আজকে যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তাতে কাজ করার জন্য কোন বিড বা আবেদন করতে হয় না। অর্থাৎ ইচ্ছে করলে এই মূহুর্ত থেকে কাজ শুরু করে দেয়া যায়। আর কাজগুলোও অত্যন্ত সহজ। সাইটটি হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্কারস http://www.microworkers.com .

microworkers কি ?


microworkersপ্রথম দর্শনেই সাইটটিকে সহজবোধ্য মনে হবে। মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই সাইটের কাজগুলো অত্যন্ত ছোট ছোট। এক একটি কাজ করতে ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রতিটি কাজের মূল্য ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৯.৭৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাইটে প্রতিদিনই নতুন নতুন কাজ আসে। এখানে একটি কাজ কেবলমাত্র একবারই করা যায়। আরো জানতে দেখুন http://youtu.be/7leaTTIS4OE মোট আয় ৯ ডলার হলেই চেক, মানিবুকার্স, পেপাল এবং এলার্টপে সার্ভিসের মাধ্যমে উত্তোলন যায়। মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটে একজন ফ্রিল্যান্সারকে Worker এবং এবং একজন ক্লায়েন্টকে Employer হিসেবে উল্লেখ করা হয়। Worker হিসেবে কাজ শুরু করার পূর্বে প্রথমে সাইটে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

কিভাবে একাউন্ট তৈরি করতে হবে জানতে দেখুন http://youtu.be/Y_sk1UmCN_o এরপর মেনু থেকে Available Jobs লিংকে ক্লিক করে সকল কাজগুলো দেখা যাবে। প্রতিটি কাজের শিরোনামের সাথে কয়েকটি তথ্য পাওয়া যায় - কাজের মূল্য (Payment), শতকরা কতজনের কাজ ক্লায়েন্ট গ্রহণ করেছে (Success Rate), কাজটি করতে আনুমানিক কত মিনিট লাগতে পারে (Time), কতজন এ পর্যন্ত কাজটি করছে (Done) ইত্যাদি। কোন একটি কাজের শিরোনামের উপর ক্লিক করে সেই কাজের বিস্তারিত আরো তথ্য জানা যাবে। এর মধ্যে "What is expected from workers?" অংশ থেকে কাজের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যাবে। কাজটি যে আপনি যথাযথভাবে শেষ করেছেন তা প্রমাণ দিতে কি কি তথ্য প্রদান করতে হবে তা "Required proof that task was finished?" অংশের মাধ্যমে জানা যাবে। সবশেষে "I accept this job " লিংকে ক্লিক করে একটি টেক্সটবক্সে আপনার কাজের প্রমাণগুলো দিতে হবে। কোন কাজ করতে না পারলে "Not interested in this job" লিংকে ক্লিক করে বের হয়ে যাওয়াই ভাল, সেক্ষেত্রে এই কাজটি আপনার "Available Jobs" পাতায় আর কখনও দেখাবে না।

কাজের প্রকারভেদ:এবার দেখা যাক সাইটে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর মূল্য সাধারণত কত হয় -

Forums posting ($0.10 - $0.15): এ ধরনের কাজের জন্য কোন একটি ফোরামে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে এবং Signature হিসেবে ক্লায়েন্টের কোন ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে। এরপর ওই ফোরামের এক বা একাধিক পাতায় স্বামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য পোস্ট করতে হবে
Bookmark a page ($0.10 - $0.20): ক্লায়েন্টের কোন একটি সাইটকে অন্য একটি সাইটে বুকমার্ক করতে হবে। এ ধরনের বুকমার্ক সাইটের মধ্যে রয়েছে digg.com, delicious.com বা mixx.com, যা ক্লায়েন্ট কাজের বিবরণীতে উল্লেখ করে দিবে। বুকমার্ক করার পূর্বে ওই সাইটে আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে।
Signup ($0.10 - $0.20): এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় আপনার ইমেইল ঠিকানা দিতে হবে। এ ধরনের কাজ করার জন্য নিজের ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানা দেয়া ঠিক হবে না। এজন্য পৃথক একটি ইমেইল একাউন্ট খুলে সেটি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা উচিৎ। অন্যথায় স্পাম ইমেইলের কারণে আপনার দরকারী ইমেইল খোঁজে পাবেন না।হাতে কলমে কাজ দেখতে পারেন এখানে http://youtu.be/KZyMLQFKrKw
Comment on other blog ($0.10 - $0.15): এই কাজে ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে গিয়ে এক বা একাধিক মন্তব্য দিতে হবে। মন্তব্যগুলো সাধারণত দুই-এক লাইনের হবে এবং ওই ওযেবসাইটের বিষয়বস্তুর সাথে স্বামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে
Download and/or Install ($0.25 - 0.35): এই কাজে কোন সফটওয়্যার শুধুমাত্র ডাউনলোড এবং কোন কোন সময় ইন্সটলও করতে হয়

Click and Search ($0.10 - $0.15): এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি সাইটের লিংক দিবে, যাতে ভিজিট করে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ দিয়ে সার্চ করতে হবে। সব শেষে ক্লায়েন্টের বর্ণনা অনুযায়ী এক বা একাধিক বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে হবে।এটা নিজেই বুঝতে পারবেন।

Facebook ($0.15 - $0.20): এ ধরনের কাজের মধ্যে রয়েছে ক্লায়েন্টকে ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা বা ক্লায়েন্টের Fan হওয়া অথবা কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার Wall এ পোস্ট করা।

Twitter ($0.15 - $0.20): এক্ষেত্রে twitter.com এ একটি একাউন্ট থাকতে হবে এবং ক্লায়েন্টের একাউন্টকে Follow করতে হবে অথবা নিদিষ্ট কোন বিষয়ে পোস্ট করতে হবে।

Write an article ($0.50 - $1.75): মাইক্রোওয়ার্কারসে প্রাপ্ত কাজগুলোর মধ্যে এই ধরনের কাজ অর্থাৎ কোন বিষয়ে ইংরেজীতে আর্টিকেল লিখে সবচেয়ে বেশি আয় করা যায়। লেখাগুলো ৫০ শব্দ থেকে শুরু করে ৫০০ শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে। এ ধরনের কাজে এক দিকে যেমন ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধি পায় তেমনি নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। তবে যাদের ইংরেজীতে লেখায় দক্ষতা আছে তারাই কেবল এ ধরনের কাজ করতে পারে। লেখায় তথ্য সংযোগের জন্য ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে অন্যান্য ওয়েবসাইটের সহায়তা নেয়া যাবে, তবে আপনার লেখাটা অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। লেখা মৌলিক হল কিনা তা www.copyscape.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে।

Blog/Website Owners ($0.25 - $0.80): অনেক সময় শুধু লিখলেই হবে না, লেখাটা আপনার জনপ্রিয় কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এজন্য এধরনের কাজের নামের সাথে PR2+ PR3+, PR4+ ইত্যাদি লেখা দেখতে পাবেন। PR শব্দের মানে হচ্ছে Page Rank, আর PR2+ শব্দের মানে হচ্ছে যেসকল ওয়েবসাইটের পেইজ রেংক ২ বা তার অধিক। এটি গুগলের একটি মানদন্ড যা কোন ওয়েবসাইট কতটুকু জনপ্রিয় তা নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের পেইজ রেংক কত তা www.prchecker.info ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যায়। এ ধরনের কাজ শুরু করার পূর্বে www.blogger.com ওয়েবসাইটে গিয়ে বিনামূল্যে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন। প্রথম অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই পেইজ রেংক শুণ্য থাকবে। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটটিতে বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখেন তাহলে কয়েক মাস পর পেইজ রেংক বাড়তে থাকবে। লেখার পাশাপাশি ভাল রেংকের কয়েকটি ওয়েবসাইটের সাথে লিংক বিনিময় করতে পারলে পেইজ রেংক আরো তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকবে।

Post an Ad on Craigslist ($0.25 - $0.75): www.craigslist.org হচ্ছে শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের প্রদত্ত কোন পণ্যের বিজ্ঞাপণ craigslist.org সাইটে প্রকাশ করতে হয়। এজন্য পূর্বেই সাইটটিতে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

এই সাইটে কাজ করার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলে ঝামেলাপূর্ণভাবে কাজ এড়াতে পারবেন কোন অবস্থাতেই একাধিক একাউন্ট তৈরি করার উচিৎ নয়। একজন ব্যবহারকারী একাধিক একাউন্ট তৈরি করলে তার সবগুলো একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়।একটি নির্দিষ্ট কাজ একবারের বেশি কখনও করতে পারবেন না। তবে একই ধরনের অন্য কাজ করতে কোন বাধা নেই।কাজ না বুঝে কখনও কাজ জমা দিবেন না। প্রতিটি কাজের শেষে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ পছন্দ হলে "Satisfied" দিবে, অথবা অপছন্দ হলে "Not Satisfied" রেটিং দিবে। এই দুই ধরনের রেটিং এর তুলনাকে "Success Rate" বলা হয়।

গত ৩০ দিনে আপনি যদি ৫ টি কাজ সম্পন্ন করেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার "Success Rate" যদি ৭৫% এর নিচে হয়, তাহলে পরবর্তী ১ থেকে ৩০ দিন আপনি আর কোন কাজ করতে পারবেন না। তাই শতভাগ নিশ্চিত হয়ে কোন কাজ করা উচিৎ এবং কাজ শেষে ক্লায়েন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক।কখনও যদি "Success Rate" ৭৫% এর কম হয়ে যায়, তাহলে হতাশ না হয়ে দুই-একদিন অপেক্ষা করে আবার কাজ করা যায় কিনা চেষ্টা করে দেখুন।নতুন ব্যবহারকারীরা প্রথম প্রথম একদিনে সর্বোচ্চ ৫ টি কাজ করতে পারবেন। এরপর ক্লায়েন্টের রেটিং এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ১০ টি কাজ করার পর এই সীমাটি আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে।কখনও যদি মনে করেন আপনি যথাযথভাবে কাজ করেছেন কিন্তু ক্লায়েন্ট আপনাকে "Not Satisfied" রেটিং দিয়েছে তাহলে "Submit a Complain" লিংকের মাধ্যমে আপনার অভিযোগ সাইটের কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।কাজের প্রমাণ হিসেবে কখনও ভূয়া তথ্য প্রদান করবেন না, এ ধরনের কাজ তিনবার করলে একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

যে সকল কাজে IP এড্রেস দিতে হয় সেসব কাজ না করাই ভাল। কারণ আমাদের দেশের ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা গ্রাহকদেরকে শেয়ারকৃত IP এড্রেস দিয়ে থাকে। ফলে আপনার মত একই ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ আছে এরকম কেউ সেই কাজটি পূর্বে করে থাকলে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ গ্রহণ করবে না।

অনলাইনে আয় করুন সবচেয়ে সহজে


যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো গত বছর ৫৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যা তার আগের বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি।

এ খাতে আয় বৃদ্ধির হার আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি বলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসের (পিডব্লিউসি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যাডভার্টাইজিং ব্যুরোর  (আইএবি) জন্য পিডব্লিউসির যুক্তরাষ্ট্র শাখা এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

২০১৪ সালে এ খাতে আয় হয়েছিল ৪৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা তার আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের
আয়ে এই প্রবৃদ্ধিকে ‘ভালো’ বলছেন আইএবির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শেরিল ম্যানে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মন্দার সময় কিছুটা ‘শ্লথ’ থাকলেও ২০০৯ সালের পর থেকে এই খাত ‘অভাবনীয়’ সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে।

টানা ষষ্ঠ বছরের মতো এ খাতে প্রবৃদ্ধি দুই অংকের ঘরে রয়েছে বলে জানান তিনি।

পিডব্লিউসির প্রতিবেদনে ২০১৫ সালে আয় বৃদ্ধির ‘উল্লম্ফনের’ পিছনে মোবাইলের মতো নতুন ডিভাইসগুলোর বড় ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। এখানে আয় আগের বছর থেকে ৬৬ শতাংশ বেড়ে ২০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ডিজিটাল বিজ্ঞাপন খাতে আয়ের প্রায় ৩৫ শতাংশ।

এছাড়া ভিডিও বিজ্ঞাপনে আয় আগের বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেড়ে ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ৫৫ শতাংশ বেড়ে ১০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

অনলাইন জায়ান্ট অ্যালফাবেট ইনকরপোরেটও গত বছর তাদের বিজ্ঞাপনী আয় আগের বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও ভিডিও সাইট ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট অনলাইন বিজ্ঞাপনে আয়ে প্রবৃদ্ধির এই হার আগামী বছর আরও বাড়বে বলে আশা করছে।

“ক্রেতারা ক্রমান্বয়েই ডিজিটাল মিডিয়ার প্রতি আস্থাশীল হচ্ছে। বাজারের পণ্যও এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যেন ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমেই ক্রেতার কাছে তা সহজে পৌঁছানো যায়,” বলেন শেরিল ম্যানে।

অর্থনীতিতে নানা অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও অনলাইন বিজ্ঞাপনের খাতকে ‘সম্ভাবনাময়’ হিসেবে দেখছেন আইএবির গবেষণা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা ম্যানে।

“পরিস্থিতি যদি স্থিতিশীল থাকে এবং অনাকাঙিক্ষত কিছু না ঘটে, তাহলে ২০১৬ সালেও এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, এমনটাই ধরে নেওয়া যায়,” বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইন বিজ্ঞাপনে আয় বেড়েছে ২০%

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হ্যাকাররা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ৮ কোটি মার্কিন ডলার হাতিয়ে নেয়। বিশ্বে এখন পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে বড় ব্যাংক হ্যাকিং এর ঘটনা।  দূর্বল হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক আর নিরাপত্তা সফটওয়্যারের কারণেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এমন ঘটনা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।সম্প্রতি তদন্তকারী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  দূর্বল হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক আর নিরাপত্তা সফটওয়্যারের কারণেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে হ্যাকাররা এত বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ব্যাংকটির কোনো ফায়ারওয়াল নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না এবং তাদের ব্যবহার করা রাউটারগুলো ছিল পুরনো ব্যবহৃত রাউটার, যেগুলো দিয়ে বৈশ্বিক আর্থিক নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে প্রতিটিতে খরচ হয় মাত্র ১০ ডলার।



চুরির তদন্তে বাংলাদেশের হয়ে কাজ করা তদন্তকারী মোহাম্মাদ শাহ আলম রয়টার্সকে জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য ৫ হাজার কম্পিউটার রয়েছে, আর সুইফট রুমটি ১২ ফুট বাই ৮ ফুট। ৪টি মনিটর এবং ৪টি সার্ভার রয়েছে এই রুমে। আর আগের দিনের সকল লেনদেনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই রুমে প্রিন্ট হয়ে যায়। আর সুইফট সুবিধা বাকি নেটওয়ার্কগুলকে আলাদা করে দিতে পারে। এই রুমের নিরাপত্তার জন্য ব্যাংকের আর সচেতন হওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন,  ফায়ারওয়াল হ্যাকারদের এই হ্যাকের চেষ্টাগুলোকে আরও ‘কঠিন’ করে দিতে পারত। ‘সেকেন্ড-হ্যান্ড’ রাউটারগুলো তদন্তেও ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে কারণ, হ্যাকার এবং তাদের কার্যপদ্ধতি বের করার ক্ষেত্রে এগুলো থেকে খুব সামান্যই নেটওয়ার্ক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান 'অপ্টিভ' এর পরামর্শক জেফ উইচম্যান রয়টার্সকে বলেন, 'আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে কথা বলছেন যাদের কোটি কোটি ডলার রয়েছে কিন্তু তারা নিরাপত্তা সতর্কতার কোনো ধরনের মৌলিক পদক্ষেপই নিচ্ছে না।'

চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে হ্যাকাররা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে। তারা ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অফ নিউ ইয়র্ক-এ বিশেষভাবে প্রবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থ অন্যান্য ব্যাংকে স্থানান্তর করে।

বিনা ফায়ারওয়াল এবং ১০ ডলারের রাউটার, ফলাফল বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকিং


Network Scope 2G, 3G
Battery Type & Performance Lithium-ion 1850 mAh
Body & Weight 132 x 66 x 9.1 millimeter, 132 grams
Camera Factors (Back) LED flash, autofocus, BSI, auto face recognition, digital zoom, face beauty, HDR, panorama mode
Camera Resolution (Back) 5 Megapixel
Camera Resolution (Front) 2 Megapixel (face beauty, 480p video)
Colors Available Sky Blue, Pure White, Metallic Black
Display Size & Resolution 4.5 inches, FWVGA 854 x 480 pixels

Display Type IPS + OGS Touchscreen with corning gorilla glass protection
Graphics processing unit (GPU) Mail 400
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB
Operating System Android Lollipop v5.1
Processor Quad-core, 1.3 GHz
RAM 1 GB
ROM 16 GB
Release Date April 2016
Sensors Accelerometer (3D), proximity, light, orientation, magnetic field (compass)
SIM Card Type Dual SIM (dual stand-by, 3G support in both SIM slots)
USB MicroUSB v2.0
Video Recording - HD (720p) / Recording
- Full HD (1080p) / Playback
Wireless LAN Yes, Wi-Fi hotspot
Special Features - DTS sound system, smart gesture, double tap to wake, children mode
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker, OTA

Walton Primo GH5 Mini.Price in Bangladesh: 5,690 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G (LTE)
Battery Type & Performance Lithium-Polymer 2850 mAh (non-removable)
Body & Weight 151.8 x 74.3 x 6.6 millimeter, 145 grams
Camera Factors (Back) Phase detection autofocus, LED flash, f/2.2 aperture, auto face detection, HDR, panorama mode
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 16 Megapixel (f/2.0, 4x incoming light, 1/3.1 inch image sensor, beautify 4.0, selfie panorama)
Chipset Mediatek Helio P10
Colors Available Gold, Rose Gold

Display Size & Resolution 5.5 inches, Full HD 1080 x 1920 pixels (401 ppi)
Display Type AMOLED Touchscreen with Corning Gorilla Glass 4 protection
Graphics processing unit (GPU) Mali-T860 MP2
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB (uses SIM 2 slot)
Operating System Android Lollipop v5.1 (Color OS 3.0)
Processor Octa-core, 2.0 GHz
RAM 4 GB
ROM 64 GB
Release Date March 2016
Sensors Accelerometer, proximity, compass, fingerprint
SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0, USB-on-the-go (OTG)
Video Recording Full HD (1080p)
Wireless LAN Yes, WLAN Hotspot, WiFi Direct
Special Features Fast battery charging (VOOC flash charge), fingerprint lock/unlock
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker

Oppo F1 Plus..Price in Bangladesh: 35.900 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2050 mAh (Non-removable)
Stand-by: up to 340 hours
Talk-time: up to 10 hours
Body & Weight 142 x 71.8 x 7.4 millimeter, 150 gram
Camera Factors (Back) Autofocus LED flash, 1/3" sensor size, auto face detection, panorama mode, HDR
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 8 Megapixel (Full HD video, 1080p)

Chipset Qualcomm Snapdragon 410
Colors Available Black, Gold
Display Size & Resolution 5.0 inches, HD 1280 x 720 pixels, 294 ppi
Display Type IPS LCD Touchscreen with Corning Gorilla Glass 3 protection
Graphic Processing Unit (GPU) Adreno 306
Memory Card (External Slot) Expandable up to 32 GB (dedicated slot)
Operating System Android Lollipop v5.1.1
Processor Quad-core, 1.2 GHz
RAM 1.5 GB
ROM 16 GB
Release Date October 2015
Sensors Accelerometer, proximity, compass
SIM Card Type Single SIM (Nano-SIM)
USB MicroUSB v2.0
Video Recording Full HD, 1080p (1920 x 1080 pixels)
Wireless LAN Yes, WiFi Direct, Wi-Fi Hotspot, DLNA
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge

LG Class..Price in Bangladesh: 21,900 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2125 mAh (removable)
Stand-by: -
Talk-time: -
Body & Weight 143.6 x 72.5 x 9.1 millimeter, 161 grams
Camera Factors (Back) Autofocus LED flash, fauto face detection
Camera Resolution (Back) 8 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel
Chipset Qualcomm Snapdragon 210

Colors Available Black, White, Gold, Titan
Display Size & Resolution 5.0 inches, FWVGA 480 x 854 pixels (196 ppi)
Display Type IPS LCD Touchscreen
Graphic Processing Unit (GPU) Adreno 304
Memory Card (External Slot) Expandable up to 32 GB (dedicated slot)
Operating System Android Lollipop v5.1
Processor Quad-core, 1.1 GHz
RAM 1.5 GB
ROM 8/16 GB
Release Date February 2016
Sensors Accelerometer, proximity
SIM Card Type Single SIM (Micro-SIM) or Dual SIM (Micro-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video Recording HD, 720p
Wireless LAN Yes, WiFi Direct, Wi-Fi Hotspot
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge

LG K7..Price in Bangladesh: 10,700 Tk.


ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাব - ইত্যাদি সকল স্মার্ট ডিভাইসের সাথে সাথে যেন ওয়াই-ফাই কানেকশনও আজকাল আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই অতি প্রয়োজনীয় ওয়াই-ফাই সিগন্যালই মাঝে মধ্যে অনেকের কিছুটা ধীর গতির মনে হয়, যেন যেরকম স্পিড পাওয়ার কথা সচরাচর, সেরকমটা পাওয়া যায়না আর এমন হলে সত্যিই খুব বিরক্ত লাগে। সত্যি কথা বলতে অনেক কারণ কাজ করতে পারে ওয়াই-ফাই সিগন্যালের এই ধীর গতির পেছনে। কিন্তু তার মধ্যে  থেকেও সহজ কিছু কারণ যেগুলো আমরা অনেকেই খুব সহজ দেখে খেয়াল করিনা সেই সকল কারণগুলো আজ আপনাদের সামনে সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করব যাতে করে কিছুটা হলেও আমরা এই ধীর গতির সিগন্যাল সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারি।



১। রাউটারের পজিশন বদলান - অনেকেই রাউটারের প্লেসমেন্ট নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না, কিন্তু জেনে অবাক হবেন যে সামান্যতম জায়গা বদল করেও আপনি আপনার রাউটারটি থেকে বেশ ভালো পারফর্মেন্স পেতে পারেন। রাউটারের প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ। যেমন -





উচ্চতা - রাউটার যত উপরে রাখবেন ঠিক ততটাই রাউটারটি তার রেডিও ওয়েভগুলো সর্বোচ্চভাবে ব্রডকাস্ট করতে সক্ষম হবে! তাই সম্ভব হলে রুমের সবচাইতে উঁচু স্থানে রাউটারটি রাখা উচিৎ।
কনক্রিট এবং মেটাল - কনক্রিট এবং মেটালের মত ম্যাটারিয়ালগুলো ওয়াই-ফাই এর ওয়েভেকে বাঁধা দিয়ে থাকে! তবে শুধু যে এই দুটি ম্যাটারিয়ালই রেডিও ওয়েভকে বাঁধা প্রদান করে তা কিন্তু নয় বরং এই জাতিয় অনেক ম্যাটারিয়ালের তৈরি বস্তুও একই ভাবে সিগন্যালকে বাঁধাগ্রস্ত করতে সক্ষম, যেমন ধরুন - ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সমূহ! তাই রাউটারটি রাখার সময় এমন একটি স্থানে রাখা উচিৎ যেন রাউটারটির আশেপাশে এরকম কোন কিছু না থাকে।
দূরত্ব - রাউটার থেকে আপনি যত দূরে যাবেন আপনার ডিভাইসে উক্ত রাউটারের সিগন্যালটি ততটাই দুর্বল হয়ে যাবে। তাই চেষ্টা করবেন রাউটারটি আপনার রুম বা ফ্ল্যাটের ঠিক মাঝখানে রাখার জন্য যাতে করে সম্পূর্ণ এরিয়াটি রাউটারটি কভার করতে পারে।




২। ওয়্যারলেস ইন্টারফেরেন্স এবং নয়েজ - আপনি কি জানেন যে আপনার চারপাশে বিভিন্ন রকম ওয়্যারলেস সিগন্যাল রয়েছে? কীভাবে? যেমন ধরুন - ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সমূহ, ওয়াই-ফাই রাউটার সমূহ, স্যাটেলাইট, সেল টাওয়ার এবং আরও ইত্যাদি! এসকল ওয়্যারলেস ইন্টারফেস এবং এদের দ্বারা সৃষ্ট এই নয়েজগুলোও কিন্তু আপনার ওয়াই-ফাই স্পিডকে কিছুটা হলেও কমাতে সম্ভব! বুঝতে পারছেন না?? আচ্ছা, কিছুটা বিস্তারিতই জানা যাক চলুন।





মাইক্রোওয়েভ - আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ইন্টারফেরেন্স সৃষ্টি করতে যে আপনার ঘরে থাকা মাইক্রোওয়েভ ওভেনই যথেষ্ট তা কি আপনার জানা আছে? এই সমস্যাটি আরও বেশি হয়ে থাকে পুরাতন রাউটারগুলোর সাথে। কেননা, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ২.৪৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে থাকে যা ২.৪ গিগাহার্জের ওয়াই-ফাই ব্যান্ডের খুবই কাছাকাছি!
বেশীরভাগ মাইক্রোওয়েভ ওভেন এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন এর ওয়েভগুলো বাইরে ডিটেক্ট করা না যায় তবে যদি কোন ডিভাইসে ফলটি অথবা নিম্নমানের শিল্ড থাকে তবে সেটি খুব সহজেই আপনার ওয়াই-ফাই সিগন্যালে ইন্টারফেরেন্স তৈরি করতে সম্ভব!

ব্লুটুথ ডিভাইস - ব্লুটুথ প্রযুক্তিও অপারেট হয়ে থাকে ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে! বাকীটা বুঝতেই পারছেন নিশ্চয়ই? তাই, ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোও আপনার ওয়াই-ফাই সিগন্যালকে দুর্বল করে তুলতে পারে।
ক্রিসমাস লাইট - অদ্ভুত হলেও সত্যি যে ক্রিসমাস লাইটগুলো আপনার ওয়াই-ফাই ব্যান্ডে ইন্টার-ফেয়ার করতে সক্ষম, কেননা প্রতিটি লাইটই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে থাকে। স্লো ওয়াই-ফাই কানেকশন সমস্যার সহজ কিছু সমাধান

Submitted by আবির হাসান on Thu, 21/04/2016 - 9:59pm

ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাব - ইত্যাদি সকল স্মার্ট ডিভাইসের সাথে সাথে যেন ওয়াই-ফাই কানেকশনও আজকাল আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই অতি প্রয়োজনীয় ওয়াই-ফাই সিগন্যালই মাঝে মধ্যে অনেকের কিছুটা ধীর গতির মনে হয়, যেন যেরকম স্পিড পাওয়ার কথা সচরাচর, সেরকমটা পাওয়া যায়না আর এমন হলে সত্যিই খুব বিরক্ত লাগে। সত্যি কথা বলতে অনেক কারণ কাজ করতে পারে ওয়াই-ফাই সিগন্যালের এই ধীর গতির পেছনে। কিন্তু তার মধ্যে  থেকেও সহজ কিছু কারণ যেগুলো আমরা অনেকেই খুব সহজ দেখে খেয়াল করিনা সেই সকল কারণগুলো আজ আপনাদের সামনে সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করব যাতে করে কিছুটা হলেও আমরা এই ধীর গতির সিগন্যাল সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারি।



১। রাউটারের পজিশন বদলান - অনেকেই রাউটারের প্লেসমেন্ট নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না, কিন্তু জেনে অবাক হবেন যে সামান্যতম জায়গা বদল করেও আপনি আপনার রাউটারটি থেকে বেশ ভালো পারফর্মেন্স পেতে পারেন। রাউটারের প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ। যেমন -






উচ্চতা - রাউটার যত উপরে রাখবেন ঠিক ততটাই রাউটারটি তার রেডিও ওয়েভগুলো সর্বোচ্চভাবে ব্রডকাস্ট করতে সক্ষম হবে! তাই সম্ভব হলে রুমের সবচাইতে উঁচু স্থানে রাউটারটি রাখা উচিৎ।
কনক্রিট এবং মেটাল - কনক্রিট এবং মেটালের মত ম্যাটারিয়ালগুলো ওয়াই-ফাই এর ওয়েভেকে বাঁধা দিয়ে থাকে! তবে শুধু যে এই দুটি ম্যাটারিয়ালই রেডিও ওয়েভকে বাঁধা প্রদান করে তা কিন্তু নয় বরং এই জাতিয় অনেক ম্যাটারিয়ালের তৈরি বস্তুও একই ভাবে সিগন্যালকে বাঁধাগ্রস্ত করতে সক্ষম, যেমন ধরুন - ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সমূহ! তাই রাউটারটি রাখার সময় এমন একটি স্থানে রাখা উচিৎ যেন রাউটারটির আশেপাশে এরকম কোন কিছু না থাকে।
দূরত্ব - রাউটার থেকে আপনি যত দূরে যাবেন আপনার ডিভাইসে উক্ত রাউটারের সিগন্যালটি ততটাই দুর্বল হয়ে যাবে। তাই চেষ্টা করবেন রাউটারটি আপনার রুম বা ফ্ল্যাটের ঠিক মাঝখানে রাখার জন্য যাতে করে সম্পূর্ণ এরিয়াটি রাউটারটি কভার করতে পারে।




২। ওয়্যারলেস ইন্টারফেরেন্স এবং নয়েজ - আপনি কি জানেন যে আপনার চারপাশে বিভিন্ন রকম ওয়্যারলেস সিগন্যাল রয়েছে? কীভাবে? যেমন ধরুন - ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সমূহ, ওয়াই-ফাই রাউটার সমূহ, স্যাটেলাইট, সেল টাওয়ার এবং আরও ইত্যাদি! এসকল ওয়্যারলেস ইন্টারফেস এবং এদের দ্বারা সৃষ্ট এই নয়েজগুলোও কিন্তু আপনার ওয়াই-ফাই স্পিডকে কিছুটা হলেও কমাতে সম্ভব! বুঝতে পারছেন না?? আচ্ছা, কিছুটা বিস্তারিতই জানা যাক চলুন।





মাইক্রোওয়েভ - আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ইন্টারফেরেন্স সৃষ্টি করতে যে আপনার ঘরে থাকা মাইক্রোওয়েভ ওভেনই যথেষ্ট তা কি আপনার জানা আছে? এই সমস্যাটি আরও বেশি হয়ে থাকে পুরাতন রাউটারগুলোর সাথে। কেননা, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ২.৪৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে থাকে যা ২.৪ গিগাহার্জের ওয়াই-ফাই ব্যান্ডের খুবই কাছাকাছি!
বেশীরভাগ মাইক্রোওয়েভ ওভেন এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন এর ওয়েভগুলো বাইরে ডিটেক্ট করা না যায় তবে যদি কোন ডিভাইসে ফলটি অথবা নিম্নমানের শিল্ড থাকে তবে সেটি খুব সহজেই আপনার ওয়াই-ফাই সিগন্যালে ইন্টারফেরেন্স তৈরি করতে সম্ভব!

ব্লুটুথ ডিভাইস - ব্লুটুথ প্রযুক্তিও অপারেট হয়ে থাকে ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে! বাকীটা বুঝতেই পারছেন নিশ্চয়ই? তাই, ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোও আপনার ওয়াই-ফাই সিগন্যালকে দুর্বল করে তুলতে পারে।
ক্রিসমাস লাইট - অদ্ভুত হলেও সত্যি যে ক্রিসমাস লাইটগুলো আপনার ওয়াই-ফাই ব্যান্ডে ইন্টার-ফেয়ার করতে সক্ষম, কেননা প্রতিটি লাইটই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে থাকে।








৩। আপনার প্রতিবেশী - আপনার আশে পাশে সবাই নিশ্চয়ই রাউটার ব্যাবহার করে থাকে, তাই না? আর একারণে অনেকগুলো রাউটার প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে থাকার ফলে চ্যানেল ওভারল্যাপের সৃষ্টি হতে পারে। আর এভাবেই প্রতিবেশীদের রাউটারের কারণে আপনার ওয়াই-ফাই ব্যান্ড কিছুটা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এছাড়াও এমন যদি কেউ থেকে থাকে আপনার প্রতিবেশীদের মধ্যে যে আপনার ওয়াই-ফাই সেবা কোনভাবে আপনাকে না বলেই উপভোগ করছে তবে আপনার রাউটার সেটিংসের দিকে আপনার লক্ষ্য রাখাটাই শ্রেয় হবে বলে অন্তত আমি মনে করি!



৪। আপনার কম্পিউটারটিতে ভালো করে খেয়াল করে দেখুন - এরকম হতেই পারে যে আপনি টরেন্টে অনেক কিছু ডাউনলোড কিউইতে রেখে দিয়েছেন এবং আপনার হয়ত খেয়াল নেই আর এভাবেই আপনার ওয়াই-ফাই এর স্পিড কমে যাচ্ছে! এছাড়াও আপনি টাস্ক ম্যানেজার থেকে রানিং থাকা প্রতিটি অ্যাপলিকেশনেও চেক করে দেখতে পারেন যে ব্যাক গ্রাউন্ডে কোন অ্যাপ বা সফটওয়্যার প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ টেনে নিচ্ছে কিনা!!

স্লো ওয়াই-ফাই কানেকশন সমস্যার সহজ কিছু সমাধান

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক বুধবার মেসেঞ্জারে বিনামুল্যে গ্রুপ কল করার সুবিধার ঘোষণা দেয় । অ্যানড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীরা ফিচারটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পেয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক বুধবার মেসেঞ্জারে বিনামুল্যে গ্রুপ কল করার সুবিধার ঘোষণা দেয় । অ্যানড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীরা ফিচারটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পেয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।


সুবিধাটি উপভোগ করতে চাইলে চ্যাটবক্সের পাশের ফোন আইকনে চাপ দিতে হবে এবং কোন কোন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে চান, তাদের সিলেক্ট করে ডায়াল বাটনে ক্লিক করতে হবে। আর সবাই কল রিসিভ করার সাথে সাথে গ্রুপ কনভারসেশন শুরু করা যাবে। একটি গ্রুপ কলে সর্বোচ্চ ৫০ জন পর্যন্ত অংশ নিতে পারবে।

ধারণা করা হচ্ছে, এই গ্রুপ কলের সুবিধা তৈরি হওয়ার পর গুগল হ্যাংআউট, মাইক্রোসফট স্কাইপে কিংবা স্ল্যাকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে।  

কল করা যাবে বিনামুল্যে ফেসবুক মেসেঞ্জারে

মাই ড্রাইভার্স সম্প্রতি এক পোস্টে দাবী করে, স্মার্টফোনটি মেটাল বডিসহ স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসরে বাজারে আসবে।


৬.৪ ইঞ্চি ডিসপ্লেযুক্ত নতুন ফ্যাবলেট নিয়ে কাজ করছে চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শাওমি। সম্প্রতি অনলাইনে ছবি ফাঁস হওয়া ম্যাক্স নামের স্মার্টফোনটিতে চিকন বেজেল থাকতে পারে।


সংবাদমাধ্যম অ্যান্ড্রয়েড সেন্ট্রালের তথ্যানুসারে, রেডমি নোট ৩-এর মতো স্মার্টফোনটিতে একটি রিয়ার ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার থাকতে পারে। মাই ড্রাইভার্স সম্প্রতি এক পোস্টে দাবী করে, স্মার্টফোনটি মেটাল বডিসহ স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসরে বাজারে আসবে। তবে শাওমি ডিভাইসটির ব্যাপারে কোন তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে অ্যান্ড্রয়েয সেন্ট্রালের মতে, স্মার্টফোনটি আগামী মাসেই জনসম্মুখে উন্মোচিত হতে পারে।

আগামী মাসে উন্মোচিত হতে পারে শাওমি ম্যাক্স

বেশিরভাগ মানুষই ক্লাউড স্টোরেজ থেকে খুব বেশি একটা সুবিধা নেন না। অথচ সার্ভিসগুলোতে গ্রাহকদের জন্য অনেক ধরণের সুবিধা থাকে। আর সুবিধা না গ্রহণ করার তালিকায় যদি আপনি থাকেন তবে এই প্রতিবেদনটি আপনাকে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো বলবে।



ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসগুলো এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স থেকে শুরু করে মাইক্রোসফটের ওয়ানড্রাইভসহ অনলাইনে এখন প্রচুর ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এসব ক্লাউড স্টোরেজে নিজের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি স্টোর করে রাখতে পারবেন আপনি।

তবে এটি এতোটা জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও বেশিরভাগ মানুষই ক্লাউড স্টোরেজ থেকে খুব বেশি একটা সুবিধা নেন না। অথচ সার্ভিসগুলোতে গ্রাহকদের জন্য অনেক ধরণের সুবিধা থাকে। আর সুবিধা না গ্রহণ করার তালিকায় যদি আপনি থাকেন তবে এই প্রতিবেদনটি আপনাকে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো বলবে।

১. ফাইলের অস্তিত্বের নিশ্চয়তা ১০০ শতাংশ

আপনি যে ক্লাউড স্টোরেজটিই ব্যবহার করুন না কেন, আপনি একেবারে ঝুট-ঝামেলা ছাড়া নিখাদ কয়েক গিগাবাইটের স্টোরেজ বিনামূল্যে পাবেন। সুতরাং কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সহজেই ক্লাউড স্টোরেজে আপলোড করে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন আপনি। কারণ এটি হারানোর ভয় একদমই নেই।

২. কোন কিছু পরিশোধ করার প্রয়োজন নেই

ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসে পেইড অ্যাকাউন্ট থাকলেও মোটামুটি সবকটিতেই ফ্রি-লেভেল অ্যাকাউন্ট থাকে। এই ফ্রি অ্যকাউন্টে ২-১৫ জিবির মতো ফ্রি ক্লাউড স্টোরেজ থাকে। সুতরাং কোন ধরণের টাকা ছাড়াই যদি এতোগুলো স্টোরেজ আপনি পান তবে এগুলো ব্যবহার থেকে বঞ্চিত থাকবেন কেন?

৩. যে কোথাও ফাইলগুলো পাওয়া যাবে

ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গুরুত্বপূর্ণ ফাইগুলো নিয়ে সবখানে আপনাকে বয়ে বেড়ানো লাগবে না। আপনি শুধু ক্লাউড স্টোরেজে লগইন করে ফাইলগুলো পেয়ে যেতে পারবেন। আর তার জন্য আপনার একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে।

৪. ঠিক সময়ে সহযোগিতা

বেশিরভাগ ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসই সঠিক সময়ে তথ্য দিয়ে আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আপনি শুধুমাত্র একটি ফাইল আপলোড দিয়েই অন্য ইউজারদের ইনভাইট করতে পারেন। অর্থাৎ, ঐ নির্দিষ্ট ফাইল নিয়ে অন্য ইউজারদের ইনভাইটের মাধ্যমে তাদের সাথে কাজ করতে পারবেন আপনি। ফাইলে কোন ধরণের পরিবর্তন হলে সবার কাছে ঐ পরিবর্তনটি সাথে সাথে চলে যাবে।

৫. অ্যাকসেস কন্ট্রোল সেটিংসহ খুব সহজে ফাইল শেয়ারিং

ক্লাউজ স্টোরেজে আপলোড করা ফাইল যেকোন সময় যত খুশি তত ইউজারের সাথে শেয়ার করতে পারবেন আপনি। তাছাড়া কোন ইউজার কী দেখবে, এডিট করবে বা ডাউনলোড করবে তাও ঠিক করতে পারবেন আপনি।

৫টি কারণে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করা উচিত আপনার


Network Scope 2G, 3G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2000 mAh
Body & Weight 135 x 66 x 9.5 millimeter, 116 grams
Camera Factors (Back) LED flash
Camera Resolution (Back) 2 Megapixel
Camera Resolution (Front) 0.3 Megapixel (VGA)

Chipset -
Colors Available Black, White, Sea Grean, Golden
Display Size & Resolution 4.5 inches, FWVGA 854 x 480 Pixels
Display Type Touchscreen
Graphics processing unit (GPU) Mali 400
Memory Card Slot MicroSD, up to 32 GB
Operating System Android Lollipop v5.1
Processor Quad-core, 1.2 GHz
RAM 1 GB
ROM 8 GB
Release Date March 2016
Sensors Accelerometer, gravity
SIM Card Type Dual SIM (dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video Recording HD (720p)
Wireless LAN Yes, Wi-Fi hotspot
Special Features - Wireless Display
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker, OTA

Walton Primo E7+.Price in Bangladesh: 4,550 Tk.


ইন্টারনেটে গোপনে গড়ে উঠেছে বিশাল এক হ্যাকারের বাজার। আন্ডারগ্রাউন্ড ওই বাজারে কম দামে ভাড়া পাওয়া যায় হ্যাকার। এ হ্যাকাররা কম খরচে ভাড়ায় হ্যাক করে দিতে পারে ই-মেইলসহ গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্ট। সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ডেল আন্ডারগ্রাউন্ড হ্যাকার মার্কেটস রিপোর্ট নামের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে আন্ডারগ্রাউন্ডের ওই হ্যাকার বাজার সম্পর্কে তথ্য উঠে এসেছে।



আন্ডারগ্রাউন্ড হ্যাকার মার্কেটপ্লেসের বর্তমান ট্রেন্ড বিবেচনায় ধরে ডেল সিকিউর ওয়ার্কসের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডার্ক ওয়েবের জগতে ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় বার্ষিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হ্যাকাররা ব্যবসা বাড়াচ্ছে। নিজেকে সৎ, বিশ্বাসযোগ্য ও পেশাদার বিশেষ তুলে ধরতে বিজ্ঞাপনও দিচ্ছে। ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ সামগ্রী ও সেবা সাশ্রয়ী খরচে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

৫ এপ্রিল ডেলের প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির সিসকো ইনটেল টিম নামের দুটি বিশেষজ্ঞ দলের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস ও ফোরামের হ্যাকারদের তথ্য সংগ্রহ করেন।

ডেলের গবেষণায় দেখা গেছে, কারও ই-মেইল হ্যাক করার বা ডিজিটাল পরিচয় বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রে খরচ কমিয়ে দিচ্ছে হ্যাকাররা। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টসংক্রান্ত তথ্য, পাসপোর্ট, সামাজিক যোগাযোগের প্রোফাইল হ্যাকিংসহ অন্যান্য সেবা হ্যাকিংয়ের খরচ বাড়াচ্ছে তারা।

ডেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, অন্যান্য বাজারের মতো হ্যাকিংয়ের বাজারও চাহিদা ও সরবরাহের ওপর দাম বাড়া-কমার বিষয়টি নির্ভর করে। হ্যাকার ভাড়া থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেনের পুরো বিষয়টি অনলাইনে সম্পন্ন হয়।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের ব্যক্তিগত কোনো ই-মেইল অ্যাকাউন্ট, জিমেইল, ইয়াহু, হটমেইল প্রভৃতি হ্যাক করতে ১২৯ মার্কিন ডলার করে দাবি করে হ্যাকাররা। করপোরেট মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে দাবি করে ৫০০ ডলার। রাশিয়ান ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে দাবি করে ৬৫ থেকে ১০৫ ডলার। কোনো কম্পিউটার ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা হ্যাক করতে দাবি করে ৯০ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোনো ব্যক্তির ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে দাবি করে ১২৯ ডলার। এদিকে রিমোট অ্যাকসেস ট্রোজান (র‍্যাট) নামের ক্ষতিকর সফটওয়্যার বিক্রি করে মাত্র পাঁচ থেকে ১০ ডলারে। এ ক্ষতিকর সফটওয়্যার ব্যবহার করে দূর থেকে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। ডিডস আক্রমণে ঘণ্টাপ্রতি অর্থ দাবি করে তারা। ঘণ্টা, দিন বা সপ্তাহ ধরে খরচ পরে পাঁচ থেকে ৫৫৫ মার্কিন ডলার পর্যন্ত। হ্যাকিং শেখার টিউটোরিয়াল ২০ থেকে ৪০ মার্কিন ডলারে কেনা-বেচা হয়।

ডেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ বছর আন্ডারগ্রাউন্ড বাজারে এটিএম স্কিমার নামের একটি যন্ত্রের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। যন্ত্রটি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ থেকে গোপন ইলেকট্রনিকসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে নিতে পারে। নতুন থ্রিডি প্রিন্টেড সংস্করণসহ এ ধরনের যন্ত্রের দাম ১ হাজার ৭৭৫ মার্কিন ডলার।

গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয় হ্যাকাররা। গ্রাহক সন্তুষ্টির জন্য পরীক্ষামূলক হ্যাকিং বা সক্ষমতা প্রমাণের জন্য ঘণ্টাভিত্তিক কাজেও রাজি হয় তারা। অনেক সময় ২৪ ঘণ্টা গ্রাহকসেবার প্রতিশ্রুত দেয় তারা।

রমরমা হ্যাকারের বিশাল বাজার


Network Scope 2G, 3G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2000 mAh
Body & Weight 145 x 73.14 x 9.7 millimeter, 176 grams
Camera Factors (Back) LED flash, autofocus, BSI, auto face recognition, smile shot, face beauty, HDR, panorama mode
Camera Resolution (Back) 8 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel (BSI; HDR, face detection, wide angle selfie, face beauty, HD video)

Colors Available Golden, Space Grey
Display Size & Resolution 5.0 inches, HD 1280 x 720 Pixels
Display Type IPS Touchscreen with Corning Gorilla Glass protection
Graphics processing unit (GPU) Mail 400
Memory Card Slot MicroSD, up to 64 GB
Operating System Android Marshmallow v6.0
Processor Quad-core, 1.3 GHz
RAM 1 GB
ROM 8 GB
Release Date April 2016
Sensors Gravity, proximity, light (brightness)
SIM Card Type Dual SIM (Micro + Mini SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0, USB-on-the-go (OTG)
Video Recording Full HD (1080p)
Wireless LAN Yes, Wi-Fi hotspot
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker, OTA

Walton Primo GH6.Price in Bangladesh: 6,290 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2000 mAh (removable)
Stand-by: up to 624 hours
Talk-time: up to 16 hours
Wi-Fi-time: up to 10 hours
Body & Weight 142 x 70.9 x 6.9 millimeter, 122 grams
Camera Factors (Back) LED flash, autofocus, f/2.2 aperture, 28mm, 1/4 inch sensor size
Camera Resolution (Back) 8 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel, f/2.2, HD (720p) video

Chipset Qualcomm Snapdragon 212
Colors Available Black, white
Display Resolution 5.0 inches, HD 1280 x 720 pixel (297 ppi)
Display Type OLED Touchscreen with Corning Gorilla Glass 3 protection, ClearBlack display
Graphics Processing Unit (GPU) Adreno 304
Memory Card Slot MicroSD, up to 200 GB (dedicated slot)
Operating System Microsoft Windows 10
Processor Quad-core, 1.3 GHz
RAM 1 GB
ROM 16 GB
Release Date February 2016
Sensors Accelerometer, proximity
SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video HD (720p)
Wireless LAN Yes, Wi-Fi hotspot
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker, HTML5

Microsoft Lumia 650..Price in Bangladesh: 19,500 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-polymer 4000 mAh
Stand-by time: -
Talk-time: -
Body & Weight 143.1 x 71.8 x 9.7 millimeter, 160 grams
Camera Factors (Back) Autofocus, LED flash, f/2.0 aperture, 28mm, HDR, auto face recognition, panorama mode
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel, f/2.2

Chipset Mediatek MT6735P
Colors Available Gray, Gold, White
Display Size & Resolution 5.0 inches, HD 720 x 1280 pixels (294 ppi)
Display Type IPS LCD Touchscreen
Graphics Processing Unite (GPU) Mali-T720 MP2
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB (dedicated slot)
Operating System Android Lollipop v5.1.1
Processor Quad-core, 1.3 GHz
RAM 2 GB
ROM 16 GB
Release Date October 2015
Sensors Accelerometer, proximity
SIM Card Type Dual SIM (Micro-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video Recording Full HD (1080p)
Wireless LAN Yes, Wi-Fi Direct, hotspot
Special Features - HUAWEI EMUI 3.1, fast battery charging
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Loudspeaker, Multitouch

Huawei Y6 Pro.Price in Bangladesh: 15,990 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-ion 2300 mAh (removable)
Stand-by: -
Talk-time: -
Body & Weight 146 x 74.8 x 8.8 millimeter, 142 gram
Camera Factors (Back) Autofocus LED flash, f/2.2, auto face detection, panorama mode
Camera Resolution (Back) 13/8 Megapixel
Camera Resolution (Front) 8/5 Megapixel
Chipset Qualcomm Snapdragon 410 / Mediatek MT6753

Colors Available Black, White, Gold
Display Size & Resolution 5.3 inches, 1280 x 720 pixels (HD), 277 ppi
Display Type IPS LCD Touchscreen with Corning Gorilla Glass 3 protection
Graphic Processing Unit (GPU) Adreno 306 / Mali-T720 MP3
Memory Card (External Slot) Expandable up to 32 GB (dedicated slot)
Operating System Android Lollipop v5.1.1 / Android Marshmallow v6.0
Processor Quad-core, 1.2 GHz
RAM 1/1.5 GB
ROM 16 GB
Release Date January 2016
Sensors Accelerometer, proximity
SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0
Video Recording Full HD, 1080p (1920 x 1080 pixels)
Wireless LAN Yes, WiFi Direct, Wi-Fi Hotspot, dual-band
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge

LG K10..Price in Bangladesh: 14,800 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Li-Ion 2600 mAh (removable)
Stand-by time: up to 349 hours
Talk-time: up to 22 hours
Body & Weight 142.3 x 71 x 7.9 millimeter, 138 grams
Camera Factors (Back) CMOS, autofocus, LED flash

Camera Resolution (Back) 8 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel, CMOS
Chipset Spreadtrum SC8830
Colors Available White, Black, Gold
Display Size & Resolution 5.0 inches, HD 720 x 1280 pixels (294 ppi)
Display Type Super AMOLED Touchscreen
Graphics Processing Unit (GPU) Mali-400
Memory Card Slot MicroSD, up to 128 GB
Operating System Android Lollipop v5.1.1
Processor Quad-core, 1.5 GHz Cortex-A7
RAM 1.5 GB
ROM 8/16 GB
Release Date January 2016
Sensors Accelerometer, proximity
SIM Card Type Dual SIM (Micro-SIM, dual stand-by)
USB MicroUSB v2.0, USB-on-the-go (OTG)
Video Recording HD (720p)
Wireless LAN Yes, Wi-Fi direct, hotspot
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, HTML5

Samsung Galaxy J3 (2016)Price in Bangladesh: 14,900 Tk.

ফেসবুক মেসেঞ্জারে দুটি বড় ধরণের ফিচার যুক্ত করেছে ফেসবুক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি এর মেসেঞ্জারে সম্প্রতি ভিডিও চ্যাট হেড এবং ড্রপবক্স সুবিধা চালু করেছে।ফেসবুক মেসেঞ্জারে দুটি বড় ধরণের ফিচার যুক্ত করেছে ফেসবুক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি এর মেসেঞ্জারে সম্প্রতি ভিডিও চ্যাট হেড এবং ড্রপবক্স সুবিধা চালু করেছে।


চ্যাট হেডের আদলে তৈরিকৃত ভিডিও চ্যাট হেড ইউজারের ডিভাইসে বৃত্তাকার স্ক্রিন হিসেবে হাজির হয়। এটি ইউজারদের মাল্টি-টাস্ক এবং একই সাথে ভিডিও চ্যাট করার সুযোগ দিবে। ইউজাররা ভাসমান বৃত্তাকার হেডটিকে স্ক্রিনে যেখানে খুশি রেখে দিতে পারবেন। আপডেটটি শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মে পাওয়া যাবে। তবে আইওএস প্লাটফর্মে এটি কবে আসবে তা এখনও জানায়নি ফেসবুক।

তাছাড়া ফেসবুক মেসেঞ্জারে ড্রপবক্স সুবিধা চালু করেছে মেসেঞ্জার। এই ফিচারের মাধ্যমে ইউজাররা সরাসরি ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ফাইল শেয়ার করতে পারবেন। মেসেঞ্জার অ্যাপের মোর বাটনে ক্লিক করলে এখন ইউজাররা ড্রপবক্সের আইকন দেখতে পাবেন।

আপডেট হলো ফেসবুক মেসেঞ্জার


facebookincome
আগে জেনে নেই, ফেসবুক ব্যবহার জেনেই কিভাবে ইনকাম করতে পারবেন?১) এফ কমার্স: ফেসবুকে পেজ খুলেই বাংলাদেশে ইকমার্স ব্যবসা করা যায়। যেটা ইদানীং সবাই ফেসবুকে দেখছেন। যারা এভাবে কাজ করছেন, যারা এভাবে কাজ করছেন, তাদের মাসিক আয় হচ্ছে ১০,০০০টাকা - ৩০,০০০টাকা। কারও কারও ভাল ইনভেস্ট থাকার কারনে আরও বেশিও ইনকাম হচ্ছে। সেটা ১লাখ-২লাখও হতে পারে।প্রোডাক্ট: শাড়ি, মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদিচ্যালেঞ্জ: ছোট ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট সিলেক্ট, প্রোডাক্ট ডেলিভারি, মার্কেটিং২) টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সোর্স হচ্ছে টিসপ্রিং, যেটা হচ্ছে টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন। এ অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুককেই ব্যবহার করা হয়। এভাবে মাসে ১০,০০০টাকা- ১লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব।প্রোডাক্ট: টি-শার্ট, মগ, হুডি ইত্যাদিচ্যালেঞ্জ: নিশ সিলেক্ট, অডিয়েন্স টার্গেট, মার্কেটিং৩) হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশন: হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। ইনকাম কয়টা সেল করেছেন, সেই অনুযায়ি বাড়তে থাকে। ইনকাম মাসে ৫০০০টাকা – ৮০,০০০টাকা হতে পারে। তবে হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সম্ভব না। কারণ নিয়মিত ইনকাম সম্ভব হবেনা।প্রোডাক্ট: বিভিন্ন কোম্পানীর হোস্টিংচ্যালেঞ্জ: কনটেন্ট ডেভেলপ, সম্ভাব্য কাস্টমার খুজে বের করা, মার্কেটিং৪) লোকাল ব্যবসা: লোকাল যেকোন ব্যবসার প্রোফিট বৃদ্ধির জন্য এখন ফেসবুক মার্কেটিংকে সবাই ব্যবহার করছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, ফ্যাশন হাউজ থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য ব্যবসাতেও ফেসবুকে মার্কেটিং  করেই ইনকাম বৃদ্ধি করতে হয়।প্রোডাক্ট: সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদিচ্যালেঞ্জ: ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট বাছাই, দক্ষ ব্যক্তি, মার্কেটিং









আগে জেনে নেই, ফেসবুক ব্যবহার জেনেই কিভাবে ইনকাম করতে পারবেন?
১) এফ কমার্স: ফেসবুকে পেজ খুলেই বাংলাদেশে ইকমার্স ব্যবসা করা যায়। যেটা ইদানীং সবাই ফেসবুকে দেখছেন। যারা এভাবে কাজ করছেন, যারা এভাবে কাজ করছেন, তাদের মাসিক আয় হচ্ছে ১০,০০০টাকা - ৩০,০০০টাকা। কারও কারও ভাল ইনভেস্ট থাকার কারনে আরও বেশিও ইনকাম হচ্ছে। সেটা ১লাখ-২লাখও হতে পারে।
প্রোডাক্ট: শাড়ি, মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: ছোট ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট সিলেক্ট, প্রোডাক্ট ডেলিভারি, মার্কেটিং
২) টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সোর্স হচ্ছে টিসপ্রিং, যেটা হচ্ছে টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন। এ অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুককেই ব্যবহার করা হয়। এভাবে মাসে ১০,০০০টাকা- ১লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
প্রোডাক্ট: টি-শার্ট, মগ, হুডি ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: নিশ সিলেক্ট, অডিয়েন্স টার্গেট, মার্কেটিং
৩) হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশন: হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। ইনকাম কয়টা সেল করেছেন, সেই অনুযায়ি বাড়তে থাকে। ইনকাম মাসে ৫০০০টাকা – ৮০,০০০টাকা হতে পারে। তবে হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সম্ভব না। কারণ নিয়মিত ইনকাম সম্ভব হবেনা।
প্রোডাক্ট: বিভিন্ন কোম্পানীর হোস্টিং
চ্যালেঞ্জ: কনটেন্ট ডেভেলপ, সম্ভাব্য কাস্টমার খুজে বের করা, মার্কেটিং
৪) লোকাল ব্যবসা: লোকাল যেকোন ব্যবসার প্রোফিট বৃদ্ধির জন্য এখন ফেসবুক মার্কেটিংকে সবাই ব্যবহার করছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, ফ্যাশন হাউজ থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য ব্যবসাতেও ফেসবুকে মার্কেটিং  করেই ইনকাম বৃদ্ধি করতে হয়।
প্রোডাক্ট: সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট বাছাই, দক্ষ ব্যক্তি, মার্কেটিং
নিচের দক্ষতাগুলো ফেসবুক মার্কেটিংয়ের দক্ষতা না:
১) ফেসবুকে স্ট্যাটাসে কিছু লিখতে পারা
২) অন্যের টিউনে টিউমেন্ট করতে পারা
৩) ভাল লেখালেখি করতে পারা
৪) অন্য গ্রুপে টিউমেন্ট করতে পারা
৫) ফেকলাইক বৃদ্ধি করতে পারা
৬) অন্যের গ্রুপে কিংবা অন্যের টিউনে গিয়ে লিংক শেয়ার করা
ফেসবুক মার্কেটার হিসেবে যে যে দক্ষতা থাকতে হবে:
১) লিড সংগ্রহ: ফেসবুকে লাইক বৃদ্ধি করে ব্যবসার জন্য লাভ নাই। লিড বৃদ্ধি করতে হবে। ওজন কমানোর কোন ঔষধ বিক্রি করার জন্য পেজ খুলছেন। সে পেজে ১০,০০০ লাইক রয়েছে, যার মধ্যে ৯,৯৯৯ হচ্ছে চিকন মানুষের লাইক। তাহলে তাদের কাছে জীবনে ঔষধ বিক্রি করা যাবেনা। যারা মোটা এবং মোটা নিয়ে চিন্তিত তাদেরকেই আপনার পেজে নিয়ে আনা উচিত। এদেরকেই পেজে নিয়ে আনাকে লিড সংগ্রহ বলে।
২) লিড পরিচযা: পেজে যখন লিড তৈরি হলো তাদের জন্য সচেতনতামূলক টিউন দিয়ে দিয়ে মোটা থেকে চিকন হওয়ার গুরুত্বমূলক, আতংক তৈরি মূলক টিউন তৈরি করতে হবে। এগুলো দেখে সেই পেজের মানুষজনের মধ্যে চিকন হওয়ার প্রোডাক্ট কিনার আগ্রহ তৈরি হবে। একেই বলে লিড নার্সিং বা লিড পরিচযা।
৩) সেলস ফানেল: আমরা মার্কেটিং করার সময় সবসময় প্রোডাক্টি কেনা সম্পর্কিত টিউনটাই দিয়ে থাকি। প্রোডাক্টের মূল্য, প্রোডাক্ট কেন ভাল এ টাইপ টিউন প্রতিনিয়ত দিয়ে থাকি। এটা করলে একটা পযায়ে সেল বন্ধ হয়ে যায় কিংবা সেল ভাল পাওয়া যায়না। কিন্তু দেখা যায় পরিশ্রম প্রচুর করা হচ্ছে। এটাকে সহজ একটা ব্যাখ্যা দিয়ে সেমিনারটিতে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।
বাসা বাড়িতে পানির ট্যাংকি থাকে। ঘরের ভিতরে কল ছেড়ে রেখে দিয়েছেন। পানি পড়তে পড়তে একসময় ট্যাংকি খালি হয়ে যাবে। যেরকম কল ছেড়েছেন, সেরকম মোটর চালিয়ে নিয়মিত ট্যাংকিতেও পানি ভরতে হবে। মোটর চালিয়ে পানি উঠাবেন, এটাকে লিড সংগ্রহ বলে। ট্যাংকিতে পানি ভরেছে, সেটাকে লিড পরিচযা বলে। পরে কল ছেড়েছেন, সেটা হচ্ছে সেল শুরু হয়েছে।
৪) কনটেন্ট ডেভেলপ: কনটেন্ট বলতে আর্টিকেল, কোন লিখার লিংক, গ্রাফিক, ভিডিও সবকিছুকে কনটেন্ট বলে। কনটেন্ট ডেভেলপের ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট সেল করা বিষয়টি মাথাতে রেখেই পরিকল্পনা করতে হবে। লিড সংগ্রহ, লিড নার্সিং, সেলস ফানেল তৈরির চিন্তা করে কনটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে।
৫) সম্ভাব্য কাস্টমারের আচরণ বুঝা: সম্ভাব্য কাস্টমারের বয়স, সেক্স, তাদের কেনার ক্ষমতা, কেনার অভ্যাস, তাদের আচরণ বুঝতে হবে, সেই অনুযায়ি কনটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে। সম্ভাব্য কাস্টমারদের ডাটা কালেক্ট করা এবং তাদের আচরণটা অ্যানালাইস করা জানতে হবে।৬) নিউজ ফিড অ্যালগরিদম: ফেসবুকে কার ওয়্যালে কোন টিউন দেখাবে এটা একটা অ্যালগারিদম মেইনটেইন করে চলে, যেটাকে EDGE Rank বলে। আর এ অ্যালগারিদমের কারনেই আপনারে ফ্রেন্ড লিস্টের সবার টিউন আপনি দেখেননা, আপনার টিউনও সবাই দেখেনা। এটা না বুঝে মার্কেটিং করেন দেখেই কোন উপকার পাচ্ছেন না। আপনি ১০০গ্রুপে হয়ত মার্কেটিং করতেছেন, কিন্তু আসলে আপনার টিউনকে ফেসবুক কারও ওয়্যালে শো করতেছেনা শুধুমাত্র এ অ্যালগরিদমটার কারনে।
৭) সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা: সঠিক অডিয়েন্স খুজে বের করে শুধুমাত্র তাদের কাছেই মার্কেটিং করেন। এ সঠিক অডিয়েন্স কারা সেটা বুঝার জন্য অনেক টুলস রয়েছে যার ব্যবহার না জেনে অন্ধের মত মার্কেটিং করলে সময়টাই নষ্ট হবে। ইনকাম আর হবেনা।
৮) পেইড অ্যাডভার্টাইজিং: ফেসবুকে পেইড অ্যাডভার্টাইজিং চমৎকার একটা মার্কেটিং সলিউশন। কিন্তু দু:খের বিষয়, আমাদের দেশে মনে করে ১ডলার খরচ করে কত বেশি মানুষের কাছে যেতে পারলাম, তত বড় আমি মার্কেটার হয়ে গেছি। আসলে কত বেশি মানুষ টিউনটা দেখলো, সেটাতে আপনার স্বার্থকতা না, কতজন আপনার প্রোডাক্টটি কিনলো, সেটাতে মার্কেটিংয়ে সফলতা। সেজন্য সঠিক পেইড মার্কেটিং শিখতে হবে।
৯) রিমার্কেটিং টেকনিক: ফেসবুক পেইড মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোন প্রোমোশন যদি একই ব্যক্তির কাছে বার বার নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে প্রোডাক্টটি ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। এজন্য অডিয়েন্স ধরে রাখা, তাদের কাছে বার বার মার্কেটিং করে মেসেজ পৌছে দেওয়াটাই হচ্ছে রিমার্কেটিং।
১০) ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া: কোন বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে অনলাইনে মানুষের ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে পারাকে ইনফ্লুয়েন্সার বলে। ইনফ্লুয়েন্সার হলে মার্কেটিং করার কষ্ট কমে যায়। অল্প কষ্টে বেশি লাভ করা যায়। এ ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার টেকনিক জানা থাকতে হবে।
১১) মাসিক মার্কেটিং রিপোর্ট পযবেক্ষণ: প্রতিটা মার্কেটিংয়ের প্রতিটা ফলাফল দেখার ব্যবস্থা রয়েছে ফেসবুকের কিছু টুলসে। সেগুলো  অ্যানালাইস করতে না জেনে মার্কেটিং করলে কোন লাভ নাই। সেগুলো না জেনেই মার্কেটিং করলে অন্ধের মত সমুদ্রে হাতরানো হবে।
১২) রিপোর্ট অনুযায়ি মার্কেটিং প্লান তৈরি: মাসিক রিপোর্ট অনুযায়ি পরবর্তী মাসের মার্কেটিং প্লানটা সাজাতে হয়। কোন ধরনের কনটেন্ট মানুষকে আকর্ষণ করতেছে, কোন সময়ে মানুষজন অনলাইনে বেশি থাকে সেগুলো জেনে মার্কেটিং করলে পরিশ্রম অনেক কমে যাবে, ইনকামটাও বাড়বে।
১৩) কম্পিটিটরদের অ্যানালাইস করা: আপনার যারা কম্পিটিটর তাদের অ্যানালাইস না করে মার্কেটিংয়ে নামলে মার্কেটিং করেতো কোন লাভ হবেনা। হতাশাটাই শুধু পাবেন। কম্পিটিটরদের থেকে আইডিয়া নিয়ে তারপর আপনার মার্কেটিং প্লান তৈরি করুন।
ফেসবুকে কোন টিউনগুলো দিলে মানুষের অ্যানগেজমেন্ট বাড়ে, কিভাবে মার্কেটিং করলে আপনার টিউন বেশি মানুষ দেখবে, কোনভাবে মার্কেটিং করলে আপনি প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন সেসব বিষয়েও ভালভাবে দক্ষতাটা অর্জন করার জন্য ২মাস নিজেকে সময় দিন।

আপনিও পারবেন ফেসবুকের মাধ্যমে সহজ কিন্তু বিশাল ইনকাম করতে।।


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-polymer 2200 mAh (Non_removable)
Stand-by: -
Talk-time: -
Body & Weight 143.5 x 71 x 7.6 millimeter, 135 gram
Camera Factors (Back) Autofocus, LED flash, auto face recognition, ultra fast snapshot, panorama mode
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 5 Megapixel, Front Focus
Chipset MTK MTK6753T

Colors Available Gold, Silver, Gray
Display Size & Resolution 5.0 inches, HD 1080 × 720 pixels
Display Type IPS LCD Touchscreen
Graphic Processing Unit (GPU) -
Memory Card (External Slot) -
Operating System Android Lollipop v5.1
Processor Octa-core, 1.5 GHz (Cortex-A53 64bit)
RAM 2 GB
ROM 16 GB
Release Date March 2016
Sensors G-sensor, Proximity, Light
SIM Card Type Single SIM
USB Yes
Video Recording Full HD (1080p)
Wireless LAN Yes, WiFi direct, hotspot
Special Features - Emotion UI 3.1 Lite, metal (aluminium alloy) body
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker

Huawei GR3..Price in Bangladesh: 19,990 Tk.


Network Scope 2G, 3G, 4G
Battery Type & Performance Lithium-polymer 4100 mAh (Non-removable)
Stand-by: up to 526 hours
Talk-time: up to 38 hours (3G)
Body & Weight 155.7 x 77.3 x 8.9 millimeter, 175 gram
Camera Factors (Back) Autofocus, dual-LED flash, auto face recognition, f/2.2, HDR, panorama mode, Optical Image Stabilization (OIS)
Camera Resolution (Back) 13 Megapixel
Camera Resolution (Front) 8 Megapixel, f/2.2, Full HD video rec.

Chipset Qualcomm Snapdragon 801
Colors Available White, Dark Gray
Display Size & Resolution 5.5 inches, Full HD 1920 × 1080 pixels (401 ppi)
Display Type IPS LCD Touchscreen
Graphic Processing Unit (GPU) Adreno 330
Memory Card (External Slot) No
Operating System Android Lollipop v5.1.1, planned upgrade to Marshmallow v6.0
Processor Quad-core, 2.4 GHz Krait 400
RAM 3 GB
ROM 64 GB
Release Date September 2015
Sensors Accelerometer, gyro, proximity, compass
SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
USB v3.0, Type-C reversible connector
Video Recording Full HD (1080p)
Wireless LAN Yes, dual band, hotspot
Special Features - CyanogenMod 12.1, fingerprint sensor, fast battery charging
Other Features - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, GPRS, Edge, NFC, Multitouch, Loudspeaker

Lenovo ZUK Z1..Price in Bangladesh: 34,999 Tk.


 অনেকেই নতুন ব্লগ তৈরী করার সময় কনফিউস্‌ড হয়ে পড়েন, কোন সাইটে খুলব তা নিয়ে। ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরির জন্য প্রধানত এই দুইটা সাইট সবার প্রথম পছন্দ হ।
একটা হল গুগোলের তৈরী Blogger.com। আর, আরেকটা হল ওয়ার্ডপ্রেসের তৈরী wordpress.com। আর এই দুইটা সাইট নিয়েই যতসব কনফিউশন।
আসুন দেখে নেয়া যাক ওয়ার্ডপ্রেস এবং ব্লগস্পটের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলো:
ওয়ার্ডপ্রেস: wordpress.com একটি ফ্রি ওয়েব হোস্টিং সাইট। এই সাইটে নিজের ফ্রি ব্লগ তৈরী করা খুব সহজ। শুধু সাইটে গিয়ে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করলেই চলে। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটা সার্ভিস আছে যা হচ্ছে CMS (Content Management System)


ওয়ার্ডপ্রেসের সুবিধাসমূহ:
ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের হাইকোয়ালিটি থীম পাবেন যার মাধ্যমে আপনি একটি ভালো প্রফেশনালমানের সাইট তৈরী করতে পারবেন।
ওয়ার্ডপ্রেসের ফ্রি ব্লগে কাজ করলে আপনি যদি পরবর্তীতে নিজস্ব সাইটে ওয়ার্ডপ্রেস CMS ব্যবহার করলে তা সহজে বুঝতে পাড়বেন।
এখানে আপনি গুগোল এডসেন্সের এ্যাড ব্যবহার করেও অর্থ আয় করতে পারবেন।
এখানে আপনি ছবি, ভিডিও, অডিও সহ বিভিন্ন ধরনের ফাইল আপলোড করে রাখতে পাড়েন।
ওয়ার্ডপ্রেসের অসুবিধা:

এখন ওয়ার্ডপ্রেসের অসুবিধার কথাগুলো বলি। প্রফেশনালী কাজ করতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেস.কম এ অনেক অসুবিধা আছে। কারন, যারা ব্লগ তৈরী করেন তারা মোটামোটি একটা আয়ের কথা ভেবেই সাইট তৈরী করেন। আর, ব্লগে আয়ের ক্ষেত্রে গুগল এডসেন্সই সবচেয়ে জনপ্রিয়তা বেশি। আর এখানে মূল সমস্যাটাই হল গুগোল এডসেন্স। আসলে, ওয়ার্ডপ্রেস.কম এ গুগোল এডসেন্স পাওয়া অনেক কঠিন একটা বিষয়। এখানে এডসেন্স পেতে হলে দুইটা শর্ত আছে। প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনার ব্লগ-সাইটে মাসের পেজ ভিউ ৩০,০০০ হতে হবে যা প্রথম অবস্থায় অসম্ভব। অন্য শর্তটি হচ্ছে এডসেন্স থেকে প্রাপ্ত আয়ের অর্ধেকটাই দিতে হবে ওয়ার্ডপ্রেস কর্তৃপক্ষকে। কি কথাটা শুনে একটু ধাক্কা লাগলো তাই না? তাই আমি মনে করি এই ব্লগটি পারসোনাল কাজের জন্যই ভালো, এখানে আর্নিং এর কথাটা মাথায় না রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ব্লগস্পট:

blogger.com গুগোলের একটি ফ্রি ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস। এখানেও আপনি ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরী করতে পাড়বেন। কিন্তু এখানে ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর মতো ততটা সুবিধা পাবেন না।
ব্লগারের সুবিধা:
ব্লগারে আপনি ফ্রি ওয়েব সাইট তৈরী করে ভালভাবে এস.ই.ও করতে পাড়লে অনেক ভিজিটর পাবেন এবং ভাল পি.আর ও পেতে পারেন।
ভালোমানের পোস্ট ও ইউনিক কন্টেন্ট থাকলে ব্লগার থেকে আপনি সহজে ও কম পরিশ্রমেই গুগোল এডসেন্স পেতে পাড়েন। তবে তা হবে এডসেন্সের কন্ডিশন অনুযায়ী।
এখানেও অনেক ভাল ব্লগ থিমস পাওয়া যায়। যা দিয়ে আপনি সহজেই আপনার সাইটটিকে আরো দৃষ্টিনন্দনভাবে তৈরী করতে পারবেন।
ওয়ার্ডপ্রেসের মত ব্লগারে এত বেশী অসুবিধা নাই। তাই আমার পরামর্শ হল আপনাদের মধ্যে যারা প্রোফেশনালী ফ্রি ব্লগে কাজ করতে চান তাদের জন্যই ব্লগার। এখন আপনার পালা আপনিই ভেবে নিন যে কোনটা কিভাবে ব্যবহার  করবেন। আর সামনের দিন থেকে দেখানো হবে গুগল ব্লগে কিভাবে একটি সম্পূর্ণ ফ্রি ব্লগসাইট খোলা যায়।

জেনে নিন ওয়ার্ডপ্রেস না গুগল ব্লগার, কোনটা বেশি ভালো আপনার জন্য।।


বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এক দুর্ভেদ্য রহস্যের নাম। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে বিশ্ব অনেক দূর এগিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত এ রহস্যের কিনারা করতে পারেনি কেউ। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্যের সমাধান করার বিষয়টি উঠে এসেছে।



প্রতিবেদনে বলা হয়, নরওয়ের গবেষকেরা উত্তর মেরুর ব্যারেন্টস সাগরের তলদেশে বেশ কিছু বড় গর্তের সন্ধান পেয়েছেন। আর্কটিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলছেন, এই গর্ত বা আগ্নেয়গিরির মুখগুলোর ব্যাস ৩ হাজার ২৮০ ফুট ও গভীরতা ১৩১ ফুট হতে পারে। থ্রিডি সিসমিক ইমেজিং পদ্ধতিতে এই গর্তগুলো শনাক্ত করেছেন তাঁরা। গবেষকেরা বলছেন, তেলের খনি থেকে সৃষ্ট উচ্চ চাপের মিথেন গ্যাসের উদগীরণে এ গর্ত সৃষ্টি হতে পারে।

ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই আবিষ্কারের ঘটনা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নামের বিতর্কিত ওই এলাকায় জাহাজ ও বিমানের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারে। এর আগে ২০১৪ সালে সাইবেরিয়ান টাইমসকে দেওয়া রাশিয়ার গবেষক ভ্লাদিমির পোতাপভের এক সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়েছে ডেইলি মেইল। পোতাপভের তত্ত্ব অনুযায়ী, মিথেন গ্যাসের উদগীরণ সমুদ্রকে উত্তপ্ত করে। মিথেনযুক্ত পানির কারণে জাহাজ ডুবে যায়। এ ছাড়া বায়ুমণ্ডলেও বিশেষ পরিবর্তনের ফলে বিমান দুর্ঘটনা ঘটে।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল
ক্যারিবীয় সাগরের এক কল্পিত ত্রিভুজ এলাকা হলো বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। ত্রিভুজের তিন বিন্দুতে আছে ফ্লোরিডা, বারমুডা আর প্যুয়ের্তো রিকো। অবশ্য এই বিন্দু নির্ধারণ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সে যা-ই হোক, এ অঞ্চলটিকে মারাত্মক রহস্যময় এলাকায় পরিণত করেছে কিছু খবর। বলা হয়, এ ত্রিভুজ অঞ্চলে অদ্ভুতভাবে হারিয়ে গেছে মানুষ, জাহাজ আর উড়োজাহাজ। রেখে যায়নি কোনো ধ্বংসাবশেষ। এসব ‘উড়ো’ খবর নিয়ে গবেষণা হয়েছে, ডকুমেন্টারি বানানো হয়েছে। শেষমেশ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় সব রহস্যের অসারতা প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু রহস্যপ্রিয় মানুষ এতে বিশেষ খুশি হতে পারেননি। তাঁরা এখনো বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে রহস্যের গন্ধ পান।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্যময় চরিত্র প্রথম নিয়ে আসেন ই ভি ডব্লিউ জোনস। ১৯৫০ সালের বার্তা সংস্থা এপি প্রকাশিত একটি নিবন্ধে জোনস অভিযোগ করেন, এ এলাকায় বেশ কিছু উড়োজাহাজ ও নৌযান বেমালুম উধাও হয়ে গেছে, যেগুলোর কোনো সন্ধান আজ পর্যন্ত মেলেনি। দুই বছর পর ফেট ম্যাগাজিনের একটি নিবন্ধে দাবি করা হয়, ১৯৪৫ সালে ফ্লাইট-১৯ নামের মার্কিন নৌবাহিনীর পাঁচটি বোমারু বিমানের একটি বহর উধাও হয়ে গেছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে। এই বহর থেকে শেষ বার্তা ছিল, ‘সবকিছুই খুব অদ্ভুত লাগছে। আমরা জানি না, কোন দিক পশ্চিম। সাগরকেও স্বাভাবিক দেখাচ্ছে না। আমাদের মনে হচ্ছে আমরা...’।

এরপর একের পর এক খবর গত শতকের শেষ পর্যন্ত তুমুল হইচই তুলেছে। যার মধ্যে আস্ত ডিসি বিমান, যাত্রীবাহী জাহাজ পর্যন্ত উধাও হয়ে যাওয়ার খবর ছিল।

তবে এসব খবরের পাশাপাশি ব্যাখ্যাও চলেছে। বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন, এর সবই স্বাভাবিক ঘটনা। রং চড়িয়ে বলা হচ্ছে। আবার বলা হয়েছে, দুনিয়াজুড়ে দুর্ঘটনার যে হার, এতে বারমুডায় মোটেও বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে না। কখনো কখনো বারমুডা-সংক্রান্ত খবর তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেছে, খবরটাই ভুয়া। রং চড়িয়ে লেখা হয়েছে ট্যাবলয়েডগুলোতে।








বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে কিছু তথ্য
অনেকের মতে, ক্রিস্টোফার কলম্বাসের কাছ থেকে সর্বপ্রথম এলাকাটির বিষয়ে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা জানা যায়। কলম্বাস লিখেছিলেন, তাঁর জাহাজের নাবিকেরা এ অঞ্চলের দিগন্তে আলোর নাচানাচি এবং আকাশে ধোঁয়া দেখেছেন। এ ছাড়া তিনি কম্পাসের উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশের কথাও বর্ণনা করেছেন।

অনেকে আবার মনে করেন, নাবিকেরা যে আলো দেখেছেন, তা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নৌকায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত আগুন এবং কম্পাসে সমস্যা হয়েছিল নক্ষত্রের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে। ১৯৫০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) সাংবাদিক ই ভি ডব্লিউ জোনস সর্বপ্রথম এলাকাটি নিয়ে খবরের কাগজে লেখেন। অনেকে মনে করেন, ওই অন্তর্ধানের কারণ নিছক দুর্ঘটনা, যার কারণ হতে পারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা চালকের অসাবধানতা। তা ছাড়া এই ত্রিভুজের ওপর দিয়ে মেক্সিকো উপসাগর থেকে উষ্ণ সমুদ্রস্রোত বয়ে গেছে। এর তীব্র গতি অধিকাংশ অন্তর্ধানের কারণ। 


বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্য সমাধান?


মোবাইল ফোনে অপরিচিত অনেকের কাছ থেকে মেইল, বার্তা, ভিডিও লিংক আসতে পারে। কৌতূহলবশে বা প্রলুব্ধ হয়ে কোনো ফাঁদে পা দেবেন না যেন। কারণ অ্যান্ড্রয়েডচালিত মোবাইল ফোন এখন হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ৯৫ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েডচালিত ফোনেই একটি বিশেষ সফটওয়্যার ত্রুটি বা বাগ রয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।

এই বাগটির নাম ‘স্টেজফ্রাইট’। বিশেষজ্ঞরা এই বাগটিকে এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে বাজে বাগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইসরায়েলের গবেষকেরা সম্প্রতি নতুন বাগটির সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন।
ইসরায়েলের নর্থবিট নামের একটি সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এই বাগটি আবিষ্কারের পাশাপাশি তা কীভাবে কাজ করে, তা দেখিয়েছেন। এই প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা স্টেজফ্রাইট গোত্রের ওই সফটওয়্যারটির নাম দিয়েছেন মেটাফোর, যা এলজি জি৩, নেক্সাস ৫, গ্যালাক্সি এস ৫ ও এইচটিসি ওয়ানের মতো স্মার্টফোনের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
নর্থব্রাইটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গিল দাবাহ বলেন, ১৪০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও ট্যাবের ৩৬ শতাংশ এখনো অ্যান্ড্রয়েড ৫ বা ৫ দশমিক ১ সংস্করণে চলছে। ওই সংস্করণগুলোতে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড সর্বশেষ নিরাপত্তা প্যাঁচ হালনাগাদ করা নেই বলে তা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েডের পুরোনো সংস্করণের জন্য এ বাগটি হুমকি সৃষ্টি করছে।

ফরচুনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ বাগটি নিয়ে গত বছরে অনেক হইচই হলেও সব সংস্করণের জন্য নিরাপত্তা প্যাঁচ উন্মুক্ত করেনি গুগল।
গবেষকেরা বলছেন, বাগটি যদি কোনো ফোনে ঢুকে পড়ে, তবে তা ব্যবহার করে দূর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান জিমপেরিয়ামের গবেষকেরা ‘স্টেজফ্রাইট’ বাগ সম্পর্কে প্রথম তথ্য প্রকাশ করেছিল। ওই সময় এ প্রতিষ্ঠানটির বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, অ্যান্ড্রয়েডচালিত মোবাইল ফোনে এমএমএস হিসেবেও ভাইরাস আসতে পারে, যা ফোনে থাকা তথ্য চুরি করতে সক্ষম। ‘স্টেজফ্রাইট’ নামের অ্যান্ড্রয়েডের একটি নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ভাইরাস পাঠাতে পারে হ্যাকাররা।
জিমপেরিয়াম মোবাইল সিকিউরিটির ব্লগ পোস্টে বলা হয়, ‘হ্যাকারদের শুধু অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করার জন্য মোবাইল নম্বর জানা থাকলেই চলবে। ওই নম্বরে দূরে বসেই এমএমএস বা টেক্সট মেসেজ আকারে একটি বিশেষ কোড লিখে মোবাইলে পাঠিয়ে দেবে তারা। বিশেষভাবে লেখা কোডসমেত বার্তা মোবাইলে পাঠাতে সফল হলে ব্যবহারকারী সে বার্তা দেখার আগেই তা মুছে যাবে। এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী শুধু নোটিফিকেশন দেখতে পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মোবাইল নিরাপত্তা পণ্য নির্মাতা জিমপেরিয়ামের দাবি, এখন পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েডের যতগুলো নিরাপত্তা ত্রুটির খোঁজ পাওয়া গেছে তার মধ্যে স্টেজফ্রাইট সবচেয়ে বাজে। এর কারণ হচ্ছে, এতে ব্যবহারকারীর কিছুই করার থাকে না। মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যবহারকারীর অজান্তেই মোবাইল ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা। শতকরা ৯৫ শতাংশ বা ৯৫ কোটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এই বিপদের ঝুঁকির মুখে আছেন বলেই জিমপেরিয়াম দাবি করে।
স্টেজফ্রাইটের তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর গুগল এর জন্য নিরাপত্তা প্যাঁচ উন্মুক্ত করেছে এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিরাপদ রাখতে নিয়মিত হালনাগাদ আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে—অপরিচিত কারও কাছ থেকে ভিডিও এমএমএস পেলে তা খুলবেন না।

মোবাইল ফোন যেভাবে হ্যাক হতে পারে