর পোস্ট দেখতে না চাইলে

প্রথমে সেই বন্ধুর যেকোনো পোস্টের ডান পাশের কোনায় নিচের দিকের তীর চিহ্নে ক্লিক করতে হবে।
এখান থেকে 'Hide all from' এ ক্লিক করতে হবে অথবা
তার প্রোফাইলে গিয়ে 'Unfollow' করে দিলেও একই কাজ হবে।

ফেসবুকের ৩টি বিরক্তিকর ফিচার বন্ধ করার উপায়

Behave your phone or smart phone by your voice, Special voice identify and open the screen lock of android
smart phone. Noice recognize and unlock the screen lock.
Special words for open or unlock android screen lock. you need to set word which speak during unlock the
voice screen lock.
You can Set Custom your own text through lock.

Below given Popular words which are available in voice screen lock:
"Hi","Hello","Welcome","I Love You","Love YoYo"Nice","How Are You","I Miss YOu","Baby","Open","Handsome","Beauty","Magic","Nice","Unlock","Cool","Open Destiny","Lucky","Play Boy"
Its like magic for child or kids.
Features:
- Your smart phone behave based on word you speak.
- Talk with smart phone and unlock the screen.
- Setting is given & change background themes.
- Enable/disable screen lock.
- Amazing sound play during unlock screen.
- Enable/disable sound system.


Voice Screen Lock--android apps

এবার অপ্রীতিকর ঘটনাগুলোকে বন্ধ করতে নতুন এক পদ্ধতি নিয়ে আসছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক। এর মাধ্যমে এ রকম ঘটনায় আক্রান্ত হলে ফেইসবুক ব্যবহারকারীকে বিষয়টি অবগতও করবে তারা।নতুন এই পদ্ধতির মাধ্যমে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর নাম ও ছবি অন্য কেউ ব্যবহার করলে তাকে সতর্ক করবে এবং ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করলেও ফেইসবুক তাকে অবগত করবে।


তাই কেউ যদি ব্যবহারকারীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া একাউন্ট খোলার চেষ্টা করে ফেইসবুক দ্রুত ব্যবহারকারীকে বিষয়টি অবগত করবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিরর। এটা ফেইসবুকে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধের কার্যক্রমের একটি অংশ।

ফেইসবুকের বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্টিগোন ডেভিস বলেন, “নির্দিষ্ট সামাজিক গোত্র বা সংস্কৃতি আছে বিশ্বের এমন নির্দিষ্ট অঞ্চলগুলোর নারীদের জন্য এটি একটি বাস্তব ইসু।”

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া ফেইসবুকের নতুন এই ফিচার ইতোমধ্যে সাইটটির ৭৫ শতাংশ ব্যবহারকারীকে নতুন এই সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

যদি ব্যবহারকারীরা ফেইসবুক থেকে এখনও এরকম কোন বিজ্ঞপ্তি না পেয়ে থাকেন, তবে, এখনও তারা এরকম প্রতারণার শিকার হননি।

ছবি চুরি বন্ধ হচ্ছে ফেইসবুকে


মোটামুটি
আমারা সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করি। প্রয়োজনে কেউ ল্যাপটপ আবার কেউ ডেক্সটপ কম্পিউটার চালায়। বর্তমানে কম্পিউটারের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হল ক্ষতিকর ভাইরাস। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে হ্যাকার। একটু অসাবধানতার কারনে কখন আপনার পিসিতে ভাইরাস ধুকে পরবে বা হ্যাক হয়ে যাবে তা আপনি ঠিকও পাবেন না।

আপনার পিসিকে হ্যাক করার সহজ একটি উপায়, ফেসবুকে কেউ আপনাকে সুন্দর একটি ম্যাসেজ দিবে আর বলবে এই লিংকে গেলে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনি যখনি ঐ লিংকে ক্লিক করবেন তখনি আপনার পিসির নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে সেই হ্যাকারের হাতে।

কিছু দিন একজন বিশিষ্ট হ্যাকারের একটি ইন্টারভিউ পড়ছিলাম। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, কিভাবে নিজের পিসিকে ক্ষতিকর ভাইরাস ও হ্যাকারদের কবল থেকে রক্ষা করা যায়? সেদিন তিনি কিছু সাজেশন দিয়েছিল আমাদের, চলুন শোনা যাক-


১। অপারেটিং সিস্টেম- আমরা এক একজন এক এক ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পছন্দ করি। যেমন কেউ, উইন্ডোজ ৭ বা ৮ চালায় আবার কেউ ম্যাক ওএস তো আবার কেউ উবুন্টু। চেষ্টা করবেন সবথেকে সহজ বা আপনার কাছে সবচেয়ে পছন্দসই অপারেটিং সিস্টেম টি বেছে নিতে। আরও একটি জরুরি বিষয় হল আপডেট, অপারেটিং সিস্টেমটি নিয়মিত আপডেট রাখার চেষ্টা করবেন। এবং খেয়াল রাখবেন সিকিউরিটি আপডেট গুলো নিয়মিত হচ্ছে কিনা। (আমি কিন্তু কোনরকম উইন্ডোজ আপডেট ব্যতিত ভাল একটি এন্টিভাইরাস ব্যবহার করি )


২। ওয়েব ব্রাউজার- ভাইরাস ও হ্যাক প্রসঙ্গে ওয়েব ব্রাউজার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারন বেশিরভাগ ভাইরাসই কোন না কোন ওয়েবসাইট থেকে আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করবে সাথে সাথে হ্যাকাররা ওয়েবেই আপনার পিসিকে হ্যাক করার চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে আমি সবাইকে গুগল ক্রোমব্রাইজারটি ব্যাবহারের উপদেশ দিবো। ইতিমধ্যে গুগল তাদের ব্রাউজারে নতুন একটি ফিচার যোগ করেছে। সেটি হল, আপনি যখন ব্রাউজারটি ওপেন করে কোন ওয়েবসাইট সার্ফ করতে থাকবেন আর তখন যদি এমন কোন লিংকে ক্লিক করেন যেখানে বা যে লিংকে ভাইরাস থাকতে পারে। তখন ক্রোম নিজে থেকেই আপনাকে আর উক্ত লিংকে প্রবেশ করতে দিবে না।

৩। পাসওয়ার্ড- যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাথে সাথে আপনার ইন্টারনেট মোডেম, ওয়াইফাই রাউটার ইত্যাদিতে যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন সেগুলো যেন অবশ্যই খুব শক্তিশালী হয় যেমন, (hb%$MV)@!VL##) ।

৪। বিশ্বস্ত সূত্র ব্যবহার করুন- যেকোনো ধরনের ফাইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত সূত্র ব্যবহার করুন। যেমন, আমরা যখন কোন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার বা গেমস ডাউনলোড করি তখন যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট বা গুগল সার্চ করে যে রেজাল্ট পাই সেখান থেকে ডাউনলোড করে নেই। এটা আমাদের অন্যতম একটি ভুল। অনেক সময় এমন হয়ম, .exe ফাইলের ভেতরে লুকনো থাকে ট্র্যাকিং সফটওয়্যার যেগুলো অনাবরত আপনাকে ট্র্যাক করবে আর তার অ্যাডমিন কে আপনার বিস্তারিত তথ্য দিতে থাকবে।

এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে যেকোনো ডাউনলোডের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত সূত্র ব্যবহার করুন। যেমন filehippo, softpedia, download, snapfiles, tucows, fileplanet, betanews, sourceforge ইত্যাদি।

৫। ভালমানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন- আমরা অনেকেই পিসিতে কোন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করিনা।  কেন? কারন শধুই আমাদের অলসতা। অনেকেই লিমিটেড নেট লাইন ব্যবহার করে আর এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে সেটা নিয়মিত আপডেট দিতে হয়।

এই ভুলটি আর করবেন না, কারন আপনার পিসিতে অবশ্যই কোন না কোন স্পর্শকাতর ফাইল বা বিষয় আছে যেগুলো অন্যর হাতে পড়লে সমস্যা হতে পারে। তাই নিয়মিত এন্টিভাইরাস আপডেট দিন।

৬। স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার- ভালমানের একটি এন্টি স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিশ্চিত থাকতে পারবেন যেকোনো ধরনের স্পাই প্রবলেম থেকে। এক্ষেত্রে আমি আপনাদের Spybot  ব্যবহার করার সাজেশন দিবো।

আজকের মতো এখানেই সমাপ্তি করছি। তবে খুব সহসা আবার ফিরে আসবো নতুন কোন আপডেট নিয়ে (ইনশাল্লাহ) সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন আসা করি।

ও আর একটা কথা, আপনার মনে যদি কোন প্রশ্ন বা মতামত ঘুরপাক খায় তবে সেটা আমাদের কমেন্ট বক্সে যানাতে ভুলবেন না যেন।

প্রিয় কম্পিউটারকে ক্ষতিকর ভাইরাস ও হ্যাকারদের থেকে রক্ষা করার সেরা কিছু টিপস


What's New
5.10.2
1. Fix the bug when some users can't find backup images on the cloud.
2. CM Community added, welcome on board. You can access it via Me -> CM Community
5.10.1
1. Added the iSwipe function - easily access any app, contact or setting you need
2. Added deep cleaning for Whatsapp's useless files so you can maximize space saved
3. Added more ways to save space - move apps and photos to an external SD card
4. Added the ability to use AppLock without a GP account



click to download now.

Clean Master (Boost & AppLock)

SHAREit, the world's fastest cross-platform file transfer tool.
- Share all kinds of files whenever and wherever.
- 200 times Bluetooth speed!
- No USB! No data usage! No internet needed!
- Supports Android, iOS (iPhone/iPad), Windows Phone, Windows, and Mac.
- The choice of OVER 400 Million users from 200 countries.
- Top 1 downloaded App on Google Play in 15 countries and regions.








ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে।।

SHAREit: File Sharing,Transfer।।। download now


Nature frames to decorate your Photo with awesome Mountains, Forests, Rivers and Pure Nature Themed Photo frames.
We acquired license to some of the greatest nature photos to create Best Nature Photo frames and mixed the frames with our advanced photo editing tools to bring best Nature frames application.
Nature Photo Frames with Advanced Photo Editor Tools:

1. Nature Photo Frames.
a) Nature Photo Frames include 40 Nature Backgrounds that we licensed from Photographers.
b) Photos in multiple shapes can be embedded in frames including Love themed, Circular Photos, Star shaped Photos, Rectangular photos.
c) Write on Photo frames with Text on Photo feature.
d) Draw free hand on photo frame created with our Draw on Photo tools.
e) Add Photo stickers in various Photo Stickers categories.
f) You can chose one of our Nature Backgrounds or Search web for the Nature backgrounds including Mountain Backgrounds, Wild Animal Backgrounds and Beach Backgrounds.
g) Save created frames to Photo Gallery.
2. Nature Photo Collages.
a) Nature Collages comes in 40 different Nature Photo Backgrounds.
b) You can Embed Photos in Nature collages in various photo shapes.
c) Draw on Nature Photo collages using our advanced drawing tools.
d) Add Stickers from 500+ of our photo stickers on your Photo collages.
e) Add Text on Photo Collages using our advanced Text editor with Custom Text Fonts, Text Shaders.
f) You can chose one of our Nature Backgrounds or Search web for the Nature backgrounds including Forest Backgrounds, Flower Backgrounds and Beach Backgrounds.
g) Save the Photo collages to Photo Gallery.
3) Cut Paste Photos on Nature Photo Backgrounds.
a) Cut your photo that you want to embed over Nature Photo backgrounds.
b) Using advanced Trim, cut the edges of cut photos and make them look perfect.
c) Paste Cut photos over Nature backgrounds.
d) You can chose one of our Nature Backgrounds or Search web for the Nature backgrounds including Spring Season Backgrounds, Fall Season Backgrounds and Beach Backgrounds.
e) Save the cut paste photos to your Gallery.
4) Nature Live Wallpapers
a) Nature Live wallpapers keeps rotating Nature Photos and Nature backgrounds as your live wallpapers.
b) You can chose how often to change your Live wallpaper photos.
Create Awesome photos with Nature Backgrounds, Nature Collages and Nature Frames with Nature Photo Frames.


click to downloud now..

Nature Photo Frames -Android apps

আমরা প্রায় সকল ওয়েবমাস্টারই কম বেশি গুগল এ্যডসেন্স একাউন্টের জন্য অনেক চেষ্টা করি। কেউ খুব সহজেই পেয়ে যাই আবার কেউ অনেক চেষ্টা করেও পাননা। গুগল এ্যডসেন্স এখন ডিম পাড়া মুরগির মত। গুগল এ্যডসেন্স একাউন্ট পাওয়া যতটা কঠিন, একাউন্টটিকে ঠিকঠাক রাখা তার চেয়েও কঠিন। কেননা গুগলের অনেক বাধ্যবাধকতা আছে। যা মেনে চলা অনেক কঠিন। অনেক ক্যাটাগরির সাইট বিশেষ করে এডাল্ট, কপি-পেস্ট, ডাউনলোডিং সাইটেতো গুগল এ্যডসেন্স ব্যবহারই করা যাবেনা।
ব্যবহার করলেই একাউন্ট ব্যান হবে। তাই আজকে আমি Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান সাইট সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। সাইটটির নাম RevenueHits. নিচে সাইটটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করছি। কিভাবে রিভিনিউহিটস ব্যবহার করবেন সেটা একদম শেষে পাবেন। তবে তার আগে রিভিনিউহিটস সম্পর্কে জেনে নিন।


RevenueHits কি ?

RevenueHits একটি অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যা একটি ওয়েবসাইটের ট্রাফিক থেকে অর্থ উপার্যন করতে সহায়তা করে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে। এটি ইসিপিএম এর মধ্যে সর্বোচ্চ $30 পর্যন্ত বহন করে এবং এটি একটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। এরা বিজ্ঞাপনদাতার চাহিদার তুলনায় প্রকাশকের আনা ট্রাফিকের ওপর নির্ভর করে অফার বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে। এটি দেশ ভিত্তিক লক্ষপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।
RevenueHits কিভাবে অর্থ প্রদান করে ?

Reven
ueHits সম্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এটি এড ইম্প্রেশন বা ক্লিকে অর্থপ্রদান করেন না। এটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যেমন- কর্ম ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে সিপিএ নেটওয়ার্ক গুলো বিজ্ঞাপন ইম্প্রেশন বা ক্লিকের ওপর অর্থ দেয়না বরং ব্যবহারকারীর কর্মের ওপর অর্থ দেয়। ব্যবহারকারীর কর্ম যেকোন ধরনের হতে পারে যেমন, ওয়েবসাইট ভিজিট, ইউজার ইমেইল, আইডি, মোবাইল নম্বর, অন্যান্য তথ্য, কোন সফটওয়্যার ইনিস্টল বা একাউন্ট তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি যা বিজ্ঞাপনদাতা চায়। সুতরাং বিভিন্ন ফোরাম সাইটে ব্লগারদের টিউন বা টিউমেন্টে আপনার দ্বিধাবোধ হতে পারে যে 10000 ভিজিটরে প্রতিদিন $50 – $60 ইনকাম হয় আবার অন্য দিন বা অন্য ব্লগারের কোন ইনকামই হয়না। তবে একটা কথা বলে রাখি রিভিনিউহিটস কিন্তু রিভিনিউ দেখায় 2 দিন পরে। প্রথম দিনই আপনার মনে হতে পারে যে এটি ফেইক। কারন আপনি যখন ড্যাসবোর্ডে ঢুকবেন তখন আপাকে রিভিনিউহিটস দেখাবে আপনার সাইটে কতগুলা ইম্প্রেশন হয়েছে, কতটা ক্লিক হয়েছে এবং কত রিভিনিউ হয়েছে। সেখানে দেখবেন ইম্পেশন এবং ক্লিক হয়েছে অনেক, কিন্তু রিভিনিউ এ কোন টাকা দেখাচ্ছেনা। এটা দেখে চিন্তার কিছু নাই। পরের দিন ঠিকই আপনার টাকা দেখাবে।
RevenueHits ব্যবহার করে অনেকেই অল্প ট্রাফিক বা ভিজিটর দিয়ে দিনে $5 – $10 ইনকাম করছে। তবে RevenueHits এর বিশেষ একটি দিক হচ্ছে এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান। মনে করুন আপনি ইউ.কে তে আছেন আপনার কাছে কখনই ইউ.এস ভিত্তিক আমাজনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হবেনা। আপনার কাছে ইউ.কে ভিত্তিক কোন লক্ষ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে। ফলে ইসিপিএম রেটটাও বেশি থাকবে এবং সর্বোচ্চ উপার্যনের সুযোগ থাকবে।

RevenueHits পেমেন্ট বা টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ?

RevenueHits এর টাকা উত্তোলনের পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পেপাল, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার।
সর্বনিম্ন পেমেন্ট = $20
পেমেন্ট ফ্রিকুয়েন্সি = NET.30
RevenueHits পাবলিশার রিফারেলে ১০০ USD ডলার পর্যন্ত পাবার সুযোগ আছে। কিভাবে পাবেন তা ও বলছি। আপনার রিফারেলের কোন পাবলিশার যখন $10 ইনকাম করবে তখন আপনিয় $10 পাবেন। আরও $40 পাবেন যখন সেই পাবলিশারের $50 ইনকাম হবে। শুধু এইটুকুই নয়, সেই পাবলিশারের যদি $100 ইনকাম হয় তাহলে আপনি আরও $50 বোনাস পাবেন। তাহলে মোট $100 আপনি অতিরিক্ত পাচ্ছেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে শুধু যদি ভাল মানের পাবলিশার রিফার করতে পারেন তাহলেই আপনার পকেট গরম হওয়া ঠেকায় কে ? নিচের ছবিটিতে দেখুন রিফারেল বোনাস 20 ডলার পেয়েছে।


RevenueHits কি কি ধরনের বিজ্ঞাপন সাপোর্ট করে ?

Banner Ads
Pop under advertisement
Shadow box ads
Slider Ads
Pop/Button/Side banner Ads
Button Ads
Mobile Ads
RevenueHits এ্যকাউন্ট করা সহজ নাকি কঠিন ?

শুরুতেই বলেছিলাম গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া অনেক কঠিন কাজ। তাছাড়া বিভিন্ন সনামধণ্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে যা অনেক ওয়েবমাস্টারের পক্ষ্যে সম্ভব হয়না। ফলে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। RevenueHits এর ক্ষ্যেত্রে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। মাত্র ৫ মিনিটেই আপনার একাউন্ট রেডি। আপনি যদি নতুন ব্লগার হয়েথাকেন তাহলে আমি সাজেশন দিবো আপনি নির্দিধায় RevenueHits ব্যবহার করুন।
RevenueHits VS Google Adsense বা অন্যন্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান কোনটা বেশি ভাল ?

আমি এখানে শুধু এ্যডসেন্স এর সঙ্গে রিভিনিউহিটসের তুলনা করবো। কেননা আমরা সবাই জানি যে গুগল এ্যডসেন্স ই সেরা। তাই বাকি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের (ClickSor, InfoLinks,Chitika, Bidvertiser) সঙ্গে তুলনা করে শুধু শুধু সময় নষ্ট করছি না। তাহলে আসুন দেখি দুইটার মিল ও পার্থক্য।
RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে মিল-

রিভিনিউহিটস ও অ্যাডসেন্স দুইটায় লক্ষ্যপূর্ণ বা কাঙ্খিত ভিজিটরদের টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখায়।
দুইটাই ইসিপিএম, ক্লিক, ইম্প্রেশন (মাঝেমাঝে), রিভিনিউ ইত্যাদিতে টাকা দেয়।
দুইটাই বিভিন্ন সাইজের মানাসই বিজ্ঞাপন সাইজ সাপোর্ট করে।
ব্যবহার খুবই সহজ।
RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে পার্থক্য-

অ্যাডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে সাইটের বয়স কমপক্ষে ৬ মাস বয়স হতে হবে। রিভিনিউহিটস একাউন্ট পেতে মাত্র ৩ মিনিট সময় লাগতে পরে।
অ্যাডসেন্স ফেইক ট্রাফিক সাপোর্ট করেনা এবং ফেইক ট্রাফিকের কারনে একাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে। রিভিনিউহিটস ফেইকট্রাফিকেউ অনেক সময় পে করে থাকে।
অ্যাডসেন্স ব্যবহারে অনেক বাধ্যবাধকতা আছে কিন্তু রিভিনিউহিটসে কোন বাধ্যকতা নাই।
অ্যাডসেন্স কপিরাইট সাইট সাপোর্ট করেনা। রিভিনিউহিটস কপিরাইটে প্রবলেম করেনা।
অ্যাডসেন্সে পিন ও এড্রেস ভেরিফিকেসন করতে হয় কিন্তু রিভিনিউহিটসে কোন ভেরিফিকেসনের ঝামেলা নাই।
এ্যডসেন্সের সাথে পপ অ্যাডস বা অন্য কোন অ্যাডস ব্যবহার করা যায়না। রিভিনিউহিটসে তেমন কোন সমস্যা নাই।
অ্যাডসেন্স পেপাল বা পেওনিয়র সাপোর্ট করেনা। শুধুমাত্র ব্যাংক চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে। কিন্তু রিভিনিউহিটস পেপাল, পেওনিয়র, ব্যাংক সাপোর্ট করে।
অ্যাডসেন্স ১০০ ডলার হলে টাকা দিয়ে থাকে কিন্তু রিভিনিউহিটস মাত্র ২০ ডলার হলে টাকা দেয়।
অ্যাডসেন্সের রেফারেল বোনাস নাই। কিন্তু রিভিউহিটস এর রেফারেল বোনাস আছে।
রিভিনিউহিটস কোষ্ট পার একশান হিসেবে টাকা পে করে। যদিও রিভিনিউহিটস ইম্প্রেশন বা ক্লিকে টাকা দেয়না এখানে একটা প্রশ্ন থাকতে পারে যে খুব কম ভিজিটরই কোষ্ট একশান শর্ত পূরন করেন। তাহলে আর্ন হবে কি করে ? বিষয়টা হচ্ছে এমন যে অনেক ধরনের অ্যাডস আছে যেগুলা শুধু ভিজিট বা ইম্প্রেশন রিকুয়ার্ড। তবে যেইসকল বিজ্ঞাপনদাতা দের শর্ত বেশি তাদের শর্ত পূরন হলে ইনকামও বেশি। অ্যাডসেন্স এর বিষয়টা ঠিক ভালো ভাবে যানা নাই।


কিভাবে Revenuehits এ্যকাউন্ট করবেন বা ব্যবহার করবেন ? 




তারপর “Join Now” বাটনে ক্লিক করুন। একটি ফর্ম আসবে তাতে ফাস্ট নেম, লাস্ট নেম, সাইট নেম, সাইট ইউআরেল, সাইট ট্রাফিক (WEB), এবং সাইট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে “Next Step” বাটনে ক্লিক করুন। এবার দ্বিতীয় ধাপে ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ইমেইল, মোবাইল নম্বর কান্ট্রিকোড সহ, সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর এবং টার্মস এনড কন্ডিশনের বক্স টিক দিয়ে “Submit” বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন। আপনার অ্যাকাউন্ট রেডি। আপনার একাউন্টের ড্যাসবোর্ড এ “New Placement” এ ক্লিক করে অ্যাডস সেটআপ করুন এবং আপনার সাইটে যুক্ত করুন।


আপনি ব্লগিং করে প্রতি মাসে আয় করুন ১০০ থেকে ২৫০+ ডলার, বাংলা ইংলিশ বা যে কোন ভাষার ব্লগ থেকে


আজকাল প্রায় সবধরনের ফোন এ, সে ফোন Android হোক আর Apple হোক আর উইন্ডোজ ফোন হোক কিংবা সস্তা বা দামী। একটি সমস্যা কিন্তু লেগেই থাকে, তা হলো অত্তাধিক গরম হওয়া। আপনার ফোন এর সাথে যদি এমনই কোনো সমস্যা ঘটে থাকে তবে আজকের এই পোস্টটি আপনার জন্যই। আজ আমি বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা করবো, যেমনঃ কেনো স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়? স্মার্টফোন গরম হওয়াটা কি স্বাভাবিক? এবং অত্তাধিক গরম হওয়া থেকে আপনার স্মার্টফোনটিকে কীভাবে রক্ষা করবেন?

স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ

দেখুন যদি গরম হওয়ার কথা বলি তবে বলতেই হয় যে প্রতিটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি বা মেশিন ই গরম হয়। উদাহরণ সরূপ আপনার গাড়ি, কম্পিউটার ইত্যাদি সব কিছুই গরম হওয়া থেকে বিরত নয়।গাড়ি ঠাণ্ডা রাখতে পানি ঢালা হয়, কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে ফ্যান ব্যবহার করা হয় তাছাড়া এর ভেতর HeatSheild থাকে। তো আসলে বলতে পারেন স্বাভাবিক ভাবে স্মার্টফোন একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র হওয়ার কারনে এটি গরম হয়। তারপরও আমি আপনাদের সব কিছু খুলে বলবো। তো চলুন জেনে নেয় স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ।


প্রসেসরঃ স্মার্টফোন গরম হওয়ার জন্য প্রথম যে দায়ী তা হলো প্রসেসর। প্রসেসর আপনার ফোন এর প্রধান অঙ্গ সরূপ। যে আপনার ফোন এর প্রতিটি কাজ করে থাকে। আপনি ফোন ব্যবহার করেন আর নাই বা করেন প্রসেসর কিন্তু সবসময় চলতে থাকে এবং তার কাজ করতে থাকে। আর এই প্রসেসর নির্মাণ করা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে। এবং এর ভেতর অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র  ইলেকট্রন থাকে। যখন প্রসেসর তার কাজ করে তখন এই ইলেকট্রন গুলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে (সহজ ভাষায়)। এবং এই দৌড়াদৌড়ি করার সময় ইলেকট্রন গুলো নিজেদের ভেতর সংঘর্ষ ঘটায় এবং তাপ উৎপাদন করে। অর্থাৎ আপনার প্রসেসর যত বেশি কাজ করে তাপ ও ততো বেশি উৎপাদন হয়। আপনি যদি কম কাজ করেন, যেমন ধরুন শুধু ফোন এ কথা বলছেন, কিংবা মিউজিক শুনছেন তবে আপনার ফোনটি কম গরম হবে। কিন্তু মনে করেন আপনি গেম খেলছেন এবং একসাথে ইন্টারনেট থেকে কোনো ফাইল ও ডাউনলোড করছেন, তবে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ফোন এর প্রসেসর কে বেশি কাজ করতে হবে এবং যার ফলে বেশি গরম হবে আপনার স্মার্টফোনটি। আজকাল কার স্মার্টফোন গুলো দিন এর পর দিন চিকন হয়ে যাচ্ছে। এখন প্রসেসর এর দ্বারা উৎপন্ন তাপ আপনার ফোনটি চিকন হওয়ার কারনে বের হতে পারে না। এবং লক্ষ করলে দেখা যাবে যে আপনার ফোন এর প্রসেসরটি ফোন বডির সাথেই লেগে থাকে, যার ফলে খুব তারাতারি এবং অত্যাধিক গরম অনুভূত হয়।
অত্যাধিক লোডঃ আমি আগেই বলেছি অত্যাধিক লোড ফেললে আপনার ফোনটি দ্রুত এবং বেশি গরম হবে। স্বাভাবিক কাজ যেমন ফোন এ কথা বলা, এসএমএস সেন্ড করা বা গান শোনার মত ছোট কাজ এ কম গরম হবে আপনার ফোনটি। কিন্তু আপনি যখন অনেক গুলো কাজ এক সাথে করবেন বা কোনো বড় কাজ করবেন তখন আপনার ফোনটি অত্যাধিক লোড এর সম্মক্ষিন হবে এবং স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হবে।
ব্যাটারিঃ স্মার্টফোন গুলো দিনদিন চিকন হয়েই চলছে। কিন্তু ব্যাটারি প্রযুক্তিতে তেমন একটা বিশেষ উন্নতি আনা হচ্ছে না। তারপর ফোনটি অনেক চিকন হওয়ার কারনে  যন্ত্রপাতি গুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব থাকে না। ব্যাটারি চার্জ বা ডিসচার্জ হওয়ার সময় কম বেশি গরম হয়েই থাকে। আর যন্ত্রপাতি গুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব না থাকার ফলে এই ব্যাটারির গরম সব দিকে ছড়িয়ে পরে এবং আপনার স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে পরে।
পরিবেষ্টিত তাপমাত্রাঃ স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম, হওয়ার আরেকটি বড় কারন কিন্তু পরিবেষ্টিত তাপমাত্রা হতে পারে। সাধারন ভাবে গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের তাপমাত্রা ৩৫-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে যায়। এই পরিবেশে আপনি ঘরে বসে থাকলেও আপনার আসেপাশের তাপমান থাকে প্রায় ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর এই তাপমান এর ভেতর আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করলে এটি আরো তাড়াতাড়ি গরম হয়ে পরবে।
দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনালঃ মনে করুন আপনি এমন এক জায়গায় আছেন, যেখানে নেটওয়ার্ক সিগনাল খুব দুর্বল। অথবা আপনার ওয়াইফাই সিগনাল অনেক কষ্টে আপনার স্মার্টফোন অবধি আসছে। এই অবস্থায় আপনার স্মার্টফোন এ বেশি চার্জ খরচ হয়। দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনাল পাওয়ার জন্য আপনার ফোনটি অ্যান্টেনাতে বেশি পাওয়ার প্রয়োগ করে, যাতে ফোনটি ভালো সিগনাল ধরতে পারে। এতে স্মার্টফোনটির প্রসেসরকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এবং স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে পরে।এখন চলুন কথা বলি স্মার্টফোন স্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক গরম হওয়া নিয়ে। স্বাভাবিক অবস্থায় কাজ করতে করতে আপনার স্মার্টফোনটি ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হতে পারে। আর বিশ্বাস করুন এটা শুধু আপনার ফোন এর ক্ষেত্রে না, বরং সবারই গরম হয়। আপনার ফোনটি কম দামী বলেই যে বেশি গরম হচ্ছে, তা কিন্তু মতেও ঠিক নয়। স্যামসাঙ বলুন আর অ্যাপেল, সব ফোনই কিন্তু গরম হয়।

তবে হাঁ, আপনি যদি লক্ষ্য করে দেখেন যে আপনার ফোনটি সবসময়ই ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম থাকছে। এমন কি যখন আপনার ফোনটি স্ট্যান্ড-বাই মোড এ থাকে তখনও, তবে আপনার ফোন এ সমস্যা আছে।

স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়াতে কি কি অসুবিধা হতে পারে?

কর্মক্ষমতা হ্রাস পাওয়াঃ স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়াতে আপনার ফোন এর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। দেখুন স্মার্টফোন এর প্রসেসরকে এমন ভাবে তৈরি করা হয় যাতে এটি বেশি গরম হয়ে পরলে কাজ করা কমিয়ে দেয়, যাতে এটি ঠাণ্ডা হতে পারে। আর প্রসেসর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা কমিয়ে ফেলার জন্য আপনার স্মার্টফোন এর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

অত্যাধিক গরম হওয়া থেকে স্মার্টফোনকে কীভাবে রক্ষা করবেন

স্মার্টফোনে বেশি কাজ করা যাবে না বা বেশি গেম খেলা যাবে না, আসলে ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়। অত্যাধিক গরম হওয়া থেকে স্মার্টফোনকে বাচাতে চাইলে আপনার ফোন এর সফটওয়্যার গুলো কে আপডেট রাখুন। অনেক সময় ফোন এর সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার সমকক্ষতা রাখতে বার্থ হয়। সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। নিয়মিত অনুসন্ধান করে দেখুন যে কোন কোন অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ড এ বেশি জায়গা নিচ্ছে। সে অ্যাপস গুলো সনাক্ত করে অস্থায়ী ভাবে বন্ধ করে রাখুন।

উপসংহারঃ

আশাকরি আজকের এই পোস্টটি আপনারা খুব উপভোগ করেছেন। আপনাদের কাছে যদি স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার আরো কোনো কারন থাকে কিংবা কীভাবে অত্যাধিক গরম হওয়া থেকে স্মার্টফোনকে কীভাবে রক্ষ্যা করা যায় যে বিষয়ে আরো ধারণা থাকে তবে কমেন্ট করে আমাকে জানাতে পারেন।

দেখুন আপনার কি কারনে স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়? এটা কি স্বাভাবিক? প্রতিকার জেনে নিন।


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Li-Ion 2000 mAh
Stand-by time: -
Talk-time: -
Body & Weight 136.5 x 69 x 8.4 millimeter, -
Camera Factors (Back) 2592 x 1944 pixels, autofocus, LED flash, auto face recognition, face beauty, panorama mode
Camera Resolution (Back) 5 Megapixel
Camera Resolution (Front) 2 Megapixel
Chipset Exynos 3475
Colors Available White, Black, Gold
Display Size & Resolution 4.7 inches, 540 x 960 pixels (234 ppi)

Display Type Super AMOLED Touchscreen
Graphics Processing Unit (GPU) Mali-T720
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB
Operating System Android Lollipop v5.1.1
Processor Quad-core, 1.3 GHz Cortex-A7
RAM 1 GB
ROM 8 GB
Release Date September 2015
Sensors Accelerometer, proximity
SIM Card Type Dual SIM (Micro-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0, USB-on-the-go (OTG)
Video HD (720p)
Wireless LAN Yes, Wi-Fi direct, hotspot
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Java, HTML

Samsung Galaxy J2..Price in Bangladesh: 11,490 Tk.


সৌরজগতে পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি ভরের একটি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়ার দাবি করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। গবেষকরা সম্ভাব্য ঐ গ্রহটির নাম দিয়েছেন ‘প্ল্যানেট নাইন’।

ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঐ গ্রহটি নেপচুন গ্রহ থেকে শত-শত কোটি মাইল দুরের একটি কক্ষপথে পরিভ্রমণ করছে। কম্পিউটার মডেল থেকে তারা এই তথ্য দিচ্ছেন ।

মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, তারা খুব শক্তিশালী প্রমাণাদি পেয়েছেন যার দ্বারা বলা যায় যে এই সৌরজগতে একটি নবম গ্রহ রয়েছে। এবং বামন গ্রহ প্লুটো থেকেও এর অবস্থান অনেক অনেক দুরে।


ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা ক্যালটেকের একটি গবেষক দল এসব তথ্য তুলে ধরছে। তবে তারা বলছে, গ্রহটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করার মতো কোন সরাসরি পর্যবেক্ষণ এখনো পর্যন্ত করা হয়নি।তবে সৌরজগতের দূরবর্তী বিভিন্ন বস্তুর চলাচল বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। যদি প্রমাণ হয় তবে ঐ গ্রহটি হবে পৃথিবীর চাইতেও ১০ গুণ বড়।

যদিও কম্পিউটার মডেলের ওপর ভিত্তি করে এখনো পর্যন্ত এই দাবি করা হচ্ছে, তবে এই গবেষণার একজন প্রধান বিজ্ঞানী, কনস্টানটিন বেটিজেন বলেন এই গ্রহের অস্তিত্বের বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

“গত ২০ বছরে সৌরজগতের বাইরে গ্রহের অনুসন্ধানে আমরা বেশ সফল হয়েছি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে সাধারণ যে গ্রহগুলো রয়েছে সেগুলো আমাদের পাওয়া বস্তুর মতোই, যার ভর প্রায় ১০ টি পৃথিবীর সমান। এটি বেশ উত্তেজনার।”

গবেষকদের হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে সূর্যের থেকে সবচেয়ে দুরে থাকা গ্রহ নেপচুনের চেয়েও ২০ গুণ দুরের কক্ষপথ দিয়ে চলাচল করছে নতুন এই গ্রহটি। সৌরজগতের অষ্টম গ্রহ নেপচুনের দূরত্বও সূর্য থেকে প্রায় সাড়ে চার’শ কোটি কিলোমিটার দুরে।

সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ প্রায় বৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করলেও, সম্ভাব্য এই গ্রহটি প্রদক্ষিণ করছে অনেক বেশি উপবৃত্তাকার পথে এবং সূর্যকে একবার পুরো প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার বছর।

নতুন এই বস্তু বা গ্রহটি কোথায় হতে পারে সেসম্পর্কে ক্যালটেকের বিজ্ঞানীদের এখনো পর্যন্ত অস্পষ্ট একটি ধারণা রয়েছে। তবে এটি অনেকটা নিশ্চিত যে এখন ঐ গ্রহটিকে খুঁজে বের করার জন্য নতুন করে চেষ্টা শুরু হবে।

প্ল্যানেট নাইন’! সৌরজগতের নবম গ্রহ !


তেলের থেকে প্রযুক্তি মূল্যবান। তারই প্রমাণ মিলছে অ্যাপল, অ্যালফাবেট (গুগলের প্রধান কোম্পানি), মাইক্রোসফট এবং ফেইসবুকের আয়ে। প্রতি সেকেন্ডে ২ হাজার ডলারেরও বেশি আয় করছে তারা।

ব্যবসায় তথ্য বিষয়ক পোর্টাল পেনি স্টকস ল্যাবের একটি ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে।প্রকাশিত তথ্য মতে, প্রতি মিনিটে শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর আয় ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। যার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ আয় আসে অ্যাপলের ঘরে।

যদিও সব কোম্পানির আয় সমান নয়। টুইটার,প্যানডোরা, ইয়েল্পের মতো কোম্পানিগুলো লাভবান হতে হিমশিম খাচ্ছে। কেউবা বিভিন্ন সেবা চালু ও বন্ধের মাধ্যমে এগিয়ে চলার পথ খুঁজছেন।

কেউ কেউ মনে করছেন সিলিকন ভ্যালি ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর আয় আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে বিরুপ প্রভাব ফেলবে। আবার কেউবা বলছেন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ট্যাক্স বাড়িয়ে দিতে।

অ্যাপল, ফেসবুক ও গুগলের আয় দেখুন প্রতি সেকেন্ডে !

খুব তো ফেসবুক ব্যবহার করছেন। তাহলে জেনে নিন ফেসবুকের তেরোটা জানা অজানা তথ্য-

১) ফেসবুকের সবার আগে নাম ছিল ‘facemash’, তারপর নাম হয় Thefacebook. ২০০৫ সাল থেকে নাম হয় ‘facebook’.

২) গুগলে ‘ইউআরএল’ বা ‘সার্চ অ্যাডড্রেসে’ শুধু FB লিখে কন্ট্রোল এন্টার বটন দুটি টিপলেই ফেসবুকের হোম পেজ খুলে যায়।


৩) ফেসবুকে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি অ্যাকটিভ ইউজার আছে। যার মধ্যে অন্তত অর্ধেক ইউজার প্রতিদিন ফেসবুকে লগ ইন করেন। মানে দাঁড়াল বিশ্বের সাতজন লোকের মধ্যে একজন ফেসবুকে ব্যবহার করে। আমেরিকার ৯৫ শতাংশ মানুষের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে।

৪) অস্ট্রেলিয়ায় এক মা তার মেয়ের নাম রাখেন লাইক। কারণ সেই শিশু গর্ভে থাকাকালীন মা ফেসবুকে ‘like’ করলেই কিক করত। এখানেই শেষ নয় ইজিপ্টে এক দম্পতি তাদের সদ্যোজাত কন্যা সন্তানের নাম রাখেন ফেসবুক। দেশে ফেসবুকে সরকারের নজরদারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবেই এই কাজ করেন সেই দম্পতি।

৫) ফেসবুক সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া পেজ কিন্তু ফেসবুকের নিজস্ব অফিসিয়াল প্রোফাইল নয়। সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া পেজ হল facebook for every phone, তারপর facebook, তিন নম্বরে youtube এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ।

৬) ফেসবুকের প্রথম ইউজার হলেন প্রতিষ্ঠিতা মার্ক জুকারবার্গ। তবে কোনও কারণে নিজের প্রোফাইল নামের বানান ভুল করেছিলেন জুকারবার্গ।

৭) একদম শুরুতে ফেসবুকে যে কেউ যে কারও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারত। মানে আপনি আপনার বন্ধু বা অচেনা কারও প্রোফাইলে পোস্ট বা স্টেটাস আপডেট করতে পারতেন।

৮) আধুনিক বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে বড় মানসিক রোগের নাম ফেসবুক অ্যাডিকশন ডিসঅর্ডার বা ফ্যাড (FAD)। এই রোগের উপসর্গ হল কারও ফোন না ধরা, কোথাও গিয়ে শুধু ফোন বা ট্যাবের দিকে চেয়ে থাকা। ক্ষুধামন্দা, অনিদ্রা, চাপা টেনশন সবই হয় এই FAD থেকে। বর্তমানে ৫০ লক্ষ মানুষ এই রোগের শিকার।

৯) আমেরিকায় বেশিরভাগ দম্পতি ডিভোর্সের কারণ হিসেবে একেবারে প্রথম দিকে লেখা হয় ‘ফেসবুক’। এক রিসার্চ বলছে ফেসবুকের বন্ধুদের সময় দিতে গিয়ে সম্পর্ককে অবহেলা করা হচ্ছে বেশি। সেখানে আরও বলা হয়েছে নিজের স্বামী, স্ত্রী, বান্ধবীর থেকে প্রাক্তন বা পুরনো সম্পর্কের প্রোফাইল নিয়েই বেশি আগ্রহী থাকেন ব্যবহারকারীরা।

১০) প্রতি ৫ সেকেন্ডে ফেসবুকে একটা নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।

১১) গড়ে একজন ফেসবুক ইউজার প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে সময় ফেসবুকের জন্য খরচ করেন।

১২) ফেসবুকে ১ কোটি অ্যাপস আছে। ২৫ কোটি ফেসবুক গেমস প্রতি মাসে খেলা হয়। ৫ কোটি ফেসবুক পেজ আছে। ১ ট্রিলিয়ন লাইক আছে।

১৩) একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর গড়ে ১৪০ জন ‘friends’ থাকে।

ফেসবুকের ১৩টি জানা অজানা তথ্য


স্মার্টফোন মানেই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের কারুকাজ। নানা ধরনের ফিচার সম্বলিত এ অপারেটিং সিস্টেম মোবাইল জগতে দিয়েছে নিত্য-নতুন অপশন। তবে ব্যবহারকারীদের এরকম অনেক ফিচারই থাকে অজানা। অ্যান্ড্রয়েডের এমন কিছু গোপন ফিচার নিম্নে দেওয়া হলো-

অ্যাপস ডাউনলোড তালিকা

এ পর্যন্ত কতগুলো অ্যাপস ডাউনলোড করেছেন তা জানার জন্য অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে আছে ফিচার। প্লেস্টোরে গুগল সার্চ-বার ট্যাপ করার পর ‘অ্যাপস এন্ড গেমস’-এর ব্যানারে ‘মাই অ্যাপস’ অপশনে ক্লিক করলে আপনি এ পর্যন্ত যা ডাউনলোড করেছেন তার তালিকা চলে আসবে।

ফোন আনলক


নির্ভরযোগ্য স্থানে আপনার ফোন স্বয়ংত্রিয়ভাবে আনলক করার অপশনও আছে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে। অ্যান্ড্রয়েডের পাঁচ বা তার পরের ভার্সনে এ ফিচারটি আছে। সেটিংস মেন্যুতে গিয়ে সিকিউরিটিতে ক্লিক করলে স্মার্ট লক ফিচারটি আসবে সেখানে আপনি আপনার নির্ভরযোগ্য স্থানগুলো নির্ধারণ করে দিলে জিপিআরএস সিস্টেমের মাধ্যমে আপনার বাড়ি বা অফিসে (যদি এ জায়গাগুলো নির্ভরযোগ্য স্থান হিসেবে সিলেক্ট করা থাকে) লক খোলার জন্য পিন বা পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ডিলিট করা কিছু ফিরে পেতে

ফোনে অনেক নোটিফিকেশনই আসে যা আমরা না পড়েই ডিলিট করে দিই, কিন্তু যদি কোনো নোটিফিকেশন ফিরে পাওয়ার দরকার হয় তাহলে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমের ফোনে খালি স্ত্রিনে চাপ দিয়ে ধরে রাখলে ‘উইগেট’ আসবে, সেখানে ট্যাপ করলে সেটিংস শর্টকাট আসবে, তখন সেটিংস শর্টকাট থেকে নোটিফিকেশন লগ অন করে ডিলিট করা নোটিফিকেশন ফিরে পাওয়া যাবে।

সাইলেন্ট থাকা অবস্থায় ফোন খুঁজে পেতে

সাইলেন্ট অবস্থায় ফোন খুঁজে পাচ্ছেন না এবং অন্য কারো ফোন দিয়ে কল দিলেও তো তখন রিং বাজবে না। তবে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমের একটি ফিচার সক্রিয় করে এ সমস্যা দূর করতে পারেন। ফোনের ব্রাউজারে ‘ফাইন্ড মাই ফোন’ টাইপ করলে রিং, লক ও ইরেজ অপশন পাবেন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোন অপশন চালু করতে পারেন।

জুম করার সুবিধা
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে টেক্সট জুম করা ছাড়াও যেকোন আইকন বা ন্ত্রিন জুম করা যায়। সেটিংস অপশনে গিয়ে ‘ম্যাগনিফিকেশন জেষ্টার্স’এ ট্যাপ করে এই অপশন চালু করা যায়।

কল ও এসএমএস নিয়ন্ত্রণ
অপরিচিত জায়গা থেকে কোন কল বা এসএমএস পেলে বিরক্ত হন?  তাহলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সেটিংস অপশনে ‘সাউন্ড এন্ড নোটিফিকেশন’ অপশনে যান এবং ‘ইন্টারাপশন’ অপশনে গিয়ে যেকোনো কল বা এসএমএস অপশন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

গোপনীয়তা রক্ষা
ফোনের কাছে না থাকলে আপনার কাছে আসা মেসেজ বা অন্য কোনো নোটিফিকেশন কেউ যেন না দেখতে পারে সেজন্য অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে আছে ব্যবস্থা। নোটিফিকেশন গিয়ে ‘হোয়েন ডিভাইজ ইস আনলক্ড’ অপশনটি চালু করুন, তাহলে আপনি ফোন আনলক না করা পর্যন্ত অন্য কেউ নোটিফিকেশন দেখতে পাবে না।

অ্যান্ড্রয়েডের গোপন ফিচার কি আছে জানেন কি ?